আবু সাঈদ হত্যা মামলায় জামিন পেল ১৬ বছরের সেই মাহিম

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:০৩ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট ২০২৪
  • ৭৩৫ বার পড়া হয়েছে

কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত হওয়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আলফি শাহরিয়ার মাহিমের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) ১২টা ৫০ মিনিটে শিশু আদালত-১ এর বিচারক মোস্তফা কামাল ১০০ টাকার বন্ডে শুনানি শেষে এই জামিন আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহিমের আইনজীবী জোবায়দুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মামলাটি মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় ছিল।

মাহিম শিশু হওয়ায় মামলা স্থানান্তর হয়েছে। ৪ আগস্ট শুনানির দিন ছিল। কিন্তু আমরা আজ নতুন করে শুনানির জন্য আবেদন করেছি। আদালত শুনানি গ্রহণ করে জামিন মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে, ছোট ভাইয়ের কোনো খোঁজ না মেলায় বোন সানজানা আখতার স্নেহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এরপরই কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা তাজহাট থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) জিল্লুর রহমান বলেন, ১৭ জুলাই আমাদের তাজহাট থানায় যখন আগুন দেয়, তখন মাহিম পিকেটিং করছিল। ওই সময় ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, বিজিবির টিম ছিল। ওই সময় সে বিজিবির হাতে ধরা পড়ে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় জামিন পেল ১৬ বছরের সেই মাহিম

আপডেট সময় : ০৩:২১:০৩ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত হওয়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আলফি শাহরিয়ার মাহিমের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) ১২টা ৫০ মিনিটে শিশু আদালত-১ এর বিচারক মোস্তফা কামাল ১০০ টাকার বন্ডে শুনানি শেষে এই জামিন আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহিমের আইনজীবী জোবায়দুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মামলাটি মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় ছিল।

মাহিম শিশু হওয়ায় মামলা স্থানান্তর হয়েছে। ৪ আগস্ট শুনানির দিন ছিল। কিন্তু আমরা আজ নতুন করে শুনানির জন্য আবেদন করেছি। আদালত শুনানি গ্রহণ করে জামিন মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে, ছোট ভাইয়ের কোনো খোঁজ না মেলায় বোন সানজানা আখতার স্নেহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এরপরই কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা তাজহাট থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) জিল্লুর রহমান বলেন, ১৭ জুলাই আমাদের তাজহাট থানায় যখন আগুন দেয়, তখন মাহিম পিকেটিং করছিল। ওই সময় ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, বিজিবির টিম ছিল। ওই সময় সে বিজিবির হাতে ধরা পড়ে।