শুক্রবার | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য Logo ছন্দে ফিরছে ঝিনাইদহ জেলা, একযুগ পর ঝিনাইদহ পেল সফল জেলা প্রশাসক একের পর এক ঝিনাইদহ শহর দখলমুক্ত করছেন জেলা প্রশাসক, আমজনতার অভিনন্দন Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

কড়ই গাছ কেটে ফেলায় পিসিপির প্রতিবাদ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪
  • ৮০৮ বার পড়া হয়েছে

নীলকন্ঠ ডেক্সঃ

খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজে ঐতিহাসিক কড়ইতলা নামে খ্যাত কড়ই গাছটি কেটে ফেলায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।

শুক্রবার (১২ জুলাই) পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি অঙ্কন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা এক যুক্ত বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

কড়ই গাছটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে পিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা বলেন, লোগাং গণহত্যার (১০ এপ্রিল ১৯৯২) প্রতিবাদে পিসিপির নেতৃত্বে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের কড়ইতলা হতে ২৮ এপ্রিল লোগাং অভিমুখে এক ঐতিহাসিক পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পদযাত্রায় তৎকালীন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছিলেন। কলেজের একাডেমী ভবন-০২ এর পাশে কড়ই গাছের পাদদেশ থেকে শুরু হওয়ায় স্থানটি পার্বত্য চট্টগ্রামের লড়াই সংগ্রামের ইতিহাসে ঐতিহাসিক কড়ইতলা নামে পরিচিতি পায়।

তিনি আরো বলেন, পিসিপি নেতৃদ্বয় লোগাং লং মার্চ ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্রসমাজ তথা জনগণের আবেগ-অনুভূতির প্রতি সম্মান জানাতে ঐতিহাসিক স্মারকচিহ্ন হিসেবে কলেজ চত্বরে কর্তিত গাছটির গুড়ি বিশেষভাবে সংরক্ষণ এবং পাশে নতুন একটি উন্নত প্রজাতির কড়ই গাছ লাগানোর দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ৯ জুলাই ২০২৪ কলেজ প্রশাসন লোগাং লং মার্চের ঐতিহাসিক কড়ই গাছটি কেটে ফেলে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সঠিক ও সংগ্রামী ইতিহাস মুছে ফেলতে রাষ্ট্রযন্ত্র উঠেপড়ে লেগেছে। নতুন প্রজন্মকে সঠিক ও সংগ্রামী ইতিহাস ভুলিয়ে রেখে সংগ্রাম বিমুখ করে রাখতে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের পদক্ষেপ গৃহীত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঐতিহাসিক বহু জায়গার নাম পরিবর্তন করে গৌরবময় অতীত মুছে ফেলার হীন প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান

কড়ই গাছ কেটে ফেলায় পিসিপির প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪

নীলকন্ঠ ডেক্সঃ

খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজে ঐতিহাসিক কড়ইতলা নামে খ্যাত কড়ই গাছটি কেটে ফেলায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।

শুক্রবার (১২ জুলাই) পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি অঙ্কন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা এক যুক্ত বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

কড়ই গাছটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে পিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা বলেন, লোগাং গণহত্যার (১০ এপ্রিল ১৯৯২) প্রতিবাদে পিসিপির নেতৃত্বে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের কড়ইতলা হতে ২৮ এপ্রিল লোগাং অভিমুখে এক ঐতিহাসিক পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পদযাত্রায় তৎকালীন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছিলেন। কলেজের একাডেমী ভবন-০২ এর পাশে কড়ই গাছের পাদদেশ থেকে শুরু হওয়ায় স্থানটি পার্বত্য চট্টগ্রামের লড়াই সংগ্রামের ইতিহাসে ঐতিহাসিক কড়ইতলা নামে পরিচিতি পায়।

তিনি আরো বলেন, পিসিপি নেতৃদ্বয় লোগাং লং মার্চ ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্রসমাজ তথা জনগণের আবেগ-অনুভূতির প্রতি সম্মান জানাতে ঐতিহাসিক স্মারকচিহ্ন হিসেবে কলেজ চত্বরে কর্তিত গাছটির গুড়ি বিশেষভাবে সংরক্ষণ এবং পাশে নতুন একটি উন্নত প্রজাতির কড়ই গাছ লাগানোর দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ৯ জুলাই ২০২৪ কলেজ প্রশাসন লোগাং লং মার্চের ঐতিহাসিক কড়ই গাছটি কেটে ফেলে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সঠিক ও সংগ্রামী ইতিহাস মুছে ফেলতে রাষ্ট্রযন্ত্র উঠেপড়ে লেগেছে। নতুন প্রজন্মকে সঠিক ও সংগ্রামী ইতিহাস ভুলিয়ে রেখে সংগ্রাম বিমুখ করে রাখতে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের পদক্ষেপ গৃহীত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঐতিহাসিক বহু জায়গার নাম পরিবর্তন করে গৌরবময় অতীত মুছে ফেলার হীন প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে।