রবিবার | ১ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী Logo খুবির ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হামলার দাবি আইআরজিসি’র Logo সাদুল্লাপুরের ছাত্রলীগ নেতা বানিয়ে গ্রেফতার : দুই মাস কারাবন্দি, নবজাতকসহ তিন সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী Logo পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন Logo শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাল ‘বিজয়ী: চাঁদপুরে ১৫০ শিক্ষার্থী পেল নতুন পোশাক Logo ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত Logo হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস Logo জলবায়ু সহনশীল গ্রাম গঠনে উদ্যোগ, শ্যামনগরে সক্রিয় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স Logo ইরানের ৩১ প্রদেশের ২০টিতেই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৭ খুন মামলায় ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:১১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭
  • ৮১১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুন মামলায় প্রধান চার আসামি নাসিকের সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাব-১১-এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, মেজর (অব.) আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার (অব.) মাসুদ রানাসহ ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। মামলার বাকি ৯ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, আলোচিত এই মামলায় উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত বছর ৩০ নভেম্বর রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন আদালত।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নাসিকের সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাব-১১’র চাকরিচ্যুত সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, মেজর (অব.) আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার (অব.) মাসুদ রানাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। র‌্যাবে কর্মরত ছিলেন এমন আরও ১৩ জনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- এসআই পূর্ণেন্দু বালা, হাবিলদার এমদাদুল হক, কনস্টেবল শিহাব উদ্দিন, আরওজি-১ আরিফ হোসেন, ল্যান্সনায়েক হীরা মিয়া, বেলাল হোসেন, সৈনিক আবদুল আলীম, সিপাহী আবু তৈয়্যব, সিপাহী আসাদুজ্জামান নূর, সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সী, সৈনিক আলামিন শরীফ, সৈনিক তাজুল ইসলাম ও সার্জেন্ট এনামুল কবির।

ফাঁসির আদেশ পাওয়া বাকিদের মধ্যে নূর হোসেনের ৯ সহযোগী ভারতে গ্রেফতারকৃত সেলিম, সানাউল্লাহ সানা, শাহজাহান, জামাল উদ্দিন, মোর্তুজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান দীপু, রহম আলী ও আবুল বাশার।

বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া ৯ জনও র‌্যাবের বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা ও সদস্য। তাদের মধ্যে কনস্টেবল হাবিবুর রহমানকে ১৭ বছর, এএসআই আবুল কালাম আজাদ, এএসআই কামাল হোসেন, কনস্টেবল বাবুল হাসান, কর্পোরাল মোখলেসুর রহমান, ল্যান্স কর্পোরাল রুহুল আমিন ও সিপাহী নুরুজ্জামান ১০ বছর এবং এএসআই বজলুর রহমান ও হাবিলদার নাসির উদ্দিনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

এদিকে, রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত প্রাঙ্গনে আনন্দ মিছিল করে আইনজীবীরা। কারণ ওই ৭ জন নিহতের মধ্যে ছিলেন তাদের এক সহকর্মী প্রবীণ আইনজীবী চন্দন সরকার।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর ৬ জনের লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এর একদিন পর অপরজনের লাশও একই স্থানে পাওয়া যায়।

এ ঘটনার পর এককটি মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল এবং অপরটির বাদী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। মামলা দুটির চার্জশিটে ৩৫ জন অভিন্ন আসামি। তাদের মধ্যে ২৩ জন গ্রেফতার ও ১২ জন পলাতক আছেন।

ট্যাগস :

ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

৭ খুন মামলায় ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ !

আপডেট সময় : ১১:৫২:১১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুন মামলায় প্রধান চার আসামি নাসিকের সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাব-১১-এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, মেজর (অব.) আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার (অব.) মাসুদ রানাসহ ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। মামলার বাকি ৯ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, আলোচিত এই মামলায় উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত বছর ৩০ নভেম্বর রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন আদালত।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নাসিকের সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাব-১১’র চাকরিচ্যুত সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, মেজর (অব.) আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার (অব.) মাসুদ রানাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। র‌্যাবে কর্মরত ছিলেন এমন আরও ১৩ জনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- এসআই পূর্ণেন্দু বালা, হাবিলদার এমদাদুল হক, কনস্টেবল শিহাব উদ্দিন, আরওজি-১ আরিফ হোসেন, ল্যান্সনায়েক হীরা মিয়া, বেলাল হোসেন, সৈনিক আবদুল আলীম, সিপাহী আবু তৈয়্যব, সিপাহী আসাদুজ্জামান নূর, সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সী, সৈনিক আলামিন শরীফ, সৈনিক তাজুল ইসলাম ও সার্জেন্ট এনামুল কবির।

ফাঁসির আদেশ পাওয়া বাকিদের মধ্যে নূর হোসেনের ৯ সহযোগী ভারতে গ্রেফতারকৃত সেলিম, সানাউল্লাহ সানা, শাহজাহান, জামাল উদ্দিন, মোর্তুজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান দীপু, রহম আলী ও আবুল বাশার।

বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া ৯ জনও র‌্যাবের বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা ও সদস্য। তাদের মধ্যে কনস্টেবল হাবিবুর রহমানকে ১৭ বছর, এএসআই আবুল কালাম আজাদ, এএসআই কামাল হোসেন, কনস্টেবল বাবুল হাসান, কর্পোরাল মোখলেসুর রহমান, ল্যান্স কর্পোরাল রুহুল আমিন ও সিপাহী নুরুজ্জামান ১০ বছর এবং এএসআই বজলুর রহমান ও হাবিলদার নাসির উদ্দিনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

এদিকে, রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত প্রাঙ্গনে আনন্দ মিছিল করে আইনজীবীরা। কারণ ওই ৭ জন নিহতের মধ্যে ছিলেন তাদের এক সহকর্মী প্রবীণ আইনজীবী চন্দন সরকার।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর ৬ জনের লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এর একদিন পর অপরজনের লাশও একই স্থানে পাওয়া যায়।

এ ঘটনার পর এককটি মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল এবং অপরটির বাদী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। মামলা দুটির চার্জশিটে ৩৫ জন অভিন্ন আসামি। তাদের মধ্যে ২৩ জন গ্রেফতার ও ১২ জন পলাতক আছেন।