বুধবার | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo সাতক্ষীরায় ইয়াবা, অবৈধ অর্থ ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ  গ্রেফতার- ৩ Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার Logo ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের Logo কোর্স ফি বৃদ্ধি ও ছাত্র প্রতিনিধি ইস্যুতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo ঝিনাইদহে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র, বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo শেরপুরে সেবার আলোর উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ Logo সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ঘড়ি স্থাপন Logo চাঁদপুর কাচ্চি ডাইন ব্রাঞ্চে র‌্যাফেল জয়ীদের হাতে আনন্দের পুরস্কার”

যৌন হয়রানির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত ইবি শিক্ষক

নৈতিকতা লঙ্ঘন, যৌন হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহাসহ নানা অভিযোগের ভিত্তিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হকের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, বরখাস্তকালীন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী জীবনধারণ ভাতা পাবেন।

অফিস আদেশে বলা হয়, বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী ড. আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, অশালীন ও অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ, ক্লাসে শিক্ষার্থীদের পোশাক ও শারীরিক গঠন নিয়ে অশোভন মন্তব্য এবং হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমোতে ভিডিও কলে আপত্তিকর বার্তা পাঠানোর অভিযোগ করেন। অভিযোগগুলো বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৫ জুলাই থেকে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। পাশাপাশি, ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আল-ফিকাহ অ্যান্ড ল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ নাজিমুদ্দিন। অন্যান্য সদস্যরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফকরুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. খোন্দকার আরিফা আক্তার এবং আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাকসুদা আক্তার। তদন্ত কমিটিকে আগামী ২০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৩ জুলাই বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন। সেখানে তাঁরা সাতটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পেশাগত অসদাচরণ, নৈতিকতা লঙ্ঘন, যৌন হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের

যৌন হয়রানির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত ইবি শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৫:৫২:২৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

নৈতিকতা লঙ্ঘন, যৌন হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহাসহ নানা অভিযোগের ভিত্তিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হকের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, বরখাস্তকালীন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী জীবনধারণ ভাতা পাবেন।

অফিস আদেশে বলা হয়, বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী ড. আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, অশালীন ও অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ, ক্লাসে শিক্ষার্থীদের পোশাক ও শারীরিক গঠন নিয়ে অশোভন মন্তব্য এবং হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমোতে ভিডিও কলে আপত্তিকর বার্তা পাঠানোর অভিযোগ করেন। অভিযোগগুলো বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৫ জুলাই থেকে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। পাশাপাশি, ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আল-ফিকাহ অ্যান্ড ল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ নাজিমুদ্দিন। অন্যান্য সদস্যরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফকরুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. খোন্দকার আরিফা আক্তার এবং আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাকসুদা আক্তার। তদন্ত কমিটিকে আগামী ২০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৩ জুলাই বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন। সেখানে তাঁরা সাতটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পেশাগত অসদাচরণ, নৈতিকতা লঙ্ঘন, যৌন হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।