আইএসকে সমর্থন দেয়ায় টেক জায়ান্টদের বিরুদ্ধে মামলা !

  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৭৭৮ বার পড়া হয়েছে

ইসলামিক স্টেট বা আইএসকে বস্তুগত সমর্থন দেয়ায় টুইটার, ফেসবুক ও গুগলের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলা করেছে অরলান্ডো নাইটক্লাব গোলাগুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবার। মামলার নথিতে বাদীদের দাবি, তিন কোম্পানি আইএসকে সন্ত্রাসী প্রচারণা, তহবিল সংগ্রহ ও নতুনদের প্রলুব্ধ করার ক্ষেত্রে তাদের স্ব স্ব সোশ্যাল নেটওয়ার্কে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে।

(জুন মাসে অরলান্ডো নাইটক্লাবে হামলা করে এক বন্দুকধারী। এতে নিহত হন ৪৯ জন। আইএসের সাথে ওই বন্দুকধারীর সংশ্লিষ্টতার খবর সামনে এসেছে বার বার। )

মামলার নথিতে উল্লেখ, বিগত কয়েক বছরে আইএসের ভয়ংকর উত্থানের পেছনে রয়েছে টুইটার, ফেসবুক ও গুগল। এদের ছাড়া আইএসের ওই রকম ভয়ংকর উত্থান সম্ভবই নয়। এ ব্যাপারে সিএনএন মানিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেন, ফেসবুকে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িতদের যেমন জায়গা নেই, তেমনই এমন কর্মকাণ্ডে সমর্থন দেয় যেসব বিষয়বস্তু সেসবেরও জায়গা নেই। যখনই এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পেয়েছি সাথে সাথেই পদক্ষেপ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, অরলান্ডো নাইটক্লাব গোলাগুলিতে নিহত ব্যক্তিবর্গ ও তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা রয়েছে। তবে এই মামলার ব্যাপারে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় টুইটার। আর যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে বক্তব্য পাওয়া যায়নি গুগলের পক্ষ থেকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইএসকে সমর্থন দেয়ায় টেক জায়ান্টদের বিরুদ্ধে মামলা !

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৬

ইসলামিক স্টেট বা আইএসকে বস্তুগত সমর্থন দেয়ায় টুইটার, ফেসবুক ও গুগলের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলা করেছে অরলান্ডো নাইটক্লাব গোলাগুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবার। মামলার নথিতে বাদীদের দাবি, তিন কোম্পানি আইএসকে সন্ত্রাসী প্রচারণা, তহবিল সংগ্রহ ও নতুনদের প্রলুব্ধ করার ক্ষেত্রে তাদের স্ব স্ব সোশ্যাল নেটওয়ার্কে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে।

(জুন মাসে অরলান্ডো নাইটক্লাবে হামলা করে এক বন্দুকধারী। এতে নিহত হন ৪৯ জন। আইএসের সাথে ওই বন্দুকধারীর সংশ্লিষ্টতার খবর সামনে এসেছে বার বার। )

মামলার নথিতে উল্লেখ, বিগত কয়েক বছরে আইএসের ভয়ংকর উত্থানের পেছনে রয়েছে টুইটার, ফেসবুক ও গুগল। এদের ছাড়া আইএসের ওই রকম ভয়ংকর উত্থান সম্ভবই নয়। এ ব্যাপারে সিএনএন মানিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেন, ফেসবুকে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িতদের যেমন জায়গা নেই, তেমনই এমন কর্মকাণ্ডে সমর্থন দেয় যেসব বিষয়বস্তু সেসবেরও জায়গা নেই। যখনই এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পেয়েছি সাথে সাথেই পদক্ষেপ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, অরলান্ডো নাইটক্লাব গোলাগুলিতে নিহত ব্যক্তিবর্গ ও তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা রয়েছে। তবে এই মামলার ব্যাপারে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় টুইটার। আর যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে বক্তব্য পাওয়া যায়নি গুগলের পক্ষ থেকে।