মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা : আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি হয়নি !

  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৯২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ৭৬ কেজি বোমা পুতে রাখার মামলায় আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করার কারণে আত্মপক্ষ শুনানি হয়নি।

মামলাটিতে মঙ্গলবার আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বন্দিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি। বন্দিদের হাজির করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার। কিন্তু পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ না পাওয়ায় আসামিদের আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। এজন্য রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করে। ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামি ১৬ এপ্রিল আত্মপক্ষ শুনানির পরবর্তী দিন ঠিক করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার কামাল হোসেন এতথ্য জানিয়েছেন।

গত ২৯ জানুয়ারি মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলাটিতে ৬৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশ করার কথা ছিল। ওই সমাবেশের প্যান্ডেল তৈরির সময়ে ২০ জুলাই কলেজের পাশ থেকে ৭৬ কেজি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই ঘটনার মামলায় সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অন্য আসামিরা হলেন মো. এহিবুল্লাহ, মুন্সি ইব্রাহিম, মো. মাহমুদ আজহার, মো. রাশেদ ড্রাইভার, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. ইউসুফ, মো. লোকমান, শেখ মো. এনামুল ও মো. মিজানুর রহমান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মুফতি আব্দুল হান্নান আফগানিস্তানে মুজাহিদ ট্রেনিংপ্রাপ্ত এবং সেখানে তিনি তালেবানদের পক্ষে যুদ্ধ করেন। তিনি দেশে ফিরে হরকাতুল জেহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশি নামক সংগঠনের সদস্য হন। তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য গোপালগঞ্জের বিসিক এলাকায় অবৈধভাবে সোনার বাংলা কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি সাবানের কারখানা স্থাপন করেন। সে কারখানায় আসামিদের নিয়োগ দিয়ে এবং সেখানে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। সাবান তৈরির কাঁচামাল আনার আড়ালে আসামি মুফতি হান্নান ও তার সহযোগী আসামিরা বোমা তৈরির উপকরণ কারখানায় এনে রাখত। প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আসার কথা শুনে মুফতি হান্নানসহ আসামিরা সাবান কারখানায় শক্তিশালী বোমা তৈরি করেন। তৈরির পর ২০০০ সালের ১৯ জুলাই সাবান কারখানার গাড়িতে করে কোটালীপাড়া এলাকায় নিয়ে রাতের আঁধারে পুতে রাখেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা : আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি হয়নি !

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ৭৬ কেজি বোমা পুতে রাখার মামলায় আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করার কারণে আত্মপক্ষ শুনানি হয়নি।

মামলাটিতে মঙ্গলবার আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বন্দিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি। বন্দিদের হাজির করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার। কিন্তু পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ না পাওয়ায় আসামিদের আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। এজন্য রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করে। ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামি ১৬ এপ্রিল আত্মপক্ষ শুনানির পরবর্তী দিন ঠিক করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার কামাল হোসেন এতথ্য জানিয়েছেন।

গত ২৯ জানুয়ারি মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলাটিতে ৬৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশ করার কথা ছিল। ওই সমাবেশের প্যান্ডেল তৈরির সময়ে ২০ জুলাই কলেজের পাশ থেকে ৭৬ কেজি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই ঘটনার মামলায় সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অন্য আসামিরা হলেন মো. এহিবুল্লাহ, মুন্সি ইব্রাহিম, মো. মাহমুদ আজহার, মো. রাশেদ ড্রাইভার, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. ইউসুফ, মো. লোকমান, শেখ মো. এনামুল ও মো. মিজানুর রহমান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মুফতি আব্দুল হান্নান আফগানিস্তানে মুজাহিদ ট্রেনিংপ্রাপ্ত এবং সেখানে তিনি তালেবানদের পক্ষে যুদ্ধ করেন। তিনি দেশে ফিরে হরকাতুল জেহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশি নামক সংগঠনের সদস্য হন। তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য গোপালগঞ্জের বিসিক এলাকায় অবৈধভাবে সোনার বাংলা কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি সাবানের কারখানা স্থাপন করেন। সে কারখানায় আসামিদের নিয়োগ দিয়ে এবং সেখানে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। সাবান তৈরির কাঁচামাল আনার আড়ালে আসামি মুফতি হান্নান ও তার সহযোগী আসামিরা বোমা তৈরির উপকরণ কারখানায় এনে রাখত। প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আসার কথা শুনে মুফতি হান্নানসহ আসামিরা সাবান কারখানায় শক্তিশালী বোমা তৈরি করেন। তৈরির পর ২০০০ সালের ১৯ জুলাই সাবান কারখানার গাড়িতে করে কোটালীপাড়া এলাকায় নিয়ে রাতের আঁধারে পুতে রাখেন।