শিরোনাম :
Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন Logo সিরাজদিখানে মরহুম হাজী জয়নাল আবেদীন মাষ্টার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের দুটি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় হামলার প্রতিবাদে খুবিতে প্রকৌশল অধিকার দাবিতে মানববন্ধন Logo চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন প্রবাসফেরত ইসমাইল হোসেন Logo চিত্রা-নড়াইল জেলা ছাত্রকল্যাণ ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে আরমান ও বোরহান Logo চাঁদপুর সদরের জনবান্ধব ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে লক্ষ্মীপুরের এডিসি পদে বদলী Logo বেরোবিতে ভর্তি পরীক্ষার আসন বরাদ্দে অনিময়ের অভিযোগ ; প্রশাসন বলছে শিক্ষার্থীদের বুঝার ভুল Logo প্রকাশিত হয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক নুরুন্নাহার মুন্নির সাহিত্য পত্রিকা ‘আখ্যান’ Logo পলাশবাড়ী পৌর এলাকায় জমি জবর দখলের অভিযোগ Logo প্রবাসফেরত ইসমাইলের পাশে দাঁড়ালেন এনসিপি নেতা ডা. আরিফুল ইসলাম

ইবিতে বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষরিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অভ্যন্তরে বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র নির্মাণে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে চুক্তির আওতায় একটি ইনডোর টাইপ ১০/১৪ এমভিএ ৩৩/১১ কেভি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি ব্যবহার করতে পারবে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২০ মে) ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি যা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড অধ্যাদেশ ১৯৭৭ (১৯৭৭ সালের অধ্যাদেশ নং-এর অনুকূলে গঠিত একটি বিধিবদ্ধ সংস্থার এর পক্ষে কুষ্টিয়ার জেনারেল ম্যানেজার ইসমাত কামাল চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি অনুযায়ী বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ৪০ শতাংশ ভূমি প্রদান করবে। এই জমি ব্যবহার বাবদ কোনো প্রকার অর্থ প্রদান করতে হবে না। চুক্তির আওতায়, কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এর নিজস্ব অর্থায়নে বটতৈল গ্রিড উপকেন্দ্র হতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ২৮ কি.মি. ৩৩ কেভি সোর্স লাইন, একটি ইনডোর টাইপ ১০/১৪ এমভিএ ৩৩/১১ কেভি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন) নির্মাণ করবে।

তাছাড়া চুক্তিবলে, সাবস্টেশনসহ বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বিভিন্ন ইক্যুইপমেন্টস ও তার ব্যবস্থাপনা ও সমিতি নিজস্ব অর্থায়নে সম্পন্ন করবে। উপকেন্দ্র বা সাব স্টেশনের জন্য নির্দিষ্ট ভূমিতে সাবস্টেশন পরিচালনার সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ছাড়া অন্য কোন প্রকারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা যাবে না।

চুক্তি অনুযায়ী আরও জানা যায়, দ্বিতীয় পক্ষ (কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি) ৩৩ কেভি সোর্স লাইন এবং উপকেন্দ্র পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি সরবরাহ করবে। প্রথম পক্ষ (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে প্রয়োজন অনুযায়ী ১১ কেভি, ০.৪ কেভি, ০.২৪ কেভি লাইন নির্মাণ এবং প্রাইমারি মিটারিং ইউনিট ব্যয় বহন করবে। দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। তবে উপকেন্দ্রের ক্ষমতা মোতাবেক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের পর পার্শ্ববর্তী এলাকায় দ্বিতীয় পক্ষ জনস্বার্থে প্রস্তাবিত উপকেন্দ্র হইতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে। উক্ত উপকেন্দ্র নির্মাণ, পরিচালনা রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য দ্বিতীয় পক্ষ অথবা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি প্রথম পক্ষের নির্ধারিত অভ্যন্তরীণ রাস্তা ব্যবহার করে সার্বক্ষণিকভাবে যাতায়াত করতে পারবে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমিতির নীতি নির্দেশিকা রেট সিডিউলের আলোকে ব্যবহৃত বিদ্যুতের বিল নগদ মূল্য পরিশোধ করবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক সংশোধিত রেট শিডিউল প্রযোজ্য হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

ইবিতে বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষরিত

আপডেট সময় : ০৮:২২:২৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অভ্যন্তরে বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র নির্মাণে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে চুক্তির আওতায় একটি ইনডোর টাইপ ১০/১৪ এমভিএ ৩৩/১১ কেভি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি ব্যবহার করতে পারবে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২০ মে) ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি যা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড অধ্যাদেশ ১৯৭৭ (১৯৭৭ সালের অধ্যাদেশ নং-এর অনুকূলে গঠিত একটি বিধিবদ্ধ সংস্থার এর পক্ষে কুষ্টিয়ার জেনারেল ম্যানেজার ইসমাত কামাল চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি অনুযায়ী বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ৪০ শতাংশ ভূমি প্রদান করবে। এই জমি ব্যবহার বাবদ কোনো প্রকার অর্থ প্রদান করতে হবে না। চুক্তির আওতায়, কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এর নিজস্ব অর্থায়নে বটতৈল গ্রিড উপকেন্দ্র হতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ২৮ কি.মি. ৩৩ কেভি সোর্স লাইন, একটি ইনডোর টাইপ ১০/১৪ এমভিএ ৩৩/১১ কেভি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন) নির্মাণ করবে।

তাছাড়া চুক্তিবলে, সাবস্টেশনসহ বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বিভিন্ন ইক্যুইপমেন্টস ও তার ব্যবস্থাপনা ও সমিতি নিজস্ব অর্থায়নে সম্পন্ন করবে। উপকেন্দ্র বা সাব স্টেশনের জন্য নির্দিষ্ট ভূমিতে সাবস্টেশন পরিচালনার সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ছাড়া অন্য কোন প্রকারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা যাবে না।

চুক্তি অনুযায়ী আরও জানা যায়, দ্বিতীয় পক্ষ (কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি) ৩৩ কেভি সোর্স লাইন এবং উপকেন্দ্র পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি সরবরাহ করবে। প্রথম পক্ষ (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে প্রয়োজন অনুযায়ী ১১ কেভি, ০.৪ কেভি, ০.২৪ কেভি লাইন নির্মাণ এবং প্রাইমারি মিটারিং ইউনিট ব্যয় বহন করবে। দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। তবে উপকেন্দ্রের ক্ষমতা মোতাবেক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের পর পার্শ্ববর্তী এলাকায় দ্বিতীয় পক্ষ জনস্বার্থে প্রস্তাবিত উপকেন্দ্র হইতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে। উক্ত উপকেন্দ্র নির্মাণ, পরিচালনা রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য দ্বিতীয় পক্ষ অথবা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি প্রথম পক্ষের নির্ধারিত অভ্যন্তরীণ রাস্তা ব্যবহার করে সার্বক্ষণিকভাবে যাতায়াত করতে পারবে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমিতির নীতি নির্দেশিকা রেট সিডিউলের আলোকে ব্যবহৃত বিদ্যুতের বিল নগদ মূল্য পরিশোধ করবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক সংশোধিত রেট শিডিউল প্রযোজ্য হবে।