শুক্রবার | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য Logo ছন্দে ফিরছে ঝিনাইদহ জেলা, একযুগ পর ঝিনাইদহ পেল সফল জেলা প্রশাসক একের পর এক ঝিনাইদহ শহর দখলমুক্ত করছেন জেলা প্রশাসক, আমজনতার অভিনন্দন Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার Logo রাষ্ট্র বিনির্মাণের ডাক: সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

কানাডার নাগরিকত্ব পেলেন মালালা !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানি অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাইকে কানাডার অবৈতনিক নাগরিকত্ব দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন  হয়েছে। ২০১৪ সালে মালালাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেয় কানাডা। বুধবার দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো তার পূর্বসূরীর ঘোষণা বাস্তবায়ন করেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। বিবিসি লিখেছে, সমাজসেবা ও মানবাধিকারে অবদান রাখার জন্য এ পুরস্কার দেয় কানাডা সরকার।

২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হার্পার মালালাকে নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের নারী অধিকার কর্মী মালালা ১২ এপ্রিল কানাডা পৌঁছে পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখবেন এবং এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানসূচক কানাডীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করবেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার অটোয়ায় মালালাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ সময় অভিবাসন মন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিকত্ব পাওয়ার পর মালালা কানাডার পার্লামেন্টে ১৫ মিনিট বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, মালালা ছাড়াও আরও পাঁচ ব্যক্তিকে কানাডা অবৈতনিক নাগরিকত্ব দিয়েছে। তারা হলেন— রাউল ইউলেনবার্গ, নেলসন ম্যান্ডেলা, দালাইলামা, অং সান সু চি এবং আগা খান। এ সম্মানসূচক নাগরিকত্বে পাসপোর্ট পাওয়া বা ভোটাধিকারের কোনো সুযোগ নেই।

মেয়েদের শিক্ষাগ্রহণ এবং স্কুলে যাওয়ার অধিকারের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলায় ১৫ বছর বয়সে মালালা ইউসুফজাই তালেবান হামলাকারীদের গুলির শিকার হন। ওই যাত্রায় বেঁচে যাওয়ার পর থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন নারীশিক্ষা এবং নারী অধিকারের আন্তর্জাতিক মুখপাত্র। এসব কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই মালালাকে ২০১৪ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান

কানাডার নাগরিকত্ব পেলেন মালালা !

আপডেট সময় : ০১:১৮:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানি অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাইকে কানাডার অবৈতনিক নাগরিকত্ব দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন  হয়েছে। ২০১৪ সালে মালালাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেয় কানাডা। বুধবার দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো তার পূর্বসূরীর ঘোষণা বাস্তবায়ন করেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। বিবিসি লিখেছে, সমাজসেবা ও মানবাধিকারে অবদান রাখার জন্য এ পুরস্কার দেয় কানাডা সরকার।

২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হার্পার মালালাকে নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের নারী অধিকার কর্মী মালালা ১২ এপ্রিল কানাডা পৌঁছে পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখবেন এবং এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানসূচক কানাডীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করবেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার অটোয়ায় মালালাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ সময় অভিবাসন মন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিকত্ব পাওয়ার পর মালালা কানাডার পার্লামেন্টে ১৫ মিনিট বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, মালালা ছাড়াও আরও পাঁচ ব্যক্তিকে কানাডা অবৈতনিক নাগরিকত্ব দিয়েছে। তারা হলেন— রাউল ইউলেনবার্গ, নেলসন ম্যান্ডেলা, দালাইলামা, অং সান সু চি এবং আগা খান। এ সম্মানসূচক নাগরিকত্বে পাসপোর্ট পাওয়া বা ভোটাধিকারের কোনো সুযোগ নেই।

মেয়েদের শিক্ষাগ্রহণ এবং স্কুলে যাওয়ার অধিকারের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলায় ১৫ বছর বয়সে মালালা ইউসুফজাই তালেবান হামলাকারীদের গুলির শিকার হন। ওই যাত্রায় বেঁচে যাওয়ার পর থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন নারীশিক্ষা এবং নারী অধিকারের আন্তর্জাতিক মুখপাত্র। এসব কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই মালালাকে ২০১৪ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।