রবিবার | ২২ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে ঈদুল ফিতর উদযাপন: বন্দিদের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ

জেনে নিন আপনার ব্লাড গ্রুপ কী ‘o’?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৩৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৯৩৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সাধারণত যাদের ব্লাড ‘O’ গ্রুপের, তারা নাকি সর্বদা নিজেদের ‘উদার’ প্রতিপন্ন করার একটা চেষ্টা করে থাকেন। তাছাড়া জাপানিরা মনে করেন, O গ্রুপের মানুষজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী।

যে কারণে জাপানে চাকরির ইন্টারভিউতে আগে প্রার্থীল ব্লাড গ্রুপ জানা হয়। যদি O হয় তো সোনায় সোহাগা। বাকিদের থেকে কয়েক কদম এগিয়েই তারা শুরু করেন। এর কারণ হল, O গ্রুপের অসাধারণ দায়িত্বজ্ঞানবোধ। যে কোন কাজ কাঁধে নিলে, নিশ্চিত ভাবেই তারা তা করে দেবেন। একটা শৃঙ্খলাবোধ পছন্দ করেন। পরিকল্পনা করে কাজে হাত দেন। গুছিয়ে কথা বলতে পারেন। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে চলেন। চারপাশ পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন। সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। যা-ই করুন, বাস্তবের মাটিতে পা থাকে। আবেগের বশে ভুলভাল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন না। এসব গুণের সমাহারের কারণেই কর্তৃপক্ষ চোখ বন্ধ করে O গ্রুপের লোকজনের উপর ভরসা করতে পারে। মনে করা হয়, এদের পূর্বসূরি ছিলেন দক্ষ শিকারি।

পরিশেষে এটা বোঝাই যাচ্ছে যে, সবাইকে রক্ত দিতে পারেন আর শুধু নিজের গ্রুপের রক্ত নিতে পারেন বলেই O গ্রুপের লোকজন ‘অনন্য’ নয়। O গ্রুপের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যর কারণেই তারা ইউনিক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার

জেনে নিন আপনার ব্লাড গ্রুপ কী ‘o’?

আপডেট সময় : ০৪:১১:৩৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

সাধারণত যাদের ব্লাড ‘O’ গ্রুপের, তারা নাকি সর্বদা নিজেদের ‘উদার’ প্রতিপন্ন করার একটা চেষ্টা করে থাকেন। তাছাড়া জাপানিরা মনে করেন, O গ্রুপের মানুষজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী।

যে কারণে জাপানে চাকরির ইন্টারভিউতে আগে প্রার্থীল ব্লাড গ্রুপ জানা হয়। যদি O হয় তো সোনায় সোহাগা। বাকিদের থেকে কয়েক কদম এগিয়েই তারা শুরু করেন। এর কারণ হল, O গ্রুপের অসাধারণ দায়িত্বজ্ঞানবোধ। যে কোন কাজ কাঁধে নিলে, নিশ্চিত ভাবেই তারা তা করে দেবেন। একটা শৃঙ্খলাবোধ পছন্দ করেন। পরিকল্পনা করে কাজে হাত দেন। গুছিয়ে কথা বলতে পারেন। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে চলেন। চারপাশ পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন। সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। যা-ই করুন, বাস্তবের মাটিতে পা থাকে। আবেগের বশে ভুলভাল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন না। এসব গুণের সমাহারের কারণেই কর্তৃপক্ষ চোখ বন্ধ করে O গ্রুপের লোকজনের উপর ভরসা করতে পারে। মনে করা হয়, এদের পূর্বসূরি ছিলেন দক্ষ শিকারি।

পরিশেষে এটা বোঝাই যাচ্ছে যে, সবাইকে রক্ত দিতে পারেন আর শুধু নিজের গ্রুপের রক্ত নিতে পারেন বলেই O গ্রুপের লোকজন ‘অনন্য’ নয়। O গ্রুপের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যর কারণেই তারা ইউনিক।