রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান Logo বাঁচতে চায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবির সাবেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৬০০ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৩৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০১৭
  • ৮৪২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সফল হলে এটাই নাকি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতি হতে পারত। গ্রামবাংলায় ছোটখাটো সিঁধ কেটে ঘটি-বাটি চুরি হয় হামেশাই।
বাড়ির ছাগল, মুরগি বড় জোর পুঁটলিতে বাঁধা কন্যাদায়গ্রস্ত গয়নাগাটি চুরি হতে দেখা যায়। সাধারণত এসব কাণ্ড ছিঁচকে চোররাই ঘটিয়ে থাকে। কিন্তু ইট-কাঠ-পাথরের শহরে সিঁধ কাটা সম্ভব নয়। তা বলে কী ঢেঁকি ধান ভাঙবে না!

বাস্তবে হলও তাই, কংক্রিটে কেরামতি দেখিয়ে ব্রাজিলের সাও পাওলোর একদল ডাকাত বিশাল সুড়ঙ্গ বানিয়ে ব্যাঙ্ক ডাকাতির পরিকল্পনা করে ফেলল। কিন্তু তীরে এসে ডুবল তরী। ডাকাতি করতে পারল না তারা। বরং ধরা পড়ে গেল ডাকাতেরা।

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ওই চোরদেরকে ধরে পুলিশ যত না উচ্ছ্বসিত, তার থেকে বেশি অবাক হয়েছে তাদের কর্মযজ্ঞ দেখে। কারণ, এই মেগা ডাকাতি সফল হলে ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ২৪ কোটি ইউরো হাতাতে পারত ওই ডাকাত দল।
কিন্তু শেষ অবধি বিধি বাম।

দক্ষিণ সাও পাওলো ব্রাজিলের অর্থনৈতিক রাজধানী হিসাবে পরিচিত। এখানেই রয়েছে দেশের সব বড় বড় ব্যাঙ্কের প্রধান অফিস। ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ব্যাংক বস্কো দ্য ব্রাজিল (ব্যাংক অব ব্রাজিল)-এর অফিসও এখানেই। আর সেই ব্যাংকের ভাণ্ডার লুঠ করার পরিকল্পনা করে ১৬ জনের একটি ডাকাত গ্যাং।

একটি ভাড়া বাড়ি থেকে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু করে ডাকাতেরা। ব্যাংক পর্যন্ত ১৬৪০ ফুট লম্বা সুড়ঙ্গ তৈরিও করে ফেলে তারা। কাঁচা হাতের কাজ ভাবলে ভুল হবে! কারণ, লোহার রড, কাঠ দিয়ে বেশ পোক্তভাবেই তৈরি হয়েছে পাতালপথ। শুধু যে পোক্ত নির্মাণ তাই নয়, এই গুপ্ত পথে রয়েছে পাখার হাওয়ার সুবন্দোবস্ত।

ব্রাজিলের একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবো ডট কম জানাচ্ছে, সুড়ঙ্গের ভিতর পূর্ণবয়স্ক একটি মানুষ অনায়াসে দাঁড়াতে পারবে। সাও পাওলোর পুলিস তদন্ত করে জানতে পেরেছে, এই সুড়ঙ্গ তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৯,৫৮,৮০৮ ইউরো। গ্যাংয়ের প্রত্যেক সদস্য ৪৭,৯৪০ ইউরো বিনিয়োগ করেছে। ১৬ জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি হাঁফ ছেড়ে তাঁরা জানিয়েছেন, ধরা না পড়লে এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতি হতে পারত !

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

১৬০০ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা !

আপডেট সময় : ০১:০৪:৩৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

সফল হলে এটাই নাকি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতি হতে পারত। গ্রামবাংলায় ছোটখাটো সিঁধ কেটে ঘটি-বাটি চুরি হয় হামেশাই।
বাড়ির ছাগল, মুরগি বড় জোর পুঁটলিতে বাঁধা কন্যাদায়গ্রস্ত গয়নাগাটি চুরি হতে দেখা যায়। সাধারণত এসব কাণ্ড ছিঁচকে চোররাই ঘটিয়ে থাকে। কিন্তু ইট-কাঠ-পাথরের শহরে সিঁধ কাটা সম্ভব নয়। তা বলে কী ঢেঁকি ধান ভাঙবে না!

বাস্তবে হলও তাই, কংক্রিটে কেরামতি দেখিয়ে ব্রাজিলের সাও পাওলোর একদল ডাকাত বিশাল সুড়ঙ্গ বানিয়ে ব্যাঙ্ক ডাকাতির পরিকল্পনা করে ফেলল। কিন্তু তীরে এসে ডুবল তরী। ডাকাতি করতে পারল না তারা। বরং ধরা পড়ে গেল ডাকাতেরা।

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ওই চোরদেরকে ধরে পুলিশ যত না উচ্ছ্বসিত, তার থেকে বেশি অবাক হয়েছে তাদের কর্মযজ্ঞ দেখে। কারণ, এই মেগা ডাকাতি সফল হলে ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ২৪ কোটি ইউরো হাতাতে পারত ওই ডাকাত দল।
কিন্তু শেষ অবধি বিধি বাম।

দক্ষিণ সাও পাওলো ব্রাজিলের অর্থনৈতিক রাজধানী হিসাবে পরিচিত। এখানেই রয়েছে দেশের সব বড় বড় ব্যাঙ্কের প্রধান অফিস। ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ব্যাংক বস্কো দ্য ব্রাজিল (ব্যাংক অব ব্রাজিল)-এর অফিসও এখানেই। আর সেই ব্যাংকের ভাণ্ডার লুঠ করার পরিকল্পনা করে ১৬ জনের একটি ডাকাত গ্যাং।

একটি ভাড়া বাড়ি থেকে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু করে ডাকাতেরা। ব্যাংক পর্যন্ত ১৬৪০ ফুট লম্বা সুড়ঙ্গ তৈরিও করে ফেলে তারা। কাঁচা হাতের কাজ ভাবলে ভুল হবে! কারণ, লোহার রড, কাঠ দিয়ে বেশ পোক্তভাবেই তৈরি হয়েছে পাতালপথ। শুধু যে পোক্ত নির্মাণ তাই নয়, এই গুপ্ত পথে রয়েছে পাখার হাওয়ার সুবন্দোবস্ত।

ব্রাজিলের একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবো ডট কম জানাচ্ছে, সুড়ঙ্গের ভিতর পূর্ণবয়স্ক একটি মানুষ অনায়াসে দাঁড়াতে পারবে। সাও পাওলোর পুলিস তদন্ত করে জানতে পেরেছে, এই সুড়ঙ্গ তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৯,৫৮,৮০৮ ইউরো। গ্যাংয়ের প্রত্যেক সদস্য ৪৭,৯৪০ ইউরো বিনিয়োগ করেছে। ১৬ জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি হাঁফ ছেড়ে তাঁরা জানিয়েছেন, ধরা না পড়লে এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতি হতে পারত !