বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

ঝাল খাওয়া কি খারাপ ?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:১১:৩০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২০ আগস্ট ২০১৭
  • ৮০১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

হৃদ্‌রোগীদের সাধারণভাবে বলা হয় ঝাল মসলাযুক্ত খাবার কম খেতে। আসলেই কি মসলা বা ঝাল তাদের জন্য খারাপ? তেল–চর্বিযুক্ত খাবার বা রিচ ফুড খারাপ তো বটেই। কেননা, এগুলো রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ায়, যা রক্তনালিতে ব্লক বা বাধা তৈরি করে। কিন্তু ঝাল তো আর চর্বি বা তেল নয়। ২০১৫ সালে হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি গবেষণায় দেখান যে যাঁরা মোটেও ঝাল খান না, তাঁদের তুলনায় যাঁরা প্রতিদিন বা সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ঝাল খান, তাঁদের হৃদ্‌রোগ, ফুসফুস ও ক্যানসারজনিত রোগে মৃত্যুহার কম।

ঝালের মূল উপাদান হলো ক্যাপসেইসিন। এর নানামুখী উপকারিতা আছে। যেমন-

এক. এটি পরিপাকতন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সরিয়ে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ায়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে ও বিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে।

দুই.  ডায়াবেটিসের রোগীদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ক্যাপসেইসিনের ভূমিকা আছে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ভালো।

তিন. ক্যাপসেইসিন একধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও রক্তনালিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়।

চার. হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির স্নায়ুগুলো ক্যাপসেইসিনে সংবেদনশীল। এই স্নায়ুগুলোর সুস্থতায় ভূমিকা রাখে এই উপাদান।

কী ধরনের ঝাল ভালো?

শুকনো বা গুঁড়া মরিচের তুলনায় কাঁচা মরিচে ক্যাপসেইসিনের পরিমাণ বেশি। কাঁচা মরিচে ভিটামিন সি অনেক। তাই রান্নায় বা সালাদে কাঁচা মরিচ থাকলে ভালো। আবার দেখা গেছে, সবুজ কাঁচা মরিচের চেয়ে লাল রঙের তাজা কাঁচা মরিচ আরও ভালো। এই গুণ পাওয়া যাবে ক্যাপসিকামেও।

তাই ঝাল মানেই খারাপ, এ ধারণা ভুল। তেলবিহীন বা ভাজাপোড়া ছাড়া খাবার যেমন চটপটি, কাঁচা ছোলা, সালাদ, ফল ইত্যাদিতে কাঁচা মরিচের টুকরা দিয়ে খাওয়া হৃদ্‌রোগীদের জন্য বেশ ভালো একটি নাশতা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ঝাল খাওয়া কি খারাপ ?

আপডেট সময় : ০২:১১:৩০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২০ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

হৃদ্‌রোগীদের সাধারণভাবে বলা হয় ঝাল মসলাযুক্ত খাবার কম খেতে। আসলেই কি মসলা বা ঝাল তাদের জন্য খারাপ? তেল–চর্বিযুক্ত খাবার বা রিচ ফুড খারাপ তো বটেই। কেননা, এগুলো রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ায়, যা রক্তনালিতে ব্লক বা বাধা তৈরি করে। কিন্তু ঝাল তো আর চর্বি বা তেল নয়। ২০১৫ সালে হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি গবেষণায় দেখান যে যাঁরা মোটেও ঝাল খান না, তাঁদের তুলনায় যাঁরা প্রতিদিন বা সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ঝাল খান, তাঁদের হৃদ্‌রোগ, ফুসফুস ও ক্যানসারজনিত রোগে মৃত্যুহার কম।

ঝালের মূল উপাদান হলো ক্যাপসেইসিন। এর নানামুখী উপকারিতা আছে। যেমন-

এক. এটি পরিপাকতন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সরিয়ে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ায়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে ও বিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে।

দুই.  ডায়াবেটিসের রোগীদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ক্যাপসেইসিনের ভূমিকা আছে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ভালো।

তিন. ক্যাপসেইসিন একধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও রক্তনালিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়।

চার. হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির স্নায়ুগুলো ক্যাপসেইসিনে সংবেদনশীল। এই স্নায়ুগুলোর সুস্থতায় ভূমিকা রাখে এই উপাদান।

কী ধরনের ঝাল ভালো?

শুকনো বা গুঁড়া মরিচের তুলনায় কাঁচা মরিচে ক্যাপসেইসিনের পরিমাণ বেশি। কাঁচা মরিচে ভিটামিন সি অনেক। তাই রান্নায় বা সালাদে কাঁচা মরিচ থাকলে ভালো। আবার দেখা গেছে, সবুজ কাঁচা মরিচের চেয়ে লাল রঙের তাজা কাঁচা মরিচ আরও ভালো। এই গুণ পাওয়া যাবে ক্যাপসিকামেও।

তাই ঝাল মানেই খারাপ, এ ধারণা ভুল। তেলবিহীন বা ভাজাপোড়া ছাড়া খাবার যেমন চটপটি, কাঁচা ছোলা, সালাদ, ফল ইত্যাদিতে কাঁচা মরিচের টুকরা দিয়ে খাওয়া হৃদ্‌রোগীদের জন্য বেশ ভালো একটি নাশতা।