বুধবার | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo সাতক্ষীরায় ইয়াবা, অবৈধ অর্থ ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ  গ্রেফতার- ৩ Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার Logo ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের Logo কোর্স ফি বৃদ্ধি ও ছাত্র প্রতিনিধি ইস্যুতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo ঝিনাইদহে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র, বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo শেরপুরে সেবার আলোর উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ Logo সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ঘড়ি স্থাপন Logo চাঁদপুর কাচ্চি ডাইন ব্রাঞ্চে র‌্যাফেল জয়ীদের হাতে আনন্দের পুরস্কার”

প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, তিনজনের যাবজ্জীবন

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:৫৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২০
  • ৭৫২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামে এক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের দায়ে বাবলু, হামিদুল ও হাসেম আলী নামের তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. রাফিজুল ইসলাম এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত বাবলু মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামের হারেজ আলীর ছেলে, হাসেম আলী একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ও ইমাদুল তেরোরিয়া গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে।মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামে এক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের দায়ে বাবলু, হামিদুল ও হাসেম আলী নামের তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. রাফিজুল ইসলাম এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত বাবলু মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামের হারেজ আলীর ছেলে, হাসেম আলী একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ও ইমাদুল তেরোরিয়া গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শোলমারী গ্রামের মহসিন আলীর মেয়ে বিধবা প্রতিবন্ধী উলফাতুন্নেছার শারীরিক পরিবর্তন দেখে তার পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে প্রতিবন্ধী উলফাতুন্নেছা জানায়, ২০১৭ সালের সালের ৯ মার্চ তারিখসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে উলফাতুন্নেছার ছয় মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উলফাতুন্নেছার ভাই মাজিদুল বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ৩ এর ১/৩ ধারাই একটি মামলা করেন। যার মামলা নম্বর ৬, তারিখ ২/১০/২০১৭ইং। পরে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেন এবং চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী তাঁদের স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। এতে আসামিরা দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তাঁদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। একই আদেশে মামলার আসামি বাবলু কর্তৃক ধর্ষিতার সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ায় ওই কন্যা সন্তানকে মাতৃকূলের কোনো আত্মীয়র কাছে রেখে মানুষ করতে পারবে বলে আদালত সিদ্ধান্ত দেন। ওই কন্যা সন্তান পিতা-মাতা উভয়েরই পরিচয়ে পরিচিতি হবে বলে আদালত সিদ্ধান্ত দেন। ওই কন্যার বিবাহ পর্যন্ত তার ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। ওই কন্যা সন্তানের ভরণপোষণের প্রদেয় অর্থ সরকার আসামি বাবলুর নিকট থেকে আদায় করতে পারবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে তার বিদ্যমান সম্পদ থেকে আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হবেন, সে সম্পদ থেকে তা আদায় হবে। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি কাজি শহীদুল হক এবং আসামিপক্ষে অ্যাড. মারুফ আহম্মদ বিজন কৌসলী ছিলেন।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের

প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, তিনজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৮:০১:৫৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২০

নিউজ ডেস্ক:মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামে এক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের দায়ে বাবলু, হামিদুল ও হাসেম আলী নামের তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. রাফিজুল ইসলাম এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত বাবলু মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামের হারেজ আলীর ছেলে, হাসেম আলী একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ও ইমাদুল তেরোরিয়া গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে।মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামে এক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের দায়ে বাবলু, হামিদুল ও হাসেম আলী নামের তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. রাফিজুল ইসলাম এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত বাবলু মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামের হারেজ আলীর ছেলে, হাসেম আলী একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ও ইমাদুল তেরোরিয়া গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শোলমারী গ্রামের মহসিন আলীর মেয়ে বিধবা প্রতিবন্ধী উলফাতুন্নেছার শারীরিক পরিবর্তন দেখে তার পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে প্রতিবন্ধী উলফাতুন্নেছা জানায়, ২০১৭ সালের সালের ৯ মার্চ তারিখসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে উলফাতুন্নেছার ছয় মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উলফাতুন্নেছার ভাই মাজিদুল বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ৩ এর ১/৩ ধারাই একটি মামলা করেন। যার মামলা নম্বর ৬, তারিখ ২/১০/২০১৭ইং। পরে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেন এবং চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী তাঁদের স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। এতে আসামিরা দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তাঁদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। একই আদেশে মামলার আসামি বাবলু কর্তৃক ধর্ষিতার সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ায় ওই কন্যা সন্তানকে মাতৃকূলের কোনো আত্মীয়র কাছে রেখে মানুষ করতে পারবে বলে আদালত সিদ্ধান্ত দেন। ওই কন্যা সন্তান পিতা-মাতা উভয়েরই পরিচয়ে পরিচিতি হবে বলে আদালত সিদ্ধান্ত দেন। ওই কন্যার বিবাহ পর্যন্ত তার ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। ওই কন্যা সন্তানের ভরণপোষণের প্রদেয় অর্থ সরকার আসামি বাবলুর নিকট থেকে আদায় করতে পারবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে তার বিদ্যমান সম্পদ থেকে আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হবেন, সে সম্পদ থেকে তা আদায় হবে। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি কাজি শহীদুল হক এবং আসামিপক্ষে অ্যাড. মারুফ আহম্মদ বিজন কৌসলী ছিলেন।