কমোড থেকে বেড়িয়ে এলো বিষধর সাপ!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:০৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  • ৭৪৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বিখ্যাত ব়্যাটেল স্নেক বাংলাতে ঝুমঝুমি সাপ নামেই পরিচিত৷ লেজের পিছনে বিশেষ গ্রন্থি থেকে ঝুমঝুম করে শব্দ বের হয়। সেই কারণেই এরকম নাম।

বিশাল দুই বিষদাঁত নিয়ে এই সাপ যখন ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোবল দেয় তারপর দ্রুত চিকিৎসা না হলে মৃত্যু অবধারিত। সেরকমই এক বিষধর আচমকা কোমড থেকে বের হয়ে এসেছিল৷ ঘটনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস টাউনের।বাথরুমে সাপ ঢুকে থাকতে পারে। কিন্তু কমোডের ভিতর থেকে ব়্যাটেল স্নেক বের হয়ে এসেছে শুনে চমকে গিয়েছিলেন স্থানীয় সর্প বিশারদ নাথান হকিন্স। দ্রুত খবর পেয়েই তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সব দেখে জানিয়েছেন এ ঘটনা একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

ঘুম ঘুম চোখে টয়লেট করতে গিয়েছিল বাড়ির ক্ষুদে সদস্য। ভিতরে ঢুকেই সাপ দেখে চমকে যায় সে। চিৎকার করতেই বাড়ির সবাই ছুটে আসেন। তাঁরাও হতচকিত হয়ে যান। তখন কমোড থেকে বেশ খানিকটা মাথা তুলে বের হয়ে এসেছে ভয়াল ঝুমঝুমি সাপ। অনেক কসরত করে শেষপর্যন্ত সেই সাপকে আয়ত্তে আনা হয়েছে।

শুধু তাই নয় বাড়ির অন্যান্য স্থান থেকেও গুটিসুটি হয়ে পড়ে থাকা আরও কিছু ব়্যাটেল স্নেক বস্তাবন্দি করেছেন টেক্সাসের সর্প বিশারদ নাথান হকিন্স। সর্ব সাকুল্যে মিলেছে ২৪টি সাপ। অনেক বিষ বের করা যাবে এদের থেকে, খুশি হয়ে জানিয়েছেন নাথাল। তিনি আরও বলেন, শীতের মৌসুমে সাপ ঘুমিয়ে থাকে। কিন্তু ব়্যাটেল স্নেক এই সময় কিছু দেখা যায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কমোড থেকে বেড়িয়ে এলো বিষধর সাপ!

আপডেট সময় : ০৮:৪১:০৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বিখ্যাত ব়্যাটেল স্নেক বাংলাতে ঝুমঝুমি সাপ নামেই পরিচিত৷ লেজের পিছনে বিশেষ গ্রন্থি থেকে ঝুমঝুম করে শব্দ বের হয়। সেই কারণেই এরকম নাম।

বিশাল দুই বিষদাঁত নিয়ে এই সাপ যখন ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোবল দেয় তারপর দ্রুত চিকিৎসা না হলে মৃত্যু অবধারিত। সেরকমই এক বিষধর আচমকা কোমড থেকে বের হয়ে এসেছিল৷ ঘটনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস টাউনের।বাথরুমে সাপ ঢুকে থাকতে পারে। কিন্তু কমোডের ভিতর থেকে ব়্যাটেল স্নেক বের হয়ে এসেছে শুনে চমকে গিয়েছিলেন স্থানীয় সর্প বিশারদ নাথান হকিন্স। দ্রুত খবর পেয়েই তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সব দেখে জানিয়েছেন এ ঘটনা একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

ঘুম ঘুম চোখে টয়লেট করতে গিয়েছিল বাড়ির ক্ষুদে সদস্য। ভিতরে ঢুকেই সাপ দেখে চমকে যায় সে। চিৎকার করতেই বাড়ির সবাই ছুটে আসেন। তাঁরাও হতচকিত হয়ে যান। তখন কমোড থেকে বেশ খানিকটা মাথা তুলে বের হয়ে এসেছে ভয়াল ঝুমঝুমি সাপ। অনেক কসরত করে শেষপর্যন্ত সেই সাপকে আয়ত্তে আনা হয়েছে।

শুধু তাই নয় বাড়ির অন্যান্য স্থান থেকেও গুটিসুটি হয়ে পড়ে থাকা আরও কিছু ব়্যাটেল স্নেক বস্তাবন্দি করেছেন টেক্সাসের সর্প বিশারদ নাথান হকিন্স। সর্ব সাকুল্যে মিলেছে ২৪টি সাপ। অনেক বিষ বের করা যাবে এদের থেকে, খুশি হয়ে জানিয়েছেন নাথাল। তিনি আরও বলেন, শীতের মৌসুমে সাপ ঘুমিয়ে থাকে। কিন্তু ব়্যাটেল স্নেক এই সময় কিছু দেখা যায়।