রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান Logo বাঁচতে চায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবির সাবেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কে সওজয়ের সাইড সম্প্রসারণের কাজে ২৬ কোটি টাকা মধ্যে ২০ কোটি টাকা গায়েব

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:২১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৪ জুন ২০১৭
  • ৭৬৯ বার পড়া হয়েছে

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কে সাইড সম্প্রসারণের কাজ নিয়ে চলছে ব্যাপক দুর্নীতি। বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, সড়কে পরিবহন চলাচলের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সড়কের পাশে ৬ ফুট করে ৪.৭০০ মিটার সড়ক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে যার বরাদ্দ ২৬ কোটি টাকা। এই কাজে সড়কের পাশে ৬ ফুট প্রসস্ত ২৪ ইঞ্চি গভীর করে সেখানে ১২ ইঞ্চি বালি, ১০ ইঞ্চি ইট বালি দিয়ে পুরন করতে হবে।

সেখানে ইটবালির এই স্তরে ইটের খোয়া ৩ ঝুড়ি আর বালি হবে ১ ঝুড়ি দেওয়ার নিয়ম। যেখানে ১০ ইঞ্চি না করে ৬ ইঞ্চি করা হচ্ছে আর অর্ধেক ঝুড়ি ইটের খোয়া দিয়ে সাড়ে ৩ ঝুড়ি বালি বাদে মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। এখানে ১২ ইঞ্চির বালির স্তরে ১৬ ইঞ্চি বালু পড়ছে। যা সড়কের কাজের সঠিক তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। হিসাব করলে দেখা যাবে গড়ে ৫/৬ কোটি টাকার কাজ করেছে। বাকি প্রায় গায়েব ২০ কোটি টাকা। সুত্রে জানা গেছে, এই ভাবে কাজ করে ঠিকাদারের সাথে লাভের টাকা ভাগ করে নেয়। এ ভাবেই চলছে তার কোটি কোটি টাকার লুটপাট দেখার যেন কেউ নেই।

ঝিনাইদহ জেলার মহাসড়ক ও সড়ক গুলিতে প্রতিদিন দুর্ঘটনায় ফলে চলছে লাশের মিছিল। অসংখ্য মানুষ পঙ্গুত্ব বরন করছে চিরকালের জন্য। এই দুর্ঘটনাকে এড়াতে এবং সাধারন মানুষের জীবনের কথা চিন্তা ভাবনা করেই যোগাযোগ মন্ত্রনালয় নির্দেশ দিয়েছিল বর্ষা শুরুর আগেই ঝিনাইদহ জেলার সকল সড়ক মহাসড়কের উপর সৃষ্ট ছোট্ট বড় গর্ত গুলো মেরামত করে পরিবহন চলাচলের যথাযথ উপযুক্ত করা। কিন্ত সরকারের সেই নির্দেশনার প্রতি বৃদ্ধা আগুলি প্রদর্শন করে মেরামতের সেই বরাদ্দ কৃত অর্থ পুরাটায় লুটপাট করে নিজ পকেটে পুরেছে সেলিম আজাদ খান।

ইতিমধ্যে ২১/০৫/২০১৭ তারিখে যশোর সওজ তত্ববধায়ক প্রকৌশলী সড়ক সার্কেল পুনরায় মেরামতের জন্য নির্দেশনা পাঠিয়েছেন সেলিম আজাদ খানের কাছে। আগেও এই প্রকৃতির নির্দেশনা প্রদান করার পরও তার কোন মাথা বেথ্যা নেই। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে তার বিভাগীয় বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন করলে দেখা গেছে যে সড়ক গুলোর বিভিন্ন কি.মিতে বিশেষ করে জাতীয় সড়কে এন ৭ ও এন-৭০২ সমূহে অসংখ্য পটহোলস ও ডিপ্রেশণের সৃষ্টি হয়েছে। যার জন্য খুলনা বিভাগের সওজ পথের মাসিক পর্যালোচনা সভায় আলোচনায় খুলনা বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খুলনা জনের পক্ষ থেকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, এই বরাদ্দকৃত অর্থ বিভিন্ন ঠিকাদারের নামে আর.এফ.কিউ ও ডি.পি.এম করে নিজেই বিল উঠিয়ে নিয়েছে।

এই ব্যাপারে ঝিনাইদহ সওজয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সেলিম আজাদ খানের সাথে কথা হলে তিনি ৪.৭০০ মিটারের জন্য কত টাকা বরাদ্দ এবং কি ভাবে কাজ করতে হবে তাহা তার খেয়াল নেই বলে জানান এবং বলেন আমি অফিসে গিয়ে জানাতে পারব। অফিসে যাওয়ার পর ফোন করলে তিনি বলেন, আমি কাজে ব্যাস্ত আছি আপনারা রবিবারে আমার সাথে অফিসে এসে দেখা করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কে সওজয়ের সাইড সম্প্রসারণের কাজে ২৬ কোটি টাকা মধ্যে ২০ কোটি টাকা গায়েব

আপডেট সময় : ০৬:২৫:২১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৪ জুন ২০১৭

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কে সাইড সম্প্রসারণের কাজ নিয়ে চলছে ব্যাপক দুর্নীতি। বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, সড়কে পরিবহন চলাচলের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সড়কের পাশে ৬ ফুট করে ৪.৭০০ মিটার সড়ক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে যার বরাদ্দ ২৬ কোটি টাকা। এই কাজে সড়কের পাশে ৬ ফুট প্রসস্ত ২৪ ইঞ্চি গভীর করে সেখানে ১২ ইঞ্চি বালি, ১০ ইঞ্চি ইট বালি দিয়ে পুরন করতে হবে।

সেখানে ইটবালির এই স্তরে ইটের খোয়া ৩ ঝুড়ি আর বালি হবে ১ ঝুড়ি দেওয়ার নিয়ম। যেখানে ১০ ইঞ্চি না করে ৬ ইঞ্চি করা হচ্ছে আর অর্ধেক ঝুড়ি ইটের খোয়া দিয়ে সাড়ে ৩ ঝুড়ি বালি বাদে মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। এখানে ১২ ইঞ্চির বালির স্তরে ১৬ ইঞ্চি বালু পড়ছে। যা সড়কের কাজের সঠিক তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। হিসাব করলে দেখা যাবে গড়ে ৫/৬ কোটি টাকার কাজ করেছে। বাকি প্রায় গায়েব ২০ কোটি টাকা। সুত্রে জানা গেছে, এই ভাবে কাজ করে ঠিকাদারের সাথে লাভের টাকা ভাগ করে নেয়। এ ভাবেই চলছে তার কোটি কোটি টাকার লুটপাট দেখার যেন কেউ নেই।

ঝিনাইদহ জেলার মহাসড়ক ও সড়ক গুলিতে প্রতিদিন দুর্ঘটনায় ফলে চলছে লাশের মিছিল। অসংখ্য মানুষ পঙ্গুত্ব বরন করছে চিরকালের জন্য। এই দুর্ঘটনাকে এড়াতে এবং সাধারন মানুষের জীবনের কথা চিন্তা ভাবনা করেই যোগাযোগ মন্ত্রনালয় নির্দেশ দিয়েছিল বর্ষা শুরুর আগেই ঝিনাইদহ জেলার সকল সড়ক মহাসড়কের উপর সৃষ্ট ছোট্ট বড় গর্ত গুলো মেরামত করে পরিবহন চলাচলের যথাযথ উপযুক্ত করা। কিন্ত সরকারের সেই নির্দেশনার প্রতি বৃদ্ধা আগুলি প্রদর্শন করে মেরামতের সেই বরাদ্দ কৃত অর্থ পুরাটায় লুটপাট করে নিজ পকেটে পুরেছে সেলিম আজাদ খান।

ইতিমধ্যে ২১/০৫/২০১৭ তারিখে যশোর সওজ তত্ববধায়ক প্রকৌশলী সড়ক সার্কেল পুনরায় মেরামতের জন্য নির্দেশনা পাঠিয়েছেন সেলিম আজাদ খানের কাছে। আগেও এই প্রকৃতির নির্দেশনা প্রদান করার পরও তার কোন মাথা বেথ্যা নেই। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে তার বিভাগীয় বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন করলে দেখা গেছে যে সড়ক গুলোর বিভিন্ন কি.মিতে বিশেষ করে জাতীয় সড়কে এন ৭ ও এন-৭০২ সমূহে অসংখ্য পটহোলস ও ডিপ্রেশণের সৃষ্টি হয়েছে। যার জন্য খুলনা বিভাগের সওজ পথের মাসিক পর্যালোচনা সভায় আলোচনায় খুলনা বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খুলনা জনের পক্ষ থেকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, এই বরাদ্দকৃত অর্থ বিভিন্ন ঠিকাদারের নামে আর.এফ.কিউ ও ডি.পি.এম করে নিজেই বিল উঠিয়ে নিয়েছে।

এই ব্যাপারে ঝিনাইদহ সওজয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সেলিম আজাদ খানের সাথে কথা হলে তিনি ৪.৭০০ মিটারের জন্য কত টাকা বরাদ্দ এবং কি ভাবে কাজ করতে হবে তাহা তার খেয়াল নেই বলে জানান এবং বলেন আমি অফিসে গিয়ে জানাতে পারব। অফিসে যাওয়ার পর ফোন করলে তিনি বলেন, আমি কাজে ব্যাস্ত আছি আপনারা রবিবারে আমার সাথে অফিসে এসে দেখা করেন।