বুধবার | ৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী

অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কারাগারে

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:২৮ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • ৭৪২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:মেহেরপুরে অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হীরক আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে হীরক মেহেরপুর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. কেরামত আলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হীরক মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার দুলালনগর চাঁদপুর গ্রামের খোকন আলীর ছেলে।মেহেরপুরে অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হীরক আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে হীরক মেহেরপুর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. কেরামত আলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হীরক মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার দুলালনগর চাঁদপুর গ্রামের খোকন আলীর ছেলে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই গাংনী উপজেলার হেমায়েতপুর ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান নাইন এমএম পিস্তলসহ হীরক, আলমগীর ও রিপন নামের তিন যুবককে আটক করে। ওই ঘটনায় অস্ত্র আইনের ১৮৭৮-এর ১৯ ধারায় গাংনী থানায় একটি মামলা করেন। যার মামলা নম্বর ২৪। জিআর কেস নম্বর ৩৭/২০১১। এসটি নম্বর ৮৭/২০১১। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী তাঁদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল চতুর্থ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম ওই তিন ব্যক্তিকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। সাজাপ্রাপ্ত তিনজনই পলাতক ছিলেন। এদিকে, হীরক দুই বছর সাজা খাটার পর জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এসে পানি পথে মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যান। পরে ২০১৯ সালের ১০ নভেম্বর দেশে ফিরে আসেন। গতকাল বুধবার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. কেরামত আলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম।

অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কারাগারে

আপডেট সময় : ১০:৫২:২৮ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নিউজ ডেস্ক:মেহেরপুরে অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হীরক আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে হীরক মেহেরপুর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. কেরামত আলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হীরক মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার দুলালনগর চাঁদপুর গ্রামের খোকন আলীর ছেলে।মেহেরপুরে অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হীরক আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে হীরক মেহেরপুর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. কেরামত আলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হীরক মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার দুলালনগর চাঁদপুর গ্রামের খোকন আলীর ছেলে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই গাংনী উপজেলার হেমায়েতপুর ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান নাইন এমএম পিস্তলসহ হীরক, আলমগীর ও রিপন নামের তিন যুবককে আটক করে। ওই ঘটনায় অস্ত্র আইনের ১৮৭৮-এর ১৯ ধারায় গাংনী থানায় একটি মামলা করেন। যার মামলা নম্বর ২৪। জিআর কেস নম্বর ৩৭/২০১১। এসটি নম্বর ৮৭/২০১১। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী তাঁদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল চতুর্থ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম ওই তিন ব্যক্তিকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। সাজাপ্রাপ্ত তিনজনই পলাতক ছিলেন। এদিকে, হীরক দুই বছর সাজা খাটার পর জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এসে পানি পথে মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যান। পরে ২০১৯ সালের ১০ নভেম্বর দেশে ফিরে আসেন। গতকাল বুধবার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. কেরামত আলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।