রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন : ডা. জাহিদ Logo কচুয়ায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা এনায়েত হাসিব Logo কচুয়ায় ইউএনও হেলাল চৌধুরীর বিদায় সংবর্ধনা Logo জীবননগর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা সভাপতি রিংকু, সম্পাদক ফরহাদ Logo ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান Logo সুপারস্টার ফ্যান ক্লাবের জমকালো আয়োজনে চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব এর জন্মদিন পালন Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক:

ত্রিপুরায় বন্যা: ১৯ জন নিহত, ১৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:২১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০২৪
  • ৭৫৪ বার পড়া হয়েছে

প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ত্রিপুরায়। গত চার দিনে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৯ জনের। নিহত ১৯ জনের মধ্যে দক্ষিন ত্রিপুরায় মাটির নিচে চাপা পড়ে সাতজন মহিলা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টিপাত চলবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আটটি জেলার জন্য ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছেন।

গত চারদিন ধরে ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) এ অবস্থা ছিল আরও ভয়াবহ।

বন্যা কবলিত এলাকায় সাহায্য ও সহায়তা করার জন্য বিমানবাহিনী তৎপরতা শুরু করেছে। এছাড়া পরিস্থিতি মোকাবেলায় ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ) দল মোতায়েন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিমান বাহিনীর ও এনডিআরএফের সহযোগিতায় আগরতলায় ত্রাণ সরবারহ করা হয়েছে।

দক্ষিণ ত্রিপুরা, উনাকোটি এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাগুলোতে পানির স্তর বেশি রয়েছে। এছাড়া ধলাই, খোয়াই, দক্ষিণ ত্রিপুরা, পশ্চিম ত্রিপুরা, উত্তর ত্রিপুরা এবং উনাকোটি – ছয়টি জেলায় নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মোট আট জেলায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সব মিলিয়ে, রাজ্যে ৬৫,৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য ১৯ আগস্ট থেকে জেলা প্রশাসন ৪৫০ টি ত্রাণ শিবির খুলেছে। বন্যায় আক্রান্ত জনসংখ্যা ১৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।

অতি বৃষ্টি এবং বন্যায় ২০৩২ টি স্থানে ভূমিধস হয়েছে, যার মধ্যে ১৭৮৯ টি পরিষ্কার করা হয়েছে। এলাকাগুলোতে পুরোদমে সংস্কার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ১৯৫২টি স্থানে রাস্তার ভাঙন ঘটেছে, যার মধ্যে ৫৭৯টি স্থান এখন পর্যন্ত ঠিক করা হয়েছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আগরতলা থেকে সমস্ত রেল পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সব স্কুল। সূত্র: এনডিটিভি

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন : ডা. জাহিদ

ত্রিপুরায় বন্যা: ১৯ জন নিহত, ১৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ১২:৩৩:২১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০২৪

প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ত্রিপুরায়। গত চার দিনে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৯ জনের। নিহত ১৯ জনের মধ্যে দক্ষিন ত্রিপুরায় মাটির নিচে চাপা পড়ে সাতজন মহিলা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টিপাত চলবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আটটি জেলার জন্য ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছেন।

গত চারদিন ধরে ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) এ অবস্থা ছিল আরও ভয়াবহ।

বন্যা কবলিত এলাকায় সাহায্য ও সহায়তা করার জন্য বিমানবাহিনী তৎপরতা শুরু করেছে। এছাড়া পরিস্থিতি মোকাবেলায় ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ) দল মোতায়েন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিমান বাহিনীর ও এনডিআরএফের সহযোগিতায় আগরতলায় ত্রাণ সরবারহ করা হয়েছে।

দক্ষিণ ত্রিপুরা, উনাকোটি এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাগুলোতে পানির স্তর বেশি রয়েছে। এছাড়া ধলাই, খোয়াই, দক্ষিণ ত্রিপুরা, পশ্চিম ত্রিপুরা, উত্তর ত্রিপুরা এবং উনাকোটি – ছয়টি জেলায় নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মোট আট জেলায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সব মিলিয়ে, রাজ্যে ৬৫,৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য ১৯ আগস্ট থেকে জেলা প্রশাসন ৪৫০ টি ত্রাণ শিবির খুলেছে। বন্যায় আক্রান্ত জনসংখ্যা ১৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।

অতি বৃষ্টি এবং বন্যায় ২০৩২ টি স্থানে ভূমিধস হয়েছে, যার মধ্যে ১৭৮৯ টি পরিষ্কার করা হয়েছে। এলাকাগুলোতে পুরোদমে সংস্কার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ১৯৫২টি স্থানে রাস্তার ভাঙন ঘটেছে, যার মধ্যে ৫৭৯টি স্থান এখন পর্যন্ত ঠিক করা হয়েছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আগরতলা থেকে সমস্ত রেল পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সব স্কুল। সূত্র: এনডিটিভি