মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

মাত্র ৪৮ ঘন্টায় হত্যার রহস্য উম্মোচন! মাদকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে লিটনকে জবাই করে হত্যা করে বন্ধুরা

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০
  • ৯০০ বার পড়া হয়েছে

বায়েজীদ (গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি) :

পাওনা টাকা পরিশোধ না করে নতুন মোবাইল ফোনটি হস্তগত করার জন্যই বন্ধুদের হাতে নির্মমভাবে খুন হয় লিটন। হত্যাকারীরা সবাই মাদকাসক্ত একত্রে মাদক গ্রহণের পর লিটনকে নেশা ভালো হবে বলে একটি ট্যাবলেট খাইতে বলে তার বন্ধু নূর হোসেন। বন্ধুর কথামত নেশার সাথে অচেতন  ট্যাবলেট খাইলে লিটন অচেতন হয়ে পড়ে।

এরপর নূর হোসেনের নেতৃত্বে আনোয়ারসহ তিন-চারজন মিলে লিটনকে জবাই করে হত্যা করে।

এদিকে  পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ৪৮  ঘণ্টার মধ্যে এই আলোচিত হত্যায় জড়িত রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে খুনিরা আদালতে লিটন হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।

আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান চলছে। পুরো হত্যাকাণ্ড ঘটেছে শুধুমাত্র পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য।

আসামিদের নিকট মৃত লিটন ধারে টাকা দিয়েছিল আসামিরা ইতিমধ্যেই আদালতে লিটন হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে।

খুনের বর্ণনা শুনলে গা শিউরে ওঠে এমন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন গাইবান্ধা জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল  আসাদুজ্জামান আসাদ এর নেতৃত্বে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের চৌকস একটি দল দ্রুততম সময়ে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম জানান গত ৪ ডিসেম্বর গোবিন্দগঞ্জের হীরক পাড়ার একটি কলা বাগানের ভীতর হতে গলাকাটা অবস্থায় লিটন কে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে নিহতের পিতা আশরাফ আলী বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত আসামিদের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আরো জানান মামলা দায়েরের পর থেকেই তথ্য প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামি নূর হোসেনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর খুনে ব্যবহৃত চাকু ও মৃত লিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের আসামি নূর হোসেন ও আনোয়ার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামির জবানবন্দি বরাত দিয়ে বলেন আসামিরা পরস্পর বন্ধু এবং একই এলাকার বাসিন্দা প্রায়ই তারা একত্রে নির্জন স্থানে মাদক সেবন করতো।

ঘটনার দিন তারা একত্রে মাদক সেবনের পর অচেতন লিটনের হাত পা চেপে ধরে জবাই করে।

গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার গোবিন্দগঞ্জ থানা ভাগ দরিয়া গ্রামের জামিরুল  ইসলামের ছেলে ও নূর হোসেনে একই গ্রামের বাচ্চা মিয়ার ছেলে এছাড়াও আসামি রনি কুমার মহন্ত বর্ধনকুঠি গ্রামের বিস্বজিত মহন্তের ছেলে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

মাত্র ৪৮ ঘন্টায় হত্যার রহস্য উম্মোচন! মাদকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে লিটনকে জবাই করে হত্যা করে বন্ধুরা

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০

বায়েজীদ (গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি) :

পাওনা টাকা পরিশোধ না করে নতুন মোবাইল ফোনটি হস্তগত করার জন্যই বন্ধুদের হাতে নির্মমভাবে খুন হয় লিটন। হত্যাকারীরা সবাই মাদকাসক্ত একত্রে মাদক গ্রহণের পর লিটনকে নেশা ভালো হবে বলে একটি ট্যাবলেট খাইতে বলে তার বন্ধু নূর হোসেন। বন্ধুর কথামত নেশার সাথে অচেতন  ট্যাবলেট খাইলে লিটন অচেতন হয়ে পড়ে।

এরপর নূর হোসেনের নেতৃত্বে আনোয়ারসহ তিন-চারজন মিলে লিটনকে জবাই করে হত্যা করে।

এদিকে  পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ৪৮  ঘণ্টার মধ্যে এই আলোচিত হত্যায় জড়িত রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে খুনিরা আদালতে লিটন হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।

আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান চলছে। পুরো হত্যাকাণ্ড ঘটেছে শুধুমাত্র পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য।

আসামিদের নিকট মৃত লিটন ধারে টাকা দিয়েছিল আসামিরা ইতিমধ্যেই আদালতে লিটন হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে।

খুনের বর্ণনা শুনলে গা শিউরে ওঠে এমন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন গাইবান্ধা জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল  আসাদুজ্জামান আসাদ এর নেতৃত্বে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের চৌকস একটি দল দ্রুততম সময়ে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম জানান গত ৪ ডিসেম্বর গোবিন্দগঞ্জের হীরক পাড়ার একটি কলা বাগানের ভীতর হতে গলাকাটা অবস্থায় লিটন কে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে নিহতের পিতা আশরাফ আলী বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত আসামিদের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আরো জানান মামলা দায়েরের পর থেকেই তথ্য প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামি নূর হোসেনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর খুনে ব্যবহৃত চাকু ও মৃত লিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের আসামি নূর হোসেন ও আনোয়ার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামির জবানবন্দি বরাত দিয়ে বলেন আসামিরা পরস্পর বন্ধু এবং একই এলাকার বাসিন্দা প্রায়ই তারা একত্রে নির্জন স্থানে মাদক সেবন করতো।

ঘটনার দিন তারা একত্রে মাদক সেবনের পর অচেতন লিটনের হাত পা চেপে ধরে জবাই করে।

গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার গোবিন্দগঞ্জ থানা ভাগ দরিয়া গ্রামের জামিরুল  ইসলামের ছেলে ও নূর হোসেনে একই গ্রামের বাচ্চা মিয়ার ছেলে এছাড়াও আসামি রনি কুমার মহন্ত বর্ধনকুঠি গ্রামের বিস্বজিত মহন্তের ছেলে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।