সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই প্রশ্ন ফাঁসের গুজব !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:১১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  • ৭৫৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

‘প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই’ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ানো হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর পর রাজধানীর ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এই সরকারই প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করেছে দাবি করে অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চিরকাল প্রশ্ন ফাঁস হয়ে আসছিল। আমরা তা বন্ধ করেছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন। আমরা উন্নত শিক্ষায় ছেলেমেদের শিক্ষিত করতে চাই। বর্তমানে যে প্রশ্নে পরীক্ষা হচ্ছে তাতে শিক্ষার্থীরা খুশি। তারা আনন্দ উল্লাসের মধ্যে পরীক্ষা দিচ্ছে। ’

এবছর ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের সংখ্যা ২১ হাজার বেশি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমার যখন দায়িত্ব নিয়েছি তখন ৯ লাখের মতো পরীক্ষার্থী ছিল। সেটা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখের বেশি। এবার নম্বরপত্র মূল্যায়নে নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। এজন্য ২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

এদিন, অভিভাবকদের বিভিন্ন অভিযোগও শোনেন মন্ত্রী। পরে মন্ত্রী পরীক্ষা কেন্দ্রর বিভিন্ন হলগুলো ঘুরে দেখেন। এ সময় শিক্ষাসচিব, ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই প্রশ্ন ফাঁসের গুজব !

আপডেট সময় : ০২:০৩:১১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

‘প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই’ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ানো হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর পর রাজধানীর ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এই সরকারই প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করেছে দাবি করে অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চিরকাল প্রশ্ন ফাঁস হয়ে আসছিল। আমরা তা বন্ধ করেছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন। আমরা উন্নত শিক্ষায় ছেলেমেদের শিক্ষিত করতে চাই। বর্তমানে যে প্রশ্নে পরীক্ষা হচ্ছে তাতে শিক্ষার্থীরা খুশি। তারা আনন্দ উল্লাসের মধ্যে পরীক্ষা দিচ্ছে। ’

এবছর ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের সংখ্যা ২১ হাজার বেশি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমার যখন দায়িত্ব নিয়েছি তখন ৯ লাখের মতো পরীক্ষার্থী ছিল। সেটা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখের বেশি। এবার নম্বরপত্র মূল্যায়নে নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। এজন্য ২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

এদিন, অভিভাবকদের বিভিন্ন অভিযোগও শোনেন মন্ত্রী। পরে মন্ত্রী পরীক্ষা কেন্দ্রর বিভিন্ন হলগুলো ঘুরে দেখেন। এ সময় শিক্ষাসচিব, ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।