বুধবার | ৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী

খাগড়াছড়িতে বিদেশি জাতের আম চাষে নতুন সম্ভাবনা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • ৭৪৬ বার পড়া হয়েছে

জেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিদেশি জাতের আম চাষ। জাপান, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার নামী দামী জাতের আম এখন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। আকর্ষণীয় রঙ, অসাধারণ স্বাদ এবং উচ্চ বাজারমূল্যের কারণে এই আমগুলোর প্রতি ক্রেতা ও কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোন ছড়া এলাকার কৃষক উচনু চৌধুরী দেশীয় জাতের পাশাপাশি ৫ একর জমিতে বিদেশি জাতের আমের বাগান গড়ে তুলেছেন। তার বাগানে রয়েছে মিয়াজাকি, চিয়াংমাই, ব্যানানা ম্যাংগো, আমেরিকান রেড পালমার, কিউজাই ও ব্ল্যাকস্টোন ম্যাংগোর মতো জনপ্রিয় জাত।

একই উপজেলায় মং গ্রীন লাইফ অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক মংশিতু চৌধুরী ২০১৪ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে আম চাষে নামেন। বর্তমানে তিনি ৩০ একর জমিতে ৫৪ প্রজাতির দেশী ও বিদেশী আম চাষ করছেন। চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় এই চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা।

খাগড়াছড়ির ফল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সমির হোসেন সুজন জানান, বাজারে এক কেজি মিয়াজাকি আম বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়। রেড আইভরি, হানিডিউ ও আরটুইট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, ব্যানানা ও কিউজাই ম্যাংগো ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কিং অফ চাকাপা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং পালমার ও ব্রুনাই কিং ৫০০ টাকায়। তবে দিনে দিনে ফলন বাড়লেও বিক্রি করতে গিয়ে নানারকম হয়রানির শিকার হওয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বাছিরুল আলম বলেন, খাগড়াছড়িতে

বিদেশী আম চাষে আগ্রহ বাড়ছে। কৃষকদের উৎসাহিত করতে চাষিদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তিনি জানান, খাগড়াছড়ি জেলায় ৪ হাজার ৪ শত ২১ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। এবার উৎপাদন হয়েছে ৫৪ হাজার মেট্রিক টন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে খাগড়াছড়ির অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে এবং কৃষি খাত হয়ে উঠবে আরও শক্তিশালী ও লাভজনক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম।

খাগড়াছড়িতে বিদেশি জাতের আম চাষে নতুন সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০২:৩৫:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

জেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিদেশি জাতের আম চাষ। জাপান, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার নামী দামী জাতের আম এখন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। আকর্ষণীয় রঙ, অসাধারণ স্বাদ এবং উচ্চ বাজারমূল্যের কারণে এই আমগুলোর প্রতি ক্রেতা ও কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোন ছড়া এলাকার কৃষক উচনু চৌধুরী দেশীয় জাতের পাশাপাশি ৫ একর জমিতে বিদেশি জাতের আমের বাগান গড়ে তুলেছেন। তার বাগানে রয়েছে মিয়াজাকি, চিয়াংমাই, ব্যানানা ম্যাংগো, আমেরিকান রেড পালমার, কিউজাই ও ব্ল্যাকস্টোন ম্যাংগোর মতো জনপ্রিয় জাত।

একই উপজেলায় মং গ্রীন লাইফ অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক মংশিতু চৌধুরী ২০১৪ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে আম চাষে নামেন। বর্তমানে তিনি ৩০ একর জমিতে ৫৪ প্রজাতির দেশী ও বিদেশী আম চাষ করছেন। চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় এই চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা।

খাগড়াছড়ির ফল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সমির হোসেন সুজন জানান, বাজারে এক কেজি মিয়াজাকি আম বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়। রেড আইভরি, হানিডিউ ও আরটুইট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, ব্যানানা ও কিউজাই ম্যাংগো ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কিং অফ চাকাপা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং পালমার ও ব্রুনাই কিং ৫০০ টাকায়। তবে দিনে দিনে ফলন বাড়লেও বিক্রি করতে গিয়ে নানারকম হয়রানির শিকার হওয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বাছিরুল আলম বলেন, খাগড়াছড়িতে

বিদেশী আম চাষে আগ্রহ বাড়ছে। কৃষকদের উৎসাহিত করতে চাষিদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তিনি জানান, খাগড়াছড়ি জেলায় ৪ হাজার ৪ শত ২১ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। এবার উৎপাদন হয়েছে ৫৪ হাজার মেট্রিক টন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে খাগড়াছড়ির অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে এবং কৃষি খাত হয়ে উঠবে আরও শক্তিশালী ও লাভজনক।