বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রমজানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কয়রা বাজার তদারকি Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্যোক্তা সম্মাননা প্রদান, সাংবাদিক ও সুধীজনদের সম্মানে ইফতার স্বপ্ন, সাহস ও সাফল্যের ছয় বছরে বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার গৌরবময় ইতিহাস Logo পলাশবাড়ীতে ভুয়া মালিক সাজিয়ে ভূমি অধিগ্রহণের ১৮ লাখ উত্তোলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন  Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা

বর্ষায় শিশুর যত্নে ৭টি পরামর্শ !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:১২:৩৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ জুলাই ২০১৭
  • ৮১৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বর্ষা এলে আবহাওয়া ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলায়। কখনো মুষলধারে বৃষ্টি, আবার কখনো ঘাম ঝরানো রোদ। অনেকটাই গরম ও ঠাণ্ডা মেলানো আবহাওয়া। যা আমাদের শরীরের জন্য মোটেই সুখকর নয়। বড়রা অনেক ক্ষেত্রে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাহায্যে ছোট ছোট সমস্যা থেকে মুক্তি পেলেও শিশুরা কিন্তু এমন বৈরি আবহাওয়ায় নানা রোগের ঝুঁকিতে থাকে।

তাই এই ঋতুতে পরিবারের শিশুদের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

বর্ষায় শিশুর যত্নে যা যা করতে হবে:

১. বর্ষাকালে ত্বক ভেজা থাকলে সহজেই ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে। তাই এ ঋতুতে শিশুর ত্বক সবসময় শুকনো রাখতে হবে।

২. শিশুর শরীরে বৃষ্টির পানি লাগলে দ্রুত পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে ও শরীর ভালোভাবে মুছে দিতে হবে।

৩. শিশুকে এ ঋতুতে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কারণ জলীয়বাষ্পজনিত আবহাওয়ায় ত্বকে ময়লা জমে খোস-পাঁচড়াসহ সহজেই নানা ধরনের ইনফেকশন হতে পারে।

৪. বর্ষাকালে স্কুলে যাওয়ার সময় শিশুকে অবশ্যই রেইনকোট, ছাতা, গামবুট ব্যবহার করতে হবে। শরীরে কাদা, ময়লা পানি লাগলে তা পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৫. খোলামেলা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিশুকে খেলতে দিতে হবে। গরমে শিশু ঘেমে গেলে শিশুর ত্বকে বেবি পাউডার ব্যবহার করতে হবে।

৬. বর্ষাকালে শিশুকে ভিটামিন-সি জাতীয় ফলমূল ও পানি জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে। সেইসঙ্গে শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

৭. শিশুর বসবাস ও খেলার জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতি সপ্তাহে শিশুর হাত, পায়ের নখ কেটে দিতে হবে ও খেয়াল রাখতে হবে আঙুলের ফাঁকে পানি জমে গিয়ে যেন সেখানে কোনো ছত্রাকের জন্ম না হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এ ঋতুতে সবচেয়ে বেশি জরুরী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কয়রা বাজার তদারকি

বর্ষায় শিশুর যত্নে ৭টি পরামর্শ !

আপডেট সময় : ০১:১২:৩৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বর্ষা এলে আবহাওয়া ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলায়। কখনো মুষলধারে বৃষ্টি, আবার কখনো ঘাম ঝরানো রোদ। অনেকটাই গরম ও ঠাণ্ডা মেলানো আবহাওয়া। যা আমাদের শরীরের জন্য মোটেই সুখকর নয়। বড়রা অনেক ক্ষেত্রে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাহায্যে ছোট ছোট সমস্যা থেকে মুক্তি পেলেও শিশুরা কিন্তু এমন বৈরি আবহাওয়ায় নানা রোগের ঝুঁকিতে থাকে।

তাই এই ঋতুতে পরিবারের শিশুদের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

বর্ষায় শিশুর যত্নে যা যা করতে হবে:

১. বর্ষাকালে ত্বক ভেজা থাকলে সহজেই ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে। তাই এ ঋতুতে শিশুর ত্বক সবসময় শুকনো রাখতে হবে।

২. শিশুর শরীরে বৃষ্টির পানি লাগলে দ্রুত পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে ও শরীর ভালোভাবে মুছে দিতে হবে।

৩. শিশুকে এ ঋতুতে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কারণ জলীয়বাষ্পজনিত আবহাওয়ায় ত্বকে ময়লা জমে খোস-পাঁচড়াসহ সহজেই নানা ধরনের ইনফেকশন হতে পারে।

৪. বর্ষাকালে স্কুলে যাওয়ার সময় শিশুকে অবশ্যই রেইনকোট, ছাতা, গামবুট ব্যবহার করতে হবে। শরীরে কাদা, ময়লা পানি লাগলে তা পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৫. খোলামেলা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিশুকে খেলতে দিতে হবে। গরমে শিশু ঘেমে গেলে শিশুর ত্বকে বেবি পাউডার ব্যবহার করতে হবে।

৬. বর্ষাকালে শিশুকে ভিটামিন-সি জাতীয় ফলমূল ও পানি জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে। সেইসঙ্গে শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

৭. শিশুর বসবাস ও খেলার জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতি সপ্তাহে শিশুর হাত, পায়ের নখ কেটে দিতে হবে ও খেয়াল রাখতে হবে আঙুলের ফাঁকে পানি জমে গিয়ে যেন সেখানে কোনো ছত্রাকের জন্ম না হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এ ঋতুতে সবচেয়ে বেশি জরুরী।