বৃহস্পতিবার | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo ১৭ জানুয়ারি বায়রার ভোট গ্রহণ: সিন্ডিকেট মুক্ত বায়রা গঠনে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্টকে জয়যুক্ত করার আহ্বান Logo ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজারে বসত ঘরে আগুন, অগ্নি দগ্ধ শিশু Logo ভারতীয় নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ Logo বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক Logo আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন চাঁদপুর-২ আসনে লেবার পার্টির নাসিমা নাজনীন সরকার Logo আমরা বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে সাতক্ষীরার ৯নং ওয়ার্ডে তারেক রহমানের ৮ দফা রাষ্ট্র বিনির্মাণ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ Logo আবেদনের শর্ত পূরণ ছাড়াই খুবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি

জীবননগরে বিভিন্ন ইটভাটার পতিত জমিতে হচ্ছে ফসল উৎপাদন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৫৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৮০০ বার পড়া হয়েছে

জীবননগর উপজেলার ১৪টি ইটভাটার পতিত জমির মাঠগুলো এখন সবুজ ফসলে ভরে উঠেছে। ইটভাটার জমিতে ফসল চাষ হয় না, এ ধারণা ভুল প্রমাণ করে জীবননগরের ইটভাটার মালিকরা ভাটার পতিত জমিতে ফসল ফলাচ্ছেন। ইটভাটা ব্যবসায়ীরা জানান, বছরের যে সময়টায় ইট পোড়ানো বন্ধ থাকে, সে সময় পতিত জমিতে ধান চাষ করছেন তারা। ভালো ফসল হওয়ায় শ্রমিকদের কাজের ব্যবস্থাও হচ্ছে সেখানে।

ইটভাটা ব্যবসায়ীরা বলেন, বছরের অর্ধেক সময় ইটভাটাগুলোতে ইট পোড়ানো হয়। বাকি সময় ভাটা বন্ধ থাকে। এসময় ভাটার শ্রমিকেরাও কর্মহীন হয়ে পরে। কিন্তু সম্প্রতি উপজেলার ১৪টি ভাটার ১২০ বিঘা জমিতে ধান, মিষ্টি কুমড়া, কলাসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করা হচ্ছে। যেখানে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন ভাটার শ্রমিকরা। এতে শ্রমিকদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থার পাশাপাশি দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরণেও সহায়ক হচ্ছে।

ইটভাটা শ্রমিক আতিয়ার রহমান, আবুল হোসেন ও মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রতি বছরের ৬ মাস ভাটায় কাজ করি। বর্ষা মৌসুমে ভাটা বন্ধ থাকে, এসময় আমাদের কর্মহীন থাকতে হয়। তবে ইটভাটা মালিকরা এখন ভাটার পতিত জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ধরনের চাষাবাদ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে আমরা কাজের সুযোগ পাচ্ছি।’
পিয়াস ইটভাটার মালিক পিয়াস মিয়া বলেন, ‘এ বছর ইটভাটার ১২ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। ভাটার শ্রমিকরা তা পরিচর্যা করছে। গত বছর ধান চাষ করেছিলাম, এবারও করেছি। এ বছর প্রতি মণ ধান বাজারে ১২০০-১২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধান চাষ লাভজনক হওয়ায় শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি খাদ্য চাহিদা পূরণেও অবদান রাখতে পারছি।’

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. কামাল হোসেন বলেন, ইটভাটার জমিগুলো এক সময় পড়ে থাকতো। এখন চাষের আওতায় আসছে। ভাটা বন্ধের সময় ধান, সবজি, ফলসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে ইটভাটা মালিকদের পতিত জমিতে চাষে আগ্রহী করে তুলতে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। সঠিক পরামর্শসহ তাদের সব ধরনের সহযোগিতাও করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ

জীবননগরে বিভিন্ন ইটভাটার পতিত জমিতে হচ্ছে ফসল উৎপাদন

আপডেট সময় : ০৭:০১:৫৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জীবননগর উপজেলার ১৪টি ইটভাটার পতিত জমির মাঠগুলো এখন সবুজ ফসলে ভরে উঠেছে। ইটভাটার জমিতে ফসল চাষ হয় না, এ ধারণা ভুল প্রমাণ করে জীবননগরের ইটভাটার মালিকরা ভাটার পতিত জমিতে ফসল ফলাচ্ছেন। ইটভাটা ব্যবসায়ীরা জানান, বছরের যে সময়টায় ইট পোড়ানো বন্ধ থাকে, সে সময় পতিত জমিতে ধান চাষ করছেন তারা। ভালো ফসল হওয়ায় শ্রমিকদের কাজের ব্যবস্থাও হচ্ছে সেখানে।

ইটভাটা ব্যবসায়ীরা বলেন, বছরের অর্ধেক সময় ইটভাটাগুলোতে ইট পোড়ানো হয়। বাকি সময় ভাটা বন্ধ থাকে। এসময় ভাটার শ্রমিকেরাও কর্মহীন হয়ে পরে। কিন্তু সম্প্রতি উপজেলার ১৪টি ভাটার ১২০ বিঘা জমিতে ধান, মিষ্টি কুমড়া, কলাসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করা হচ্ছে। যেখানে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন ভাটার শ্রমিকরা। এতে শ্রমিকদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থার পাশাপাশি দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরণেও সহায়ক হচ্ছে।

ইটভাটা শ্রমিক আতিয়ার রহমান, আবুল হোসেন ও মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রতি বছরের ৬ মাস ভাটায় কাজ করি। বর্ষা মৌসুমে ভাটা বন্ধ থাকে, এসময় আমাদের কর্মহীন থাকতে হয়। তবে ইটভাটা মালিকরা এখন ভাটার পতিত জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ধরনের চাষাবাদ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে আমরা কাজের সুযোগ পাচ্ছি।’
পিয়াস ইটভাটার মালিক পিয়াস মিয়া বলেন, ‘এ বছর ইটভাটার ১২ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। ভাটার শ্রমিকরা তা পরিচর্যা করছে। গত বছর ধান চাষ করেছিলাম, এবারও করেছি। এ বছর প্রতি মণ ধান বাজারে ১২০০-১২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধান চাষ লাভজনক হওয়ায় শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি খাদ্য চাহিদা পূরণেও অবদান রাখতে পারছি।’

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. কামাল হোসেন বলেন, ইটভাটার জমিগুলো এক সময় পড়ে থাকতো। এখন চাষের আওতায় আসছে। ভাটা বন্ধের সময় ধান, সবজি, ফলসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে ইটভাটা মালিকদের পতিত জমিতে চাষে আগ্রহী করে তুলতে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। সঠিক পরামর্শসহ তাদের সব ধরনের সহযোগিতাও করা হচ্ছে।