শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

খাগড়াছড়িতে বিদেশি জাতের আম চাষে নতুন সম্ভাবনা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • ৭৩৭ বার পড়া হয়েছে

জেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিদেশি জাতের আম চাষ। জাপান, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার নামী দামী জাতের আম এখন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। আকর্ষণীয় রঙ, অসাধারণ স্বাদ এবং উচ্চ বাজারমূল্যের কারণে এই আমগুলোর প্রতি ক্রেতা ও কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোন ছড়া এলাকার কৃষক উচনু চৌধুরী দেশীয় জাতের পাশাপাশি ৫ একর জমিতে বিদেশি জাতের আমের বাগান গড়ে তুলেছেন। তার বাগানে রয়েছে মিয়াজাকি, চিয়াংমাই, ব্যানানা ম্যাংগো, আমেরিকান রেড পালমার, কিউজাই ও ব্ল্যাকস্টোন ম্যাংগোর মতো জনপ্রিয় জাত।

একই উপজেলায় মং গ্রীন লাইফ অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক মংশিতু চৌধুরী ২০১৪ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে আম চাষে নামেন। বর্তমানে তিনি ৩০ একর জমিতে ৫৪ প্রজাতির দেশী ও বিদেশী আম চাষ করছেন। চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় এই চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা।

খাগড়াছড়ির ফল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সমির হোসেন সুজন জানান, বাজারে এক কেজি মিয়াজাকি আম বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়। রেড আইভরি, হানিডিউ ও আরটুইট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, ব্যানানা ও কিউজাই ম্যাংগো ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কিং অফ চাকাপা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং পালমার ও ব্রুনাই কিং ৫০০ টাকায়। তবে দিনে দিনে ফলন বাড়লেও বিক্রি করতে গিয়ে নানারকম হয়রানির শিকার হওয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বাছিরুল আলম বলেন, খাগড়াছড়িতে

বিদেশী আম চাষে আগ্রহ বাড়ছে। কৃষকদের উৎসাহিত করতে চাষিদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তিনি জানান, খাগড়াছড়ি জেলায় ৪ হাজার ৪ শত ২১ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। এবার উৎপাদন হয়েছে ৫৪ হাজার মেট্রিক টন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে খাগড়াছড়ির অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে এবং কৃষি খাত হয়ে উঠবে আরও শক্তিশালী ও লাভজনক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

খাগড়াছড়িতে বিদেশি জাতের আম চাষে নতুন সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০২:৩৫:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

জেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিদেশি জাতের আম চাষ। জাপান, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার নামী দামী জাতের আম এখন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। আকর্ষণীয় রঙ, অসাধারণ স্বাদ এবং উচ্চ বাজারমূল্যের কারণে এই আমগুলোর প্রতি ক্রেতা ও কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোন ছড়া এলাকার কৃষক উচনু চৌধুরী দেশীয় জাতের পাশাপাশি ৫ একর জমিতে বিদেশি জাতের আমের বাগান গড়ে তুলেছেন। তার বাগানে রয়েছে মিয়াজাকি, চিয়াংমাই, ব্যানানা ম্যাংগো, আমেরিকান রেড পালমার, কিউজাই ও ব্ল্যাকস্টোন ম্যাংগোর মতো জনপ্রিয় জাত।

একই উপজেলায় মং গ্রীন লাইফ অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক মংশিতু চৌধুরী ২০১৪ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে আম চাষে নামেন। বর্তমানে তিনি ৩০ একর জমিতে ৫৪ প্রজাতির দেশী ও বিদেশী আম চাষ করছেন। চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় এই চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা।

খাগড়াছড়ির ফল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সমির হোসেন সুজন জানান, বাজারে এক কেজি মিয়াজাকি আম বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়। রেড আইভরি, হানিডিউ ও আরটুইট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, ব্যানানা ও কিউজাই ম্যাংগো ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কিং অফ চাকাপা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং পালমার ও ব্রুনাই কিং ৫০০ টাকায়। তবে দিনে দিনে ফলন বাড়লেও বিক্রি করতে গিয়ে নানারকম হয়রানির শিকার হওয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বাছিরুল আলম বলেন, খাগড়াছড়িতে

বিদেশী আম চাষে আগ্রহ বাড়ছে। কৃষকদের উৎসাহিত করতে চাষিদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তিনি জানান, খাগড়াছড়ি জেলায় ৪ হাজার ৪ শত ২১ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। এবার উৎপাদন হয়েছে ৫৪ হাজার মেট্রিক টন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে খাগড়াছড়ির অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে এবং কৃষি খাত হয়ে উঠবে আরও শক্তিশালী ও লাভজনক।