মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

মাগুরায় আমের আগাম মুকুল !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭
  • ৮৪৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ফাল্গুন এখনো আসেনি, শীতও শেষ হয়নি। অথচ এরই মধ্যে মাগুরার কিছু আম গাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মাস খানেক আগে আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে মূলত আমে মুকুল আসতে শুরু করেছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের ভেতরে আম গাছে আগাম মুকুলের দেখা মিলেছে। তবে পুরোপুরিভাবে মুকুল ফুটতে আরো কিছুটা সময় লাগবে। যেসব গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে, তার মালিকরা পরিচর্যা শুরু করেছেন।

কৃষি বিভাগ জানান, আমের অঞ্চল বলতে এক সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীকে বোঝাত। এখন অবস্থা ভিন্ন। মাগুরায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রায় সব জাতের আমের উৎপাদন হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছর বাড়ছে আমের আবাদ।

কৃষকেরা জানান, শীতের তীব্রতা থাকলেও গেল সপ্তাহ থেকে আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। সদর উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা, শালিখা উপজেলা ও মহম্মদপুর উপজেলায় রয়েছে বড় বড় আমবাগান।

প্রতি বছর আম বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। জেলার ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। ২০০৪ সালের পর থেকে আম বাগানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এ সব বাগানে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, আশ্বিনা জাতের আমই বেশি। সেই সঙ্গে গবেষণাকৃত বারি-৩, বারি-৪ জাতের আমের বাগান তৈরিতেও আগ্রহী হয়ে উঠছে কেউ কেউ।

মাগুরা সদরের আবালপুর এলাকার আম চাষি আজিজুর রহমান হোসেন বলেন, আম গাছের পরিচর্যা শুরু করেছেন। বিশেষ করে সম্ভাব্য মুকুলের শাখা পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য স্প্রে করা হচ্ছে।

মহম্মদপুর সদরের আম বাগান মালিক আকতারুজ্জামান বলেন, আমের মুকুল আসা শুরু হয়েছে। তবে গুটি ও আশ্বিনা জাতেই বেশি।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক পার্থ প্রতীম সাহা, আগাম যেসব গাছে মুকুল আসছে, তা কেবল আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে। এবার শীতের তীব্রতা ও তাপমাত্রার কারণে গাছে মুকুল দেখা যাচ্ছে।
তিনি জানান, মূলত তিনটি পর্যায়ে আমের মুকুল আসে। যার প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

মাগুরায় আমের আগাম মুকুল !

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ফাল্গুন এখনো আসেনি, শীতও শেষ হয়নি। অথচ এরই মধ্যে মাগুরার কিছু আম গাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মাস খানেক আগে আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে মূলত আমে মুকুল আসতে শুরু করেছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের ভেতরে আম গাছে আগাম মুকুলের দেখা মিলেছে। তবে পুরোপুরিভাবে মুকুল ফুটতে আরো কিছুটা সময় লাগবে। যেসব গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে, তার মালিকরা পরিচর্যা শুরু করেছেন।

কৃষি বিভাগ জানান, আমের অঞ্চল বলতে এক সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীকে বোঝাত। এখন অবস্থা ভিন্ন। মাগুরায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রায় সব জাতের আমের উৎপাদন হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছর বাড়ছে আমের আবাদ।

কৃষকেরা জানান, শীতের তীব্রতা থাকলেও গেল সপ্তাহ থেকে আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। সদর উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা, শালিখা উপজেলা ও মহম্মদপুর উপজেলায় রয়েছে বড় বড় আমবাগান।

প্রতি বছর আম বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। জেলার ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। ২০০৪ সালের পর থেকে আম বাগানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এ সব বাগানে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, আশ্বিনা জাতের আমই বেশি। সেই সঙ্গে গবেষণাকৃত বারি-৩, বারি-৪ জাতের আমের বাগান তৈরিতেও আগ্রহী হয়ে উঠছে কেউ কেউ।

মাগুরা সদরের আবালপুর এলাকার আম চাষি আজিজুর রহমান হোসেন বলেন, আম গাছের পরিচর্যা শুরু করেছেন। বিশেষ করে সম্ভাব্য মুকুলের শাখা পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য স্প্রে করা হচ্ছে।

মহম্মদপুর সদরের আম বাগান মালিক আকতারুজ্জামান বলেন, আমের মুকুল আসা শুরু হয়েছে। তবে গুটি ও আশ্বিনা জাতেই বেশি।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক পার্থ প্রতীম সাহা, আগাম যেসব গাছে মুকুল আসছে, তা কেবল আবহাওয়াগত ও জাতের কারণে। এবার শীতের তীব্রতা ও তাপমাত্রার কারণে গাছে মুকুল দেখা যাচ্ছে।
তিনি জানান, মূলত তিনটি পর্যায়ে আমের মুকুল আসে। যার প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে।