শিরোনাম :
Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন Logo সিরাজদিখানে মরহুম হাজী জয়নাল আবেদীন মাষ্টার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের দুটি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় হামলার প্রতিবাদে খুবিতে প্রকৌশল অধিকার দাবিতে মানববন্ধন Logo চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন প্রবাসফেরত ইসমাইল হোসেন Logo চিত্রা-নড়াইল জেলা ছাত্রকল্যাণ ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে আরমান ও বোরহান Logo চাঁদপুর সদরের জনবান্ধব ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে লক্ষ্মীপুরের এডিসি পদে বদলী Logo বেরোবিতে ভর্তি পরীক্ষার আসন বরাদ্দে অনিময়ের অভিযোগ ; প্রশাসন বলছে শিক্ষার্থীদের বুঝার ভুল Logo প্রকাশিত হয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক নুরুন্নাহার মুন্নির সাহিত্য পত্রিকা ‘আখ্যান’ Logo পলাশবাড়ী পৌর এলাকায় জমি জবর দখলের অভিযোগ Logo প্রবাসফেরত ইসমাইলের পাশে দাঁড়ালেন এনসিপি নেতা ডা. আরিফুল ইসলাম

মাগুরায় আমের আগাম মুকুল !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ফাল্গুন এখনো আসেনি, শীতও শেষ হয়নি। অথচ এরই মধ্যে মাগুরার কিছু আম গাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মাস খানেক আগে আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে মূলত আমে মুকুল আসতে শুরু করেছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের ভেতরে আম গাছে আগাম মুকুলের দেখা মিলেছে। তবে পুরোপুরিভাবে মুকুল ফুটতে আরো কিছুটা সময় লাগবে। যেসব গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে, তার মালিকরা পরিচর্যা শুরু করেছেন।

কৃষি বিভাগ জানান, আমের অঞ্চল বলতে এক সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীকে বোঝাত। এখন অবস্থা ভিন্ন। মাগুরায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রায় সব জাতের আমের উৎপাদন হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছর বাড়ছে আমের আবাদ।

কৃষকেরা জানান, শীতের তীব্রতা থাকলেও গেল সপ্তাহ থেকে আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। সদর উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা, শালিখা উপজেলা ও মহম্মদপুর উপজেলায় রয়েছে বড় বড় আমবাগান।

প্রতি বছর আম বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। জেলার ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। ২০০৪ সালের পর থেকে আম বাগানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এ সব বাগানে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, আশ্বিনা জাতের আমই বেশি। সেই সঙ্গে গবেষণাকৃত বারি-৩, বারি-৪ জাতের আমের বাগান তৈরিতেও আগ্রহী হয়ে উঠছে কেউ কেউ।

মাগুরা সদরের আবালপুর এলাকার আম চাষি আজিজুর রহমান হোসেন বলেন, আম গাছের পরিচর্যা শুরু করেছেন। বিশেষ করে সম্ভাব্য মুকুলের শাখা পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য স্প্রে করা হচ্ছে।

মহম্মদপুর সদরের আম বাগান মালিক আকতারুজ্জামান বলেন, আমের মুকুল আসা শুরু হয়েছে। তবে গুটি ও আশ্বিনা জাতেই বেশি।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক পার্থ প্রতীম সাহা, আগাম যেসব গাছে মুকুল আসছে, তা কেবল আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে। এবার শীতের তীব্রতা ও তাপমাত্রার কারণে গাছে মুকুল দেখা যাচ্ছে।
তিনি জানান, মূলত তিনটি পর্যায়ে আমের মুকুল আসে। যার প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

মাগুরায় আমের আগাম মুকুল !

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ফাল্গুন এখনো আসেনি, শীতও শেষ হয়নি। অথচ এরই মধ্যে মাগুরার কিছু আম গাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মাস খানেক আগে আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে মূলত আমে মুকুল আসতে শুরু করেছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের ভেতরে আম গাছে আগাম মুকুলের দেখা মিলেছে। তবে পুরোপুরিভাবে মুকুল ফুটতে আরো কিছুটা সময় লাগবে। যেসব গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে, তার মালিকরা পরিচর্যা শুরু করেছেন।

কৃষি বিভাগ জানান, আমের অঞ্চল বলতে এক সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীকে বোঝাত। এখন অবস্থা ভিন্ন। মাগুরায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রায় সব জাতের আমের উৎপাদন হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছর বাড়ছে আমের আবাদ।

কৃষকেরা জানান, শীতের তীব্রতা থাকলেও গেল সপ্তাহ থেকে আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। সদর উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা, শালিখা উপজেলা ও মহম্মদপুর উপজেলায় রয়েছে বড় বড় আমবাগান।

প্রতি বছর আম বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। জেলার ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। ২০০৪ সালের পর থেকে আম বাগানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এ সব বাগানে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, আশ্বিনা জাতের আমই বেশি। সেই সঙ্গে গবেষণাকৃত বারি-৩, বারি-৪ জাতের আমের বাগান তৈরিতেও আগ্রহী হয়ে উঠছে কেউ কেউ।

মাগুরা সদরের আবালপুর এলাকার আম চাষি আজিজুর রহমান হোসেন বলেন, আম গাছের পরিচর্যা শুরু করেছেন। বিশেষ করে সম্ভাব্য মুকুলের শাখা পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য স্প্রে করা হচ্ছে।

মহম্মদপুর সদরের আম বাগান মালিক আকতারুজ্জামান বলেন, আমের মুকুল আসা শুরু হয়েছে। তবে গুটি ও আশ্বিনা জাতেই বেশি।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক পার্থ প্রতীম সাহা, আগাম যেসব গাছে মুকুল আসছে, তা কেবল আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে। এবার শীতের তীব্রতা ও তাপমাত্রার কারণে গাছে মুকুল দেখা যাচ্ছে।
তিনি জানান, মূলত তিনটি পর্যায়ে আমের মুকুল আসে। যার প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে।