বুধবার | ৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী

আলমডাঙ্গা খালের পাড়ে গড়ে ওঠা প্রায় ৮৬৮৬টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১২:১০:০৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • ৭৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:আলমডাঙ্গার মোনাকষা বাজারের জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের পাড়ে গড়ে ওঠা প্রায় ৮৬টি পাকা-আধাপাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ সময় উচ্ছেদস্থল পুনরায় দখলের অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও অন্যদের সতর্ক করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমজাদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুবীর কুমার ভট্টাচার্য্য, আলমডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুল ইসলাম, এসআই আতিকুর রহমান জুয়েল, এসআই গোলাম মোস্তফা ও এসআই গিয়াস উদ্দিন।আলমডাঙ্গার মোনাকষা বাজারের জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের পাড়ে গড়ে ওঠা প্রায় ৮৬টি পাকা-আধাপাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ সময় উচ্ছেদস্থল পুনরায় দখলের অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও অন্যদের সতর্ক করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমজাদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুবীর কুমার ভট্টাচার্য্য, আলমডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুল ইসলাম, এসআই আতিকুর রহমান জুয়েল, এসআই গোলাম মোস্তফা ও এসআই গিয়াস উদ্দিন। জানা যায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার জিকে সেচ প্রজেক্টের প্রধান খালের (কুমার নদ) দুই পাড়ে, বিশেষ করে আলমডাঙ্গা শহর ও মোনাকষা বাজারে অবৈধ দখলদারেরা দীর্ঘ দিন নদের জমি দখল করে বসতি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। নদের শুধু পাড়েই নয়, নদের ভেতরও দখল করে বসতি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নদ থেকে মাটি উত্তোলন করে সেই মাটি পাড়ে ফেলে প্রতিনিয়ত নদের বুক ভরাট করে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। ফলে নদীর প্রশস্ততা ও নাব্যতা ক্রমেই স্তিমিত হয়ে পড়ে। পরিস্থিত এমন ভয়াবহ হয়েছিল যে নদের পাড় দিয়ে দীর্ঘ দুই কিলোমিটার হেঁটে গেলেও নদের দেখা মিলত না। তাই গতকাল দিনব্যাপী আলমডাঙ্গার মোনাকষা বাজারে ২য় পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অভিযান টিমের এসকেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয় মোনাকষা বাজারের জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের ওপর অবস্থিত ৮৬টি অবৈধ পাকা-আধাপাকা স্থাপনা। এর আগে প্রথম পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযানে আলমডাঙ্গা শহরের কুমার নদের পাড়ের উচ্ছেদকৃত অবৈধ স্থাপনাস্থল পুনরায় দখল করে ব্যবসা করার অপরাধে গতকাল সাদা ব্রিজ মোড়ের ফলব্যবসায়ী টিপু সুলতান ও আনন্দধামের ফলব্যবসায়ী জুয়েল হোসেনকে জরিমানা করা হয়েছে এবং অন্যদের সর্তক করে দেওয়া হয়েছে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম।

আলমডাঙ্গা খালের পাড়ে গড়ে ওঠা প্রায় ৮৬৮৬টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ!

আপডেট সময় : ১২:১০:০৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নিউজ ডেস্ক:আলমডাঙ্গার মোনাকষা বাজারের জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের পাড়ে গড়ে ওঠা প্রায় ৮৬টি পাকা-আধাপাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ সময় উচ্ছেদস্থল পুনরায় দখলের অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও অন্যদের সতর্ক করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমজাদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুবীর কুমার ভট্টাচার্য্য, আলমডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুল ইসলাম, এসআই আতিকুর রহমান জুয়েল, এসআই গোলাম মোস্তফা ও এসআই গিয়াস উদ্দিন।আলমডাঙ্গার মোনাকষা বাজারের জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের পাড়ে গড়ে ওঠা প্রায় ৮৬টি পাকা-আধাপাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ সময় উচ্ছেদস্থল পুনরায় দখলের অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও অন্যদের সতর্ক করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমজাদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুবীর কুমার ভট্টাচার্য্য, আলমডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুল ইসলাম, এসআই আতিকুর রহমান জুয়েল, এসআই গোলাম মোস্তফা ও এসআই গিয়াস উদ্দিন। জানা যায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার জিকে সেচ প্রজেক্টের প্রধান খালের (কুমার নদ) দুই পাড়ে, বিশেষ করে আলমডাঙ্গা শহর ও মোনাকষা বাজারে অবৈধ দখলদারেরা দীর্ঘ দিন নদের জমি দখল করে বসতি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। নদের শুধু পাড়েই নয়, নদের ভেতরও দখল করে বসতি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নদ থেকে মাটি উত্তোলন করে সেই মাটি পাড়ে ফেলে প্রতিনিয়ত নদের বুক ভরাট করে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। ফলে নদীর প্রশস্ততা ও নাব্যতা ক্রমেই স্তিমিত হয়ে পড়ে। পরিস্থিত এমন ভয়াবহ হয়েছিল যে নদের পাড় দিয়ে দীর্ঘ দুই কিলোমিটার হেঁটে গেলেও নদের দেখা মিলত না। তাই গতকাল দিনব্যাপী আলমডাঙ্গার মোনাকষা বাজারে ২য় পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অভিযান টিমের এসকেভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয় মোনাকষা বাজারের জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের ওপর অবস্থিত ৮৬টি অবৈধ পাকা-আধাপাকা স্থাপনা। এর আগে প্রথম পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযানে আলমডাঙ্গা শহরের কুমার নদের পাড়ের উচ্ছেদকৃত অবৈধ স্থাপনাস্থল পুনরায় দখল করে ব্যবসা করার অপরাধে গতকাল সাদা ব্রিজ মোড়ের ফলব্যবসায়ী টিপু সুলতান ও আনন্দধামের ফলব্যবসায়ী জুয়েল হোসেনকে জরিমানা করা হয়েছে এবং অন্যদের সর্তক করে দেওয়া হয়েছে।