শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান Logo বাঁচতে চায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবির সাবেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য

মেয়র মান্নানের বরখাস্তের আদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩৩ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ জুলাই ২০১৭
  • ৭৬৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র  এম এ মান্নানের বরখাস্তের আদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে বরখাস্ত করা কেন বেআইনি হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

গতকাল রোববার বিকেলে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয় বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে মান্নানের পক্ষে শুনানি করে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

এর আগে সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বৈধতা  চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র  এম এ মান্নান। গতকাল রোববার সকালে আইনজীবী আবু হানিফ বলেন, আবেদনে সাময়িক বরখাস্তের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ এবং তার (এম এ মান্নানের) দায়িত্ব পালনের ওপর স্থিতাবস্থার আবেদন করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের এক মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এম এ মান্নানকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো নির্বোচনে গাজীপুর সিটি মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির এই নেতা।
পরবর্তীতে নাশকতার এক মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গ্রহণের  পর ২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট অধ্যাপক মান্নানকে প্রথম বরখাস্ত করেছিল স্থানীয় সরকার বিভাগ। এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের ২৮ মাস পর মেয়র পদ ফিরে পান এম এ মান্নান।

কিন্তু এরপরপরই  আরো একটি মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করা  হলে ২০১৬ সালের ১৮ এপ্রিল দ্বিতীয়বারের মতো তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধেও আইনি লড়াই করেন মান্নান।  গত ১৮ জুন পুনরায় পদ ফিরে পান তিনি। কিন্তু এর কয়েকদিনের মধ্যে দুর্নীতির মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের পর ফের তাকে বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন মামলায় বিএনপির এ নেতাকে বেশিরভাগ সময় কারাগারেই কাটাতে হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

মেয়র মান্নানের বরখাস্তের আদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত !

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩৩ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র  এম এ মান্নানের বরখাস্তের আদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে বরখাস্ত করা কেন বেআইনি হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

গতকাল রোববার বিকেলে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয় বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে মান্নানের পক্ষে শুনানি করে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

এর আগে সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বৈধতা  চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র  এম এ মান্নান। গতকাল রোববার সকালে আইনজীবী আবু হানিফ বলেন, আবেদনে সাময়িক বরখাস্তের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ এবং তার (এম এ মান্নানের) দায়িত্ব পালনের ওপর স্থিতাবস্থার আবেদন করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের এক মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এম এ মান্নানকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো নির্বোচনে গাজীপুর সিটি মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির এই নেতা।
পরবর্তীতে নাশকতার এক মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গ্রহণের  পর ২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট অধ্যাপক মান্নানকে প্রথম বরখাস্ত করেছিল স্থানীয় সরকার বিভাগ। এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের ২৮ মাস পর মেয়র পদ ফিরে পান এম এ মান্নান।

কিন্তু এরপরপরই  আরো একটি মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করা  হলে ২০১৬ সালের ১৮ এপ্রিল দ্বিতীয়বারের মতো তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধেও আইনি লড়াই করেন মান্নান।  গত ১৮ জুন পুনরায় পদ ফিরে পান তিনি। কিন্তু এর কয়েকদিনের মধ্যে দুর্নীতির মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের পর ফের তাকে বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন মামলায় বিএনপির এ নেতাকে বেশিরভাগ সময় কারাগারেই কাটাতে হয়েছে।