বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে সাহেদ

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৫২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  • ৭৭৪ বার পড়া হয়েছে

সুমন আলী খান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় জালাল উদ্দিন (৫৭) এর লাশ বাড়িতে রেখে ছেলে আবু সাহেদকে এসএসসি পরীক্ষার হলে যেতে হয়েছে। গতকাল বুধবার এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। জালাল উদ্দিন নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের সদরঘাট গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩:৩০মিনিটে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। বুধবার সকাল ১১টায় সদরঘাট মাঝ পাড়া জামে মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানা যায়, জালাল উদ্দিনে আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী, গ্রাম ও আশপাশের এলাকার মানুষ অংশ নেন। তবে সে সময় তাঁর ছেলে আবু সাহেদ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের দিনারপুর কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রে ইংরেজি (আবশ্যিক) ২য় পত্রের পরীক্ষা দিচ্ছিল। আবু সাহেদ দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। বুধবার পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সাহেদ পরীক্ষার উত্তরপত্রে লিখছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আবু সাহেদ বলে, ‘আমি হলাম সেই সন্তান যে তার বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়েছে। দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, সাহেদ খুব নম্ন ভদ্র ছেলে ছাত্র হিসেবেও সে মেধাবী, এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীর শোকাহত ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে সাহেদ

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৫২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সুমন আলী খান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় জালাল উদ্দিন (৫৭) এর লাশ বাড়িতে রেখে ছেলে আবু সাহেদকে এসএসসি পরীক্ষার হলে যেতে হয়েছে। গতকাল বুধবার এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। জালাল উদ্দিন নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের সদরঘাট গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩:৩০মিনিটে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। বুধবার সকাল ১১টায় সদরঘাট মাঝ পাড়া জামে মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানা যায়, জালাল উদ্দিনে আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী, গ্রাম ও আশপাশের এলাকার মানুষ অংশ নেন। তবে সে সময় তাঁর ছেলে আবু সাহেদ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের দিনারপুর কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রে ইংরেজি (আবশ্যিক) ২য় পত্রের পরীক্ষা দিচ্ছিল। আবু সাহেদ দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। বুধবার পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সাহেদ পরীক্ষার উত্তরপত্রে লিখছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আবু সাহেদ বলে, ‘আমি হলাম সেই সন্তান যে তার বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়েছে। দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, সাহেদ খুব নম্ন ভদ্র ছেলে ছাত্র হিসেবেও সে মেধাবী, এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীর শোকাহত ।