রবিবার | ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo রাবির ‘এ’ ইউনিটের প্রথম শিফটে প্রথম অনন্ত, দ্বিতীয় শিফটে সিয়াম Logo চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড এবং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন Logo বীরগঞ্জের বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ! Logo হাবিবুর রহমান ইসলামী যুব আন্দোলন চাঁদপুর জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত Logo খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নোবিপ্রবির গাড়ি ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বিশ্বব্যাংক মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নে ৫২০ মিলিয়ন ডলার দেবে !

  • আপডেট সময় : ০৮:১১:২০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১০ আগস্ট ২০১৮
  • ৮২১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে মাধ্যমিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে ঋণ ও মঞ্জুরি হিসেবে ৫২০ মিলিয়ন ডলার দেবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, মোট এই সহায়তার মধ্যে ৫১০মিলিয়ন ডলার হবে ঋণ ও ১০ মিলিয়ন ডলার মঞ্জুরি।
‘ট্রান্সফর্মিং সেকেন্ডারি এডুকেশন ফর রেজাল্টস (টিএসইআর)’ শীর্ষক এই প্রকল্পে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত ১৩ মিলিয়ন শিক্ষার্থী উপকৃত হবে।
এতে পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ হবে। বিশেষ করে এ প্রকল্পে ছাত্রী ও গরীব শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।
এ প্রকল্প শিক্ষার উন্নয়নে পাঠ্যসূচির আধুনিকায়ন পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও শিক্ষকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি শিক্ষা উপকরণ ও পরীক্ষা সংস্কারে সহায়তা করবে।
এই প্রকল্প চুক্তি ১৩ আগস্ট শেরেবাংলানগরে এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে স্বাক্ষরিত হবে বলে ইআরডি কর্মকর্তা আজ বাসস’কে এ কথা জানান।
ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আজম ও বিশ্বব্যাংক কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিয়াও ফান এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।
বিশ্বব্যাংকের ঋণদাতা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (আইডিএ) এই ঋণ দেবে।
সুদমুক্ত ৬ বছর রেয়াতে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জে ৩৮ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
বিশ্বব্যাংক ১৯৯৩ সালে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এক উদ্ভাবনী বৃত্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ শুরু করে। এতে মেয়েদের ভর্তির হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষায় সমতা অর্জনে বিশ্বে নি¤œ ও নি¤œ-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
এর পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হচ্ছেÑ শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং গরীব ছেলে-মেয়েদের দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা সমাপনে সহায়তা করা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাবির ‘এ’ ইউনিটের প্রথম শিফটে প্রথম অনন্ত, দ্বিতীয় শিফটে সিয়াম

বিশ্বব্যাংক মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নে ৫২০ মিলিয়ন ডলার দেবে !

আপডেট সময় : ০৮:১১:২০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১০ আগস্ট ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে মাধ্যমিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে ঋণ ও মঞ্জুরি হিসেবে ৫২০ মিলিয়ন ডলার দেবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, মোট এই সহায়তার মধ্যে ৫১০মিলিয়ন ডলার হবে ঋণ ও ১০ মিলিয়ন ডলার মঞ্জুরি।
‘ট্রান্সফর্মিং সেকেন্ডারি এডুকেশন ফর রেজাল্টস (টিএসইআর)’ শীর্ষক এই প্রকল্পে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত ১৩ মিলিয়ন শিক্ষার্থী উপকৃত হবে।
এতে পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ হবে। বিশেষ করে এ প্রকল্পে ছাত্রী ও গরীব শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।
এ প্রকল্প শিক্ষার উন্নয়নে পাঠ্যসূচির আধুনিকায়ন পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও শিক্ষকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি শিক্ষা উপকরণ ও পরীক্ষা সংস্কারে সহায়তা করবে।
এই প্রকল্প চুক্তি ১৩ আগস্ট শেরেবাংলানগরে এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে স্বাক্ষরিত হবে বলে ইআরডি কর্মকর্তা আজ বাসস’কে এ কথা জানান।
ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আজম ও বিশ্বব্যাংক কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিয়াও ফান এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।
বিশ্বব্যাংকের ঋণদাতা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (আইডিএ) এই ঋণ দেবে।
সুদমুক্ত ৬ বছর রেয়াতে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জে ৩৮ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
বিশ্বব্যাংক ১৯৯৩ সালে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এক উদ্ভাবনী বৃত্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ শুরু করে। এতে মেয়েদের ভর্তির হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষায় সমতা অর্জনে বিশ্বে নি¤œ ও নি¤œ-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
এর পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হচ্ছেÑ শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং গরীব ছেলে-মেয়েদের দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা সমাপনে সহায়তা করা।