ভারতীয় ঋণে সড়ক সংস্কারের যন্ত্রপাতি কেনা হবে!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:৩০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৪ জানুয়ারি ২০১৭
  • ৭৪৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

দেশের সড়ক অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি নেই। আর সরকার এসব কেনার জন্য ভারত সরকার থেকে ঋণ নিচ্ছে। আধুনিক ও অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি কেনা হবে। ঋণের শর্ত হলো এসব সরঞ্জাম তাদের কাছ থেকেই কিনতে হবে। আর দেশের ১৫৬টি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি চলমান। এখন আবার ব্যয় বৃদ্ধির অনুমোদন দেয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ফায়ার সার্ভিস ও সড়ক নির্মাণের প্রকল্পটিসহ ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান। অনুমোদিত ৬ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২ হাজার ৪৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। যার মধ্যে সরকারি অর্থায়ন হবে ২ হাজার ২ কোটা ৩৫লাখ টাকা।

সড়কের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ভারত থেকে ৪৭২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ঋণ নেয়া হবে। বাক ১১৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকারকে দিতে হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় ঋণে সড়ক সংস্কারের যন্ত্রপাতি কেনা হবে!

আপডেট সময় : ০৬:১১:৩০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৪ জানুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

দেশের সড়ক অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি নেই। আর সরকার এসব কেনার জন্য ভারত সরকার থেকে ঋণ নিচ্ছে। আধুনিক ও অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি কেনা হবে। ঋণের শর্ত হলো এসব সরঞ্জাম তাদের কাছ থেকেই কিনতে হবে। আর দেশের ১৫৬টি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি চলমান। এখন আবার ব্যয় বৃদ্ধির অনুমোদন দেয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ফায়ার সার্ভিস ও সড়ক নির্মাণের প্রকল্পটিসহ ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান। অনুমোদিত ৬ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২ হাজার ৪৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। যার মধ্যে সরকারি অর্থায়ন হবে ২ হাজার ২ কোটা ৩৫লাখ টাকা।

সড়কের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ভারত থেকে ৪৭২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ঋণ নেয়া হবে। বাক ১১৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকারকে দিতে হবে।