শিরোনাম :

আইনস্টাইন-হকিংকে ছাড়িয়ে অর্ণব শর্মা !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:৪০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২ জুলাই ২০১৭
  • ৭৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বয়স মোটে ১১ বছর। পরীক্ষায় বসার বিন্দুমাত্র প্রস্তুতি ছিল না। তাতেই মেনসা আইকিউ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ১৬২ স্কোর করেছে ১১ বছরের অর্ণব শর্মা। দেখা গেছে, তার আইকিউ অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, স্টিফেন হকিংয়ের থেকেও বেশি!

এই মেনসা আইকিউ টেস্ট বিশ্বের প্রাচীনতম ও কঠিনতম আইকিউ নির্ধারণ পরীক্ষা। যে কেউ এর সদস্য হতে পারেন, তবে তার আইকিউ অবশ্যই দেশের জনসংখ্যার সেরা ২ শতাংশ আইকিউ ধারকদের মধ্যে থাকতে হবে। সেজন্য একটি নির্দিষ্ট আইকিউ পরীক্ষাও দিতে হবে তাকে।

দক্ষিণ ব্রিটেনের রিডিংয়ে থাকে অর্ণব। প্রশ্নপত্র কেমন হতে পারে তার কোনও ধারণাই ছিল না। ছিল না কোনও রকম প্রস্তুতি। তাতেই ব্রিটেনের শ্রেষ্ঠ এক শতাংশ মস্তিষ্কধারীদের সারিতে চলে গেছে সে।

কয়েক সপ্তাহ আগে সে যখন ওই পরীক্ষা দেয়, তখন তার সঙ্গে পরীক্ষার্থী ছিলেন আরও ৭-৮ জন। জনাদুয়েক ছোট হলেও বাকিরা সকলেই ছিলেন সাবালক।

অর্ণবের মা মীশা ধামিজা শর্মা জানিয়েছেন, ছেলের দেড় বছর বয়সে তাকে নিয়ে ভারতে যান তিনি। তখনই অর্ণবের ঠাকুমা তাকে বলেন, পড়াশোনায় দুর্দান্ত করবে সে। আড়াই বছর বয়সেই তার অঙ্কে মেধা প্রকাশ পায়। তখনই ১০০’র বেশি গুণতে পারত, অঙ্ক নিয়ে ছিল অসম্ভব অনুষন্ধিৎসা।

ক্রসফিল্ডস স্কুলের এই ছাত্র ইতিমধ্যেই প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইটন কলেজ ও ওয়েস্টমিনিস্টারে সুযোগ পেয়েছে, সেও বিনা প্রস্তুতিতে।

শুধু অঙ্কে নয়, নাচগানেও আগ্রহ আছে অর্ণবের। ৮ বছর বয়সে বলিউডি গানের সঙ্গে নেচে রিডিংস গট ট্যালেন্ট প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় সে।

গত বছর এমনই মেনসা পরীক্ষায় এমনই ১৬২ স্কোর করে ১১ বছরের আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত সানায়া ভার্মা।  এই পরীক্ষায় যাঁরা সর্বাধিক স্কোর করেছেন, তাদের মধ্যে এরাই সবথেকে ছোট।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালো ৬ বছরের শিশু জিদান

আইনস্টাইন-হকিংকে ছাড়িয়ে অর্ণব শর্মা !

আপডেট সময় : ০৬:২০:৪০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বয়স মোটে ১১ বছর। পরীক্ষায় বসার বিন্দুমাত্র প্রস্তুতি ছিল না। তাতেই মেনসা আইকিউ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ১৬২ স্কোর করেছে ১১ বছরের অর্ণব শর্মা। দেখা গেছে, তার আইকিউ অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, স্টিফেন হকিংয়ের থেকেও বেশি!

এই মেনসা আইকিউ টেস্ট বিশ্বের প্রাচীনতম ও কঠিনতম আইকিউ নির্ধারণ পরীক্ষা। যে কেউ এর সদস্য হতে পারেন, তবে তার আইকিউ অবশ্যই দেশের জনসংখ্যার সেরা ২ শতাংশ আইকিউ ধারকদের মধ্যে থাকতে হবে। সেজন্য একটি নির্দিষ্ট আইকিউ পরীক্ষাও দিতে হবে তাকে।

দক্ষিণ ব্রিটেনের রিডিংয়ে থাকে অর্ণব। প্রশ্নপত্র কেমন হতে পারে তার কোনও ধারণাই ছিল না। ছিল না কোনও রকম প্রস্তুতি। তাতেই ব্রিটেনের শ্রেষ্ঠ এক শতাংশ মস্তিষ্কধারীদের সারিতে চলে গেছে সে।

কয়েক সপ্তাহ আগে সে যখন ওই পরীক্ষা দেয়, তখন তার সঙ্গে পরীক্ষার্থী ছিলেন আরও ৭-৮ জন। জনাদুয়েক ছোট হলেও বাকিরা সকলেই ছিলেন সাবালক।

অর্ণবের মা মীশা ধামিজা শর্মা জানিয়েছেন, ছেলের দেড় বছর বয়সে তাকে নিয়ে ভারতে যান তিনি। তখনই অর্ণবের ঠাকুমা তাকে বলেন, পড়াশোনায় দুর্দান্ত করবে সে। আড়াই বছর বয়সেই তার অঙ্কে মেধা প্রকাশ পায়। তখনই ১০০’র বেশি গুণতে পারত, অঙ্ক নিয়ে ছিল অসম্ভব অনুষন্ধিৎসা।

ক্রসফিল্ডস স্কুলের এই ছাত্র ইতিমধ্যেই প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইটন কলেজ ও ওয়েস্টমিনিস্টারে সুযোগ পেয়েছে, সেও বিনা প্রস্তুতিতে।

শুধু অঙ্কে নয়, নাচগানেও আগ্রহ আছে অর্ণবের। ৮ বছর বয়সে বলিউডি গানের সঙ্গে নেচে রিডিংস গট ট্যালেন্ট প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় সে।

গত বছর এমনই মেনসা পরীক্ষায় এমনই ১৬২ স্কোর করে ১১ বছরের আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত সানায়া ভার্মা।  এই পরীক্ষায় যাঁরা সর্বাধিক স্কোর করেছেন, তাদের মধ্যে এরাই সবথেকে ছোট।