আইএমএফের ঋণের চতুর্থ কিস্তি পাওয়া যাবে মার্চে

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:০৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৭১৬ বার পড়া হয়েছে

আগামী বছরের মার্চেই বাংলাদেশকে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন বা ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তার চতুর্থ কিস্তি ছাড় করতে পারে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করে আইএমএফের প্রতিনিধিদল। পরে বৈঠকের বিস্তারিত জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা।

তিনি বলেন, আইএমএফের দেয়া শর্তের মধ্যে সব শর্তই পূরণ করেছে তার সংস্থা। যদিও শর্ত পূরণে ব্যর্থ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইএমএফের প্রতিনিধি দল এসেছিল। তাদের সঙ্গে ঋণ প্যাকেজ ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে চতুর্থ কিস্তির ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে এটা পেয়ে যাব।

তিনি আরও বলেন, তারা কতগুলো লক্ষ্যমাত্রা দেবে সেটা করতে পারব কি না, সেটা অন্য ব্যাপার। কিন্তু আমি আশা করি তারা বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য সহায়তা দেবে।

এদিকে আইএমএফ বলছে, বাংলাদেশের বর্তমান সার্বিক মূল্যস্ফীতি ১১ দশমিক ১ শতাংশ। ২০২৬ সালে যা নামতে পারে ৬ থেকে ৭ শতাংশে।

উল্লেখ্য, এর আগে তিন কিস্তিতে আইএমএফের ঋণ সহায়তার ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। ২৩৯ কোটি ডলার পাওয়া যাবে আরও চার কিস্তিতে

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আইএমএফের ঋণের চতুর্থ কিস্তি পাওয়া যাবে মার্চে

আপডেট সময় : ০৯:০৪:০৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

আগামী বছরের মার্চেই বাংলাদেশকে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন বা ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তার চতুর্থ কিস্তি ছাড় করতে পারে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করে আইএমএফের প্রতিনিধিদল। পরে বৈঠকের বিস্তারিত জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা।

তিনি বলেন, আইএমএফের দেয়া শর্তের মধ্যে সব শর্তই পূরণ করেছে তার সংস্থা। যদিও শর্ত পূরণে ব্যর্থ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইএমএফের প্রতিনিধি দল এসেছিল। তাদের সঙ্গে ঋণ প্যাকেজ ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে চতুর্থ কিস্তির ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে এটা পেয়ে যাব।

তিনি আরও বলেন, তারা কতগুলো লক্ষ্যমাত্রা দেবে সেটা করতে পারব কি না, সেটা অন্য ব্যাপার। কিন্তু আমি আশা করি তারা বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য সহায়তা দেবে।

এদিকে আইএমএফ বলছে, বাংলাদেশের বর্তমান সার্বিক মূল্যস্ফীতি ১১ দশমিক ১ শতাংশ। ২০২৬ সালে যা নামতে পারে ৬ থেকে ৭ শতাংশে।

উল্লেখ্য, এর আগে তিন কিস্তিতে আইএমএফের ঋণ সহায়তার ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। ২৩৯ কোটি ডলার পাওয়া যাবে আরও চার কিস্তিতে