মঙ্গলবার | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সুন্দরবনে হরিণ শিকার রোধে কোস্ট গার্ডের অভিযান, জব্দ বিপুল পরিমাণ মাংস ও ফাঁদ Logo ‘সেনা হেফাজতে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মৃত্যু’ Logo শিয়ালকোলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে সংঘর্ষ: নারীসহ অন্তত ৮ জন আহত Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন

ঝিনাইদহের গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উন্মোচন

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • ৭৩৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
কুষ্টিয়ার মিরপুরে গৃহবধূ শাহিনা খাতুন (৩০) হত্যায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি থেকে এই হত্যা রহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। গ্রেপ্তার হলেন হত্যায় জড়িত প্রধান আসামি মিরপুর উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের সেলিম হোসেন (৩৫), একই গ্রামের শিহাব আলী (৩৮), শাহানুর ইসলাম ওরফে বুড়ো (৩২) এবং ময়নাল (২৮)। মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম জানান, গত বছর ৩০ নভেম্বর দুপুরে পূর্বপরিচয়ের সূত্রে আসামি সেলিম মোবাইল ফোনে গৃহবধূ ঝিনাইদহ শৈলকুপা উপজেলার লাঙ্গলবাধ গ্রামের মহব্বুল মন্ডলের স্ত্রী শাহিনাকে ডেকে আনে নয়নপুর ক্যানাল পাড়া এলাকায়। এরপর সন্ধ্যা হয়ে গেলে তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ক্যানাল পাড়ের নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং সেখানে রাতভর চারজন মিলে ধর্ষণ করে। পরে ভোরে শাহিনাকে মেহেরপুরগামী একটি বাসে তুলে দিতে গেলে সে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আসামিরা মুখ চেপে ধরে দ্রুত রাস্তা থেকে টেনে হিঁচড়ে স্থানীয় একটি কবরস্থানে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। তারা লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ১ ডিসেম্বর স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদ পেয়ে হাত-পা, মুখ বাঁধা ও গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় এক অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, এ ঘটনায় মিরপুর থানা পুলিশ একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করে। ক্লু-লেস এই হত্যার তদন্তে নামে পুলিশ। সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যে সন্দেহজনক সেলিমের মোবাইল ট্র্যাক করে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। সেলিমের দেওয়া তথ্যে জড়িত শিহাব, শাহানুর ও ময়নাল নামে আরো তিনজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ এবং ক্রস চেক করলে ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে আসে বলে জানান ওসি আবুল কালাম। তিনি বলেন, পরিচয়ের সূত্রে ডেকে এনে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিম শাহিনা চিৎকার করায় তাকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে। আটকদের কুষ্টিয়া অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে সেখানে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতেও প্রধান আসামি সেলিম হত্যায় নিজেকে জড়িত বলে স্বীকারোক্তি দেয়। মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম এ তথ্য জানান।আদালত শুনানি শেষে আসামিদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন বলেও জানান ওসি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনে হরিণ শিকার রোধে কোস্ট গার্ডের অভিযান, জব্দ বিপুল পরিমাণ মাংস ও ফাঁদ

ঝিনাইদহের গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উন্মোচন

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
কুষ্টিয়ার মিরপুরে গৃহবধূ শাহিনা খাতুন (৩০) হত্যায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি থেকে এই হত্যা রহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। গ্রেপ্তার হলেন হত্যায় জড়িত প্রধান আসামি মিরপুর উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের সেলিম হোসেন (৩৫), একই গ্রামের শিহাব আলী (৩৮), শাহানুর ইসলাম ওরফে বুড়ো (৩২) এবং ময়নাল (২৮)। মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম জানান, গত বছর ৩০ নভেম্বর দুপুরে পূর্বপরিচয়ের সূত্রে আসামি সেলিম মোবাইল ফোনে গৃহবধূ ঝিনাইদহ শৈলকুপা উপজেলার লাঙ্গলবাধ গ্রামের মহব্বুল মন্ডলের স্ত্রী শাহিনাকে ডেকে আনে নয়নপুর ক্যানাল পাড়া এলাকায়। এরপর সন্ধ্যা হয়ে গেলে তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ক্যানাল পাড়ের নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং সেখানে রাতভর চারজন মিলে ধর্ষণ করে। পরে ভোরে শাহিনাকে মেহেরপুরগামী একটি বাসে তুলে দিতে গেলে সে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আসামিরা মুখ চেপে ধরে দ্রুত রাস্তা থেকে টেনে হিঁচড়ে স্থানীয় একটি কবরস্থানে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। তারা লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ১ ডিসেম্বর স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদ পেয়ে হাত-পা, মুখ বাঁধা ও গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় এক অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, এ ঘটনায় মিরপুর থানা পুলিশ একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করে। ক্লু-লেস এই হত্যার তদন্তে নামে পুলিশ। সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যে সন্দেহজনক সেলিমের মোবাইল ট্র্যাক করে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। সেলিমের দেওয়া তথ্যে জড়িত শিহাব, শাহানুর ও ময়নাল নামে আরো তিনজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ এবং ক্রস চেক করলে ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে আসে বলে জানান ওসি আবুল কালাম। তিনি বলেন, পরিচয়ের সূত্রে ডেকে এনে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিম শাহিনা চিৎকার করায় তাকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে। আটকদের কুষ্টিয়া অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে সেখানে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতেও প্রধান আসামি সেলিম হত্যায় নিজেকে জড়িত বলে স্বীকারোক্তি দেয়। মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম এ তথ্য জানান।আদালত শুনানি শেষে আসামিদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন বলেও জানান ওসি।