বুধবার | ৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo নোবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের নামাজ ঘরকে গণরুমে রূপান্তরের অভিযোগ Logo যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল Logo দৈনিক চাঁদপুর খবর পরিবারের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান Logo পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজে অতিরিক্ত  ফি আদায়ের অভিযোগ Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম

কচুয়ার নন্দনপুরে ৩৩০ উপকারভোগীর মাঝে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার নন্দনপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৩৩০ জন উপকারভোগীর মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে নন্দনপুর বাজারে শান্তিপূর্ণ  ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসব চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার ডাঃ মাহবুবুল আলম খন্দকারের মাধ্যমে প্রতিজন উপকারভোগীকে ৪৫০ টাকায় ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।
এসময় ডিলার ডাঃ মাহবুবুল আলম খন্দকার বলেন, “সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। সঠিকভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দরিদ্র মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।”
উপকারভোগীরা জানান, এই কর্মসূচি তাদের সংসারে বড় সহায়তা হিসেবে কাজ করছে। নিয়মিতভাবে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য তারা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নোবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের নামাজ ঘরকে গণরুমে রূপান্তরের অভিযোগ

কচুয়ার নন্দনপুরে ৩৩০ উপকারভোগীর মাঝে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:৩৫:১৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৫ আগস্ট ২০২৫
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার নন্দনপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৩৩০ জন উপকারভোগীর মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে নন্দনপুর বাজারে শান্তিপূর্ণ  ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসব চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার ডাঃ মাহবুবুল আলম খন্দকারের মাধ্যমে প্রতিজন উপকারভোগীকে ৪৫০ টাকায় ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।
এসময় ডিলার ডাঃ মাহবুবুল আলম খন্দকার বলেন, “সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। সঠিকভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দরিদ্র মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।”
উপকারভোগীরা জানান, এই কর্মসূচি তাদের সংসারে বড় সহায়তা হিসেবে কাজ করছে। নিয়মিতভাবে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য তারা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।