মঙ্গলবার | ২৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে ঈদুল ফিতর উদযাপন: বন্দিদের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ

অনার্সে ভর্তি হতে পারলেন না মানিকগঞ্জের দুই বোন!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:১৬ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৮৫২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

লেখাপড়ায় আগ্রহী দুই বোন বিনু খান ও ফাতেমা মিজান। বাড়ি মানিকগঞ্জের জয়রা নতুন বসতি এলাকায়। কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাস করার পর উচ্চশিার জন্য অনার্সে ভর্তি হতে গিয়ে যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল এই দুই বোনের। যোগ্যতা থাকার পরেও শিা বিভাগের কর্তব্যে অবহেলার কারণে আবেদন করতে পারেননি তারা। ফলে দুই বোনের উচ্চশিায় শিতি হওয়া অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে অনার্সের ভর্তি আবেদনের শেষ তারিখ। পরে বাধ্য হয়ে উচ্চশিার সুযোগ সৃষ্টির জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিামন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন এই দুই বোন।
ভুক্তভোগী ছাত্রীদ্বয় বিনু খান ও ফাতেমা মিজান জানান, ২০১৩ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) থেকে তারা দুই বোন এসএসসি পাস করে। এরপর মানিকগঞ্জ খানবাহাদুর আওলাদ হোসেন খান কলেজ থেকে কারিগরি শিা বোর্ডের অধীনে ২০১৬ সালে এইচএসসি পরীায় উত্তীর্ণ হয়। এবার অনার্সের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে অনলাইনে বারবার চেষ্টা করেও ভর্তির আবেদন ফরম ফিলাপ করতে পারলেন না।
ভর্তির আবেদনপত্রে এসএসসি ও এইচএসসি পরীায় যাবতীয় তথ্য সংযোগ করতে হয়। ২০১৬ সালে এইচএসসি পরীার তথ্য ওয়েবসাইটে থাকলেও ২০১৩ সালে বাউবি থেকে এসএসসি পরীার তথ্য ওয়েবসাইটে না থাকায় সেখানে ইনভ্যালিড লেখা উঠছে।
যে কারণে অনলাইনে ভর্তির আবেদন ফরম ফিলাপ করতে পারল না। এরপর মানিকগঞ্জ জেলা বাউবি অফিসে দুই বোন যোগাযোগ করলে তাদের বাউবি প্রধান কার্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
গত বুধবার এই দুই বোন বাউবি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে তাদের সমস্যার কথা বলেন। কিন্তু কর্তৃপ তাদের কাছে বলেনি কেন তারা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনলাইনে ভর্তির আবেদন করতে পারল না।
বাধ্য হয়ে বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌসের মাধ্যমে শিামন্ত্রীর কাছে তাদের উচ্চশিার সুযোগের আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌস জানান, দুই বোনের উচ্চশিার আগ্রহের বিষয়ে শিামন্ত্রীর কাছে আবেদনপত্রটি বৃহস্পতিবার বিকেলে শিাসচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, এই দুই বোন যেন উচ্চশিায় ভর্তির আবেদনের সুযোগ পান সেটা তিনিও চান।
অপর দিকে গাজীপুর বাউবির প্রধান কার্যালয়ে স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিসেস ডিভিশনের পরিচালক আতিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার পারর্সোনাল অ্যাসিস্টেন্ট (পিএ) ফরিদা পারভীন জানান, ২০১৩ সালে বাউবি থেকে যারা এসএসসি পাস করেছে তারা এবার অনার্সে ভর্তি হতে পারছে না। কারণ তাদের শিাগত যোগ্যতার তথ্য ওয়েবসাইটে নেই। অথচ যারা ২০১২ সালে এসএসসি পাস করেছেন তাদের শিাগত যোগ্যতার তথ্য ওয়েবসাইটে রয়েছে। যে কারণে ২০১২ সালে এসএসসি পাস করা শিার্থীরা অনলাইনে অনার্সে ভর্তি আবেদন করতে পেরেছেন। এবার কী কারণে ২০১৩ সালে এসএসসি পরীার শিার্থীরা অনার্সের অনলাইনে আবেদন করতে পারলেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সাথে বাউবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কথা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি কিছু তার জানা নেই বলে জানান।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার

অনার্সে ভর্তি হতে পারলেন না মানিকগঞ্জের দুই বোন!

আপডেট সময় : ১১:২৯:১৬ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

লেখাপড়ায় আগ্রহী দুই বোন বিনু খান ও ফাতেমা মিজান। বাড়ি মানিকগঞ্জের জয়রা নতুন বসতি এলাকায়। কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাস করার পর উচ্চশিার জন্য অনার্সে ভর্তি হতে গিয়ে যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল এই দুই বোনের। যোগ্যতা থাকার পরেও শিা বিভাগের কর্তব্যে অবহেলার কারণে আবেদন করতে পারেননি তারা। ফলে দুই বোনের উচ্চশিায় শিতি হওয়া অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে অনার্সের ভর্তি আবেদনের শেষ তারিখ। পরে বাধ্য হয়ে উচ্চশিার সুযোগ সৃষ্টির জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিামন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন এই দুই বোন।
ভুক্তভোগী ছাত্রীদ্বয় বিনু খান ও ফাতেমা মিজান জানান, ২০১৩ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) থেকে তারা দুই বোন এসএসসি পাস করে। এরপর মানিকগঞ্জ খানবাহাদুর আওলাদ হোসেন খান কলেজ থেকে কারিগরি শিা বোর্ডের অধীনে ২০১৬ সালে এইচএসসি পরীায় উত্তীর্ণ হয়। এবার অনার্সের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে অনলাইনে বারবার চেষ্টা করেও ভর্তির আবেদন ফরম ফিলাপ করতে পারলেন না।
ভর্তির আবেদনপত্রে এসএসসি ও এইচএসসি পরীায় যাবতীয় তথ্য সংযোগ করতে হয়। ২০১৬ সালে এইচএসসি পরীার তথ্য ওয়েবসাইটে থাকলেও ২০১৩ সালে বাউবি থেকে এসএসসি পরীার তথ্য ওয়েবসাইটে না থাকায় সেখানে ইনভ্যালিড লেখা উঠছে।
যে কারণে অনলাইনে ভর্তির আবেদন ফরম ফিলাপ করতে পারল না। এরপর মানিকগঞ্জ জেলা বাউবি অফিসে দুই বোন যোগাযোগ করলে তাদের বাউবি প্রধান কার্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
গত বুধবার এই দুই বোন বাউবি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে তাদের সমস্যার কথা বলেন। কিন্তু কর্তৃপ তাদের কাছে বলেনি কেন তারা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনলাইনে ভর্তির আবেদন করতে পারল না।
বাধ্য হয়ে বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌসের মাধ্যমে শিামন্ত্রীর কাছে তাদের উচ্চশিার সুযোগের আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌস জানান, দুই বোনের উচ্চশিার আগ্রহের বিষয়ে শিামন্ত্রীর কাছে আবেদনপত্রটি বৃহস্পতিবার বিকেলে শিাসচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, এই দুই বোন যেন উচ্চশিায় ভর্তির আবেদনের সুযোগ পান সেটা তিনিও চান।
অপর দিকে গাজীপুর বাউবির প্রধান কার্যালয়ে স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিসেস ডিভিশনের পরিচালক আতিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার পারর্সোনাল অ্যাসিস্টেন্ট (পিএ) ফরিদা পারভীন জানান, ২০১৩ সালে বাউবি থেকে যারা এসএসসি পাস করেছে তারা এবার অনার্সে ভর্তি হতে পারছে না। কারণ তাদের শিাগত যোগ্যতার তথ্য ওয়েবসাইটে নেই। অথচ যারা ২০১২ সালে এসএসসি পাস করেছেন তাদের শিাগত যোগ্যতার তথ্য ওয়েবসাইটে রয়েছে। যে কারণে ২০১২ সালে এসএসসি পাস করা শিার্থীরা অনলাইনে অনার্সে ভর্তি আবেদন করতে পেরেছেন। এবার কী কারণে ২০১৩ সালে এসএসসি পরীার শিার্থীরা অনার্সের অনলাইনে আবেদন করতে পারলেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সাথে বাউবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কথা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি কিছু তার জানা নেই বলে জানান।