শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ Logo রাবি ময়মনসিংহ জেলা সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা

জানেন কি টাইটানিকের শেষ ডিনারের মেনুলিস্টে কী ছিল ?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:২৯ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৮০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

“The ship which will never sink… এমন জাহাজ যা কখনও ডুববে না। ” এমনটাই বলা হয়েছিল টাইটানিক সম্পর্কে। টাইটানিক ছিল স্বপ্নের প্রমোদতরী। এক বিস্ময়। এক ইতিহাস। ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দর থেকে যাত্রা শুরু হয়েছিল টাইটানিকের। গন্তব্য ছিল নিউ ইয়র্ক। যে জাহাজ কখনও ডুববে না বলা হয়েছিল, আইসবার্গের আঘাতে যাত্রা শুরুর ৪ দিনের মাথাতেই বরফশীতল অতলান্তিকের পানিতে সলিল সমাধি ঘটেছিল তার। ১৪ এপ্রিল, রাত তখন ১১টা ৪০। উপস্থিত এক ক্রু মেম্বারের কথায়, ‘কাপড় ছেঁড়ার মত একটা আওয়াজ, এর থেকে বেশি কিছু নয়’… ধাক্কা লাগে আইসবার্গের সঙ্গে স্বপ্নের প্রমোদতরীর। প্রথম শ্রেণির যাত্রীরা তখন ব্যস্ত ‘এপিক ডিনারে’। প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের জন্য প্রথম থেকেই প্রতিদিন স্পেশাল মেনুর ব্যবস্থা ছিল টাইটানিকে। ডিনার টেবিলে খোশগল্প-আলোচনাতেই ৪-৫ ঘণ্টা সময় কাটাতেন প্রথম শ্রেণির যাত্রীরা। ১৪ এপ্রিল রাতেও তার ব্যতিক্রম ছিল না। কী ছিল সেই মেনু লিস্টে? প্রায় ১০ কোর্সের মেনুলিস্ট…। প্রথমেই ছিল ওয়েস্টার। সঙ্গে ছিল ওলগা নামে একধরনের স্যুপ। তারপরেই মেনুতে ছিল মুসেলিন সসে হাল্কা করে পোচ করা আতলান্তিক স্যালমন। চতুর্থ ও পঞ্চম কোর্সে ছিল হাইপ্রোটিন ডিশ। মিগনন লিলির ফিলেট, চিকেন লায়োনাইজ, মিন্ট দেওয়া ভেড়ার মাংসের পদ, রোস্ট করা ডাকলিং, বিফের সঙ্গে আলুর একটি পদ। সাইড ডিশ হিসেবে ছিল ক্রিমড ক্যারোট, মটরশুঁটি দিয়ে বয়েলড রাইস, সেইসঙ্গে আলু সেদ্ধও।

প্রতিটি কোর্সের পরই মুখের স্বাদবদলের জন্য ছিল ‘পাঞ্চ রোমেইন’। ওয়াইন, রাম ও শ্যাম্পেন দিয়ে তৈরি বিশেষ ধরনের একটি ড্রিংক। এছাড়াও ছিল চারট্রিউজ জেলি, চকোলেট, ভ্যানিলা, ওয়ালডর্ফ পুডিং, ফ্রেঞ্চ আইসক্রিম প্রভৃতি। একদম শেষপাতে রকমারি ফল, বাদাম ও চিজ। সবশেষে কফি, সিগার ও কর্ডিয়াল। অর্কেস্ট্রার বাদ্যের সঙ্গে এলাহি ভূরিভোজের আয়োজনে ডাইনিং রুমে তৈরি হত এক অন্যরকম মাদকতা।

সূত্র: জিনিউজ টুয়েন্টিফোর।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

জানেন কি টাইটানিকের শেষ ডিনারের মেনুলিস্টে কী ছিল ?

আপডেট সময় : ১১:৪০:২৯ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

“The ship which will never sink… এমন জাহাজ যা কখনও ডুববে না। ” এমনটাই বলা হয়েছিল টাইটানিক সম্পর্কে। টাইটানিক ছিল স্বপ্নের প্রমোদতরী। এক বিস্ময়। এক ইতিহাস। ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দর থেকে যাত্রা শুরু হয়েছিল টাইটানিকের। গন্তব্য ছিল নিউ ইয়র্ক। যে জাহাজ কখনও ডুববে না বলা হয়েছিল, আইসবার্গের আঘাতে যাত্রা শুরুর ৪ দিনের মাথাতেই বরফশীতল অতলান্তিকের পানিতে সলিল সমাধি ঘটেছিল তার। ১৪ এপ্রিল, রাত তখন ১১টা ৪০। উপস্থিত এক ক্রু মেম্বারের কথায়, ‘কাপড় ছেঁড়ার মত একটা আওয়াজ, এর থেকে বেশি কিছু নয়’… ধাক্কা লাগে আইসবার্গের সঙ্গে স্বপ্নের প্রমোদতরীর। প্রথম শ্রেণির যাত্রীরা তখন ব্যস্ত ‘এপিক ডিনারে’। প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের জন্য প্রথম থেকেই প্রতিদিন স্পেশাল মেনুর ব্যবস্থা ছিল টাইটানিকে। ডিনার টেবিলে খোশগল্প-আলোচনাতেই ৪-৫ ঘণ্টা সময় কাটাতেন প্রথম শ্রেণির যাত্রীরা। ১৪ এপ্রিল রাতেও তার ব্যতিক্রম ছিল না। কী ছিল সেই মেনু লিস্টে? প্রায় ১০ কোর্সের মেনুলিস্ট…। প্রথমেই ছিল ওয়েস্টার। সঙ্গে ছিল ওলগা নামে একধরনের স্যুপ। তারপরেই মেনুতে ছিল মুসেলিন সসে হাল্কা করে পোচ করা আতলান্তিক স্যালমন। চতুর্থ ও পঞ্চম কোর্সে ছিল হাইপ্রোটিন ডিশ। মিগনন লিলির ফিলেট, চিকেন লায়োনাইজ, মিন্ট দেওয়া ভেড়ার মাংসের পদ, রোস্ট করা ডাকলিং, বিফের সঙ্গে আলুর একটি পদ। সাইড ডিশ হিসেবে ছিল ক্রিমড ক্যারোট, মটরশুঁটি দিয়ে বয়েলড রাইস, সেইসঙ্গে আলু সেদ্ধও।

প্রতিটি কোর্সের পরই মুখের স্বাদবদলের জন্য ছিল ‘পাঞ্চ রোমেইন’। ওয়াইন, রাম ও শ্যাম্পেন দিয়ে তৈরি বিশেষ ধরনের একটি ড্রিংক। এছাড়াও ছিল চারট্রিউজ জেলি, চকোলেট, ভ্যানিলা, ওয়ালডর্ফ পুডিং, ফ্রেঞ্চ আইসক্রিম প্রভৃতি। একদম শেষপাতে রকমারি ফল, বাদাম ও চিজ। সবশেষে কফি, সিগার ও কর্ডিয়াল। অর্কেস্ট্রার বাদ্যের সঙ্গে এলাহি ভূরিভোজের আয়োজনে ডাইনিং রুমে তৈরি হত এক অন্যরকম মাদকতা।

সূত্র: জিনিউজ টুয়েন্টিফোর।