বৃহস্পতিবার | ৫ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo নোবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের নামাজ ঘরকে গণরুমে রূপান্তরের অভিযোগ Logo যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল Logo দৈনিক চাঁদপুর খবর পরিবারের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান Logo পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজে অতিরিক্ত  ফি আদায়ের অভিযোগ Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম

৩২ ঘণ্টা ধরে চাপা পড়ে থাকা কিশোরীকে নিয়ে হইচই, অতঃপর…

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:৩০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭
  • ৮৬৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে নড়ে গেছে পুরো মেক্সিকো। প্রায় ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে।
এখনো চলছে উদ্ধার কার্যক্রম। ধ্বংসস্তুপে আটকে থাকাদের মধ্যে ছিলেন ফ্রিদা সোফিয়া নামের এক কিশোরীও। তাকে বের করতেও কতই না ঘাম ঝরেছে উদ্ধার কর্মীদের। ৩২ ঘণ্টা পরও চলেছে সেই উদ্ধার কার্যক্রম। পুরো মেক্সিকো তার জীবিত বের হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। ফ্রিদাও নাকি উদ্ধারকর্মীদের বলেছিল, ‘আমি তৃষ্ণার্ত। তাড়াতাড়ি করো। বেশি সময় নিও না। ‘

সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারীরা আরও সরব ছিলেন। সবাই তার জন্য দোয়া করেছেন। জানান দিয়েছেন, প্রতিমুহূর্তেই ফ্রিদার সঙ্গেই আছে তারা। মূলত একটি বিদ্যালয় ভূমিকম্পে ধসে গেলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রাণ হারান। চাপা পড়া অনেককে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

দীর্ঘ সময় পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্রিদা সোফিয়া নামে বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থীই নেই। ফ্রিদা বাবা-মা কারও খোঁজও পাওয়া যায়নি। পরে জানা গেছে, পুরো ব্যাপারটাই ভুল বোঝাবুঝি।

সূত্র : বিবিসি

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নোবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের নামাজ ঘরকে গণরুমে রূপান্তরের অভিযোগ

৩২ ঘণ্টা ধরে চাপা পড়ে থাকা কিশোরীকে নিয়ে হইচই, অতঃপর…

আপডেট সময় : ০৪:৩১:৩০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে নড়ে গেছে পুরো মেক্সিকো। প্রায় ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে।
এখনো চলছে উদ্ধার কার্যক্রম। ধ্বংসস্তুপে আটকে থাকাদের মধ্যে ছিলেন ফ্রিদা সোফিয়া নামের এক কিশোরীও। তাকে বের করতেও কতই না ঘাম ঝরেছে উদ্ধার কর্মীদের। ৩২ ঘণ্টা পরও চলেছে সেই উদ্ধার কার্যক্রম। পুরো মেক্সিকো তার জীবিত বের হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। ফ্রিদাও নাকি উদ্ধারকর্মীদের বলেছিল, ‘আমি তৃষ্ণার্ত। তাড়াতাড়ি করো। বেশি সময় নিও না। ‘

সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারীরা আরও সরব ছিলেন। সবাই তার জন্য দোয়া করেছেন। জানান দিয়েছেন, প্রতিমুহূর্তেই ফ্রিদার সঙ্গেই আছে তারা। মূলত একটি বিদ্যালয় ভূমিকম্পে ধসে গেলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রাণ হারান। চাপা পড়া অনেককে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

দীর্ঘ সময় পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্রিদা সোফিয়া নামে বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থীই নেই। ফ্রিদা বাবা-মা কারও খোঁজও পাওয়া যায়নি। পরে জানা গেছে, পুরো ব্যাপারটাই ভুল বোঝাবুঝি।

সূত্র : বিবিসি