মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

কানাডার নাগরিকত্ব পেলেন মালালা !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৭
  • ৮০৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানি অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাইকে কানাডার অবৈতনিক নাগরিকত্ব দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন  হয়েছে। ২০১৪ সালে মালালাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেয় কানাডা। বুধবার দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো তার পূর্বসূরীর ঘোষণা বাস্তবায়ন করেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। বিবিসি লিখেছে, সমাজসেবা ও মানবাধিকারে অবদান রাখার জন্য এ পুরস্কার দেয় কানাডা সরকার।

২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হার্পার মালালাকে নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের নারী অধিকার কর্মী মালালা ১২ এপ্রিল কানাডা পৌঁছে পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখবেন এবং এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানসূচক কানাডীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করবেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার অটোয়ায় মালালাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ সময় অভিবাসন মন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিকত্ব পাওয়ার পর মালালা কানাডার পার্লামেন্টে ১৫ মিনিট বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, মালালা ছাড়াও আরও পাঁচ ব্যক্তিকে কানাডা অবৈতনিক নাগরিকত্ব দিয়েছে। তারা হলেন— রাউল ইউলেনবার্গ, নেলসন ম্যান্ডেলা, দালাইলামা, অং সান সু চি এবং আগা খান। এ সম্মানসূচক নাগরিকত্বে পাসপোর্ট পাওয়া বা ভোটাধিকারের কোনো সুযোগ নেই।

মেয়েদের শিক্ষাগ্রহণ এবং স্কুলে যাওয়ার অধিকারের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলায় ১৫ বছর বয়সে মালালা ইউসুফজাই তালেবান হামলাকারীদের গুলির শিকার হন। ওই যাত্রায় বেঁচে যাওয়ার পর থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন নারীশিক্ষা এবং নারী অধিকারের আন্তর্জাতিক মুখপাত্র। এসব কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই মালালাকে ২০১৪ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

কানাডার নাগরিকত্ব পেলেন মালালা !

আপডেট সময় : ০১:১৮:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানি অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাইকে কানাডার অবৈতনিক নাগরিকত্ব দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন  হয়েছে। ২০১৪ সালে মালালাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেয় কানাডা। বুধবার দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো তার পূর্বসূরীর ঘোষণা বাস্তবায়ন করেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। বিবিসি লিখেছে, সমাজসেবা ও মানবাধিকারে অবদান রাখার জন্য এ পুরস্কার দেয় কানাডা সরকার।

২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হার্পার মালালাকে নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের নারী অধিকার কর্মী মালালা ১২ এপ্রিল কানাডা পৌঁছে পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখবেন এবং এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানসূচক কানাডীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করবেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার অটোয়ায় মালালাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ সময় অভিবাসন মন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিকত্ব পাওয়ার পর মালালা কানাডার পার্লামেন্টে ১৫ মিনিট বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, মালালা ছাড়াও আরও পাঁচ ব্যক্তিকে কানাডা অবৈতনিক নাগরিকত্ব দিয়েছে। তারা হলেন— রাউল ইউলেনবার্গ, নেলসন ম্যান্ডেলা, দালাইলামা, অং সান সু চি এবং আগা খান। এ সম্মানসূচক নাগরিকত্বে পাসপোর্ট পাওয়া বা ভোটাধিকারের কোনো সুযোগ নেই।

মেয়েদের শিক্ষাগ্রহণ এবং স্কুলে যাওয়ার অধিকারের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলায় ১৫ বছর বয়সে মালালা ইউসুফজাই তালেবান হামলাকারীদের গুলির শিকার হন। ওই যাত্রায় বেঁচে যাওয়ার পর থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন নারীশিক্ষা এবং নারী অধিকারের আন্তর্জাতিক মুখপাত্র। এসব কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই মালালাকে ২০১৪ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।