বঙ্গোপসাগরীয় ৭ দেশের জোটের মধ্যে সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:২২:১২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ৭১৩ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গোপসাগরীয় সাত দেশের জোটের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবহনে সহায়তার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে সই করেছেন বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ।

বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হোটেলে বিমসটেক মন্ত্রী পর্যায়ের ২০তম বৈঠকের আগে জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তিটি সই করেন।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পযার্য়ের বৈঠকে যোগ দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখ রোহিঙ্গার বিষয়টি উত্থাপন করেন তিনি। একইসঙ্গে মিয়ানমারের থেকে জোর করে বাস্তুচ্যুত এসব নাগরিকের (রোহিঙ্গা) অধিকার ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের ভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

ট্যাগস :

বঙ্গোপসাগরীয় ৭ দেশের জোটের মধ্যে সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই

আপডেট সময় : ১২:২২:১২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

বঙ্গোপসাগরীয় সাত দেশের জোটের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবহনে সহায়তার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে সই করেছেন বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ।

বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হোটেলে বিমসটেক মন্ত্রী পর্যায়ের ২০তম বৈঠকের আগে জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তিটি সই করেন।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পযার্য়ের বৈঠকে যোগ দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখ রোহিঙ্গার বিষয়টি উত্থাপন করেন তিনি। একইসঙ্গে মিয়ানমারের থেকে জোর করে বাস্তুচ্যুত এসব নাগরিকের (রোহিঙ্গা) অধিকার ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের ভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।