বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

সুস্থ থাকার ৭ উপায় !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০১৭
  • ৮০৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সুস্থ থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, তা কেবল অসুস্থ হলেই টের পাওয়া যায়। শরীর সুস্থ না থাকলে মনও ভালো থাকবে না। তাই শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য সচেষ্ট হতে হবে আপনাকেই। আর তার জন্য বাড়তি কিছু করার দরকার নেই। প্রতিদিনের কাজগুলো একটু নিয়ম মেনে করলেই আপনার সুস্থ থাকা ঠেকায় কে!

১. সকালে ভোর ৬ টার পর পরই ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করা উচিত। এতে করে সকালের আলো দেহে ভিটামিন ডি তৈরি করে এবং বাতাস মস্তিষ্ক ও চোখকে সতেজ রাখে।

২. সকালে মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করলে সহজে কোন পেটের রোগও হয় না। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম, হাটাহাটি ও জগিং এর অভ্যাস করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দেহ থাকে সুস্থ।

৩. সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেহের সুস্থতার জন্য। সকালে ২/৩ গ্লাস পানি পান করা উচিত। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। খালি পেটে চা/কফি পান করবেন না একেবারেই। ভারী নাস্তার শেষে চা/কফি পান করুন।

৪. খাবার খাওয়ার মাঝে কখনোই পানি পান করবেন না। খাবার খাওয়ার পূর্বে পানি পান করে নিন। এতে খাবার কম খাবেন যা দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করবে। খাওয়ার মাঝে পানি পান করলে পরিপাকক্রিয়াতে বাঁধা আসে এবং হজমে সমস্যা হয়। খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করবেন।

৫. দুপুরে খাবার সময় ১ টা এবং রাতে খাবার সময় ৮ টার আগে হওয়া উচিত। কারণ দুপুরে দেরি করে খেলে আপনার খাওয়া বেশি হবে ফলে আপনার ওজন বাড়বে এবং বেশি রাতে খাবার খেলে খাবার ঠিকমত হজম হওয়ার সময় পাওয়া যায় না যা আপনার রাতের ঘুমও নষ্ট করে দেবে। রাতে খাওয়ার অন্তত এক ঘন্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিত।

৭. কড়া রোদ থেকে এসেই পানি পান করা উচিৎ নয়। এতে আমাদের দেহ হুট করে নিজের অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে পারে না যার ফলে দেহের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতায় প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং কড়া রোদ থেকে এসে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে পানি পান করা ভালো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

সুস্থ থাকার ৭ উপায় !

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

সুস্থ থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, তা কেবল অসুস্থ হলেই টের পাওয়া যায়। শরীর সুস্থ না থাকলে মনও ভালো থাকবে না। তাই শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য সচেষ্ট হতে হবে আপনাকেই। আর তার জন্য বাড়তি কিছু করার দরকার নেই। প্রতিদিনের কাজগুলো একটু নিয়ম মেনে করলেই আপনার সুস্থ থাকা ঠেকায় কে!

১. সকালে ভোর ৬ টার পর পরই ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করা উচিত। এতে করে সকালের আলো দেহে ভিটামিন ডি তৈরি করে এবং বাতাস মস্তিষ্ক ও চোখকে সতেজ রাখে।

২. সকালে মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করলে সহজে কোন পেটের রোগও হয় না। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম, হাটাহাটি ও জগিং এর অভ্যাস করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দেহ থাকে সুস্থ।

৩. সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেহের সুস্থতার জন্য। সকালে ২/৩ গ্লাস পানি পান করা উচিত। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। খালি পেটে চা/কফি পান করবেন না একেবারেই। ভারী নাস্তার শেষে চা/কফি পান করুন।

৪. খাবার খাওয়ার মাঝে কখনোই পানি পান করবেন না। খাবার খাওয়ার পূর্বে পানি পান করে নিন। এতে খাবার কম খাবেন যা দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করবে। খাওয়ার মাঝে পানি পান করলে পরিপাকক্রিয়াতে বাঁধা আসে এবং হজমে সমস্যা হয়। খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করবেন।

৫. দুপুরে খাবার সময় ১ টা এবং রাতে খাবার সময় ৮ টার আগে হওয়া উচিত। কারণ দুপুরে দেরি করে খেলে আপনার খাওয়া বেশি হবে ফলে আপনার ওজন বাড়বে এবং বেশি রাতে খাবার খেলে খাবার ঠিকমত হজম হওয়ার সময় পাওয়া যায় না যা আপনার রাতের ঘুমও নষ্ট করে দেবে। রাতে খাওয়ার অন্তত এক ঘন্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিত।

৭. কড়া রোদ থেকে এসেই পানি পান করা উচিৎ নয়। এতে আমাদের দেহ হুট করে নিজের অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে পারে না যার ফলে দেহের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতায় প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং কড়া রোদ থেকে এসে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে পানি পান করা ভালো।