বৃহস্পতিবার | ৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শিক্ষিত সমাজের সামজিক মানবিকতার অবক্ষয় এগিয়ে এলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার Logo বরিশালে আওয়ামী লীগের দু*র্ধর্ষ স*ন্ত্রাসী তারিকুল অ*স্ত্রসহ গ্রেপ্তার! Logo জীবননগর থানা মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ Logo দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি Logo নৌবাহিনী ও কয়রা থানা পুলিশের যৌথ চেকপোস্টে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক Logo জেলা বিএনপি সদস্য শামসুল হক প্রধানীয়ার পিতার মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া Logo জীবননগরে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া Logo বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বিত অংশীদারিত্ব চুক্তির আলোচনা শিগগিরই চূড়ান্ত হবে : ইইউ Logo ইন্টেরিয়োর ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শুভেচ্ছা Logo ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

কলম যাদের অস্ত্র, এবার ভোটের যুদ্ধে চাঁদপুর-৩ আসনে সাংবাদিকতা থেকে সংসদ নির্বাচনে ৫ প্রার্থী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. জয়নাল আবেদীন,বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এএইচ এম আহসান উল্ল্যাহ, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন, এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। 

চাঁদপুর–৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ ঘিরে এবার এক ব্যতিক্রমী ও বহুমাত্রিক রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ আসনে ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন প্রার্থী সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত—যা দেশের অন্যান্য নির্বাচনী এলাকার তুলনায় ব্যতিক্রমী এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ক্রমেই চাঁদপুর-৩ আসনের নির্বাচন রূপ নিচ্ছে এক ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক লড়াইয়ে। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত থেকে সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতির নানা অনিয়ম তুলে ধরা এই পাঁচ প্রার্থীর অংশগ্রহণ নির্বাচনী সমীকরণে যোগ করেছে নতুন মাত্রা ও ভিন্ন বাস্তবতা।
সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে আসা পাঁচ প্রার্থী হলেন: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া,
গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন,
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এএইচ এম আহসান উল্ল্যাহ, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. জয়নাল আবেদীন,
এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাংবাদিক প্রার্থীদের এমন সমবেত উপস্থিতি প্রচলিত দলীয় রাজনীতির একচেটিয়া আধিপত্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে। কারণ, এ প্রার্থীরা দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় সমস্যা, প্রশাসনিক অনিয়ম, সামাজিক বৈষম্য ও জনদুর্ভোগ নিয়ে লেখালেখি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ভোটারদের একটি অংশ তাদের দেখছেন ‘ক্ষমতার বাইরে থাকা সত্যের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া আশির দশক থেকে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রেখে আসছেন। দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সাবেক জেলা প্রতিনিধি ও বর্তমানে দৈনিক চাঁদপুর দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত ও প্রভাবশালী একটি নাম।

বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শেখ মো. জয়নাল আবেদীন তুলনামূলক নতুন হলেও দৈনিক নয়া প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে তিনি নিজস্ব রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শ তুলে ধরতে সক্রিয় রয়েছেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এএইচ এম আহসান উল্ল্যাহ দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক হিসেবে মাঠপর্যায়ের সংবাদ সংগ্রহ ও জনসমস্যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইছেন নির্বাচনী মাঠে।

গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা, নাগরিক অধিকার ও দুর্নীতিবিরোধী লেখালেখির কারণে স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন শিক্ষকতা, লেখালেখি ও সাংবাদিকতার সমন্বয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রগতিশীল রাজনীতির চর্চা করে আসছেন। তার রাজনৈতিক অবস্থান মূলত শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষিত তরুণ সমাজ ও বঞ্চিত শ্রেণিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, সাংবাদিকতা পেশা থেকে রাজনীতিতে আসা প্রার্থীরা নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন এক ধারা তৈরি করতে পারেন। তাদের ভাষ্য—দীর্ঘদিন কলমের মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা ব্যক্তিরা সংসদে গেলে আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতার প্রশ্নে আরও সোচ্চার ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

তবে অপর একটি অংশের মত, সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে এলেও নির্বাচনী রাজনীতির বাস্তবতা অত্যন্ত কঠিন। দলীয় কাঠামো, অর্থনৈতিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের সংগঠন ছাড়া জয়লাভ সহজ নয়। সে কারণে এ নির্বাচন মূলত যাচাই করবে—জনসমর্থন ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা কতটা শক্তিশালী হলে প্রচলিত রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে থেকেও টিকে থাকা সম্ভব।

বিশ্লেষকদের অভিমত, একই আসনে একাধিক সম্পাদক ও সাংবাদিক প্রার্থীর উপস্থিতি একদিকে ভোট বিভাজনের সম্ভাবনা তৈরি করলেও অন্যদিকে এটি মূলধারার রাজনীতির জন্য এক ধরনের সতর্কবার্তা। এ নির্বাচন প্রমাণ করতে পারে—জনগণের আস্থা অর্জনে এখন আর কেবল দলীয় পরিচয়ই শেষ কথা নয়; বরং ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, অতীত ভূমিকা, সততা ও জনসংযোগ ক্রমেই বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে।

সব মিলিয়ে, চাঁদপুর-৩ আসনের নির্বাচন কেবল একজন সংসদ সদস্য নির্বাচনের লড়াই নয়; বরং এটি হয়ে উঠছে কলম, সত্য ও রাজনীতির শক্তি পরীক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষিত সমাজের সামজিক মানবিকতার অবক্ষয় এগিয়ে এলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার

কলম যাদের অস্ত্র, এবার ভোটের যুদ্ধে চাঁদপুর-৩ আসনে সাংবাদিকতা থেকে সংসদ নির্বাচনে ৫ প্রার্থী

আপডেট সময় : ০২:১৬:৪১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ জানুয়ারি ২০২৬

চাঁদপুর–৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ ঘিরে এবার এক ব্যতিক্রমী ও বহুমাত্রিক রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ আসনে ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন প্রার্থী সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত—যা দেশের অন্যান্য নির্বাচনী এলাকার তুলনায় ব্যতিক্রমী এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ক্রমেই চাঁদপুর-৩ আসনের নির্বাচন রূপ নিচ্ছে এক ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক লড়াইয়ে। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত থেকে সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতির নানা অনিয়ম তুলে ধরা এই পাঁচ প্রার্থীর অংশগ্রহণ নির্বাচনী সমীকরণে যোগ করেছে নতুন মাত্রা ও ভিন্ন বাস্তবতা।
সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে আসা পাঁচ প্রার্থী হলেন: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া,
গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন,
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এএইচ এম আহসান উল্ল্যাহ, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. জয়নাল আবেদীন,
এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাংবাদিক প্রার্থীদের এমন সমবেত উপস্থিতি প্রচলিত দলীয় রাজনীতির একচেটিয়া আধিপত্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে। কারণ, এ প্রার্থীরা দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় সমস্যা, প্রশাসনিক অনিয়ম, সামাজিক বৈষম্য ও জনদুর্ভোগ নিয়ে লেখালেখি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ভোটারদের একটি অংশ তাদের দেখছেন ‘ক্ষমতার বাইরে থাকা সত্যের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া আশির দশক থেকে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রেখে আসছেন। দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সাবেক জেলা প্রতিনিধি ও বর্তমানে দৈনিক চাঁদপুর দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত ও প্রভাবশালী একটি নাম।

বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শেখ মো. জয়নাল আবেদীন তুলনামূলক নতুন হলেও দৈনিক নয়া প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে তিনি নিজস্ব রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শ তুলে ধরতে সক্রিয় রয়েছেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এএইচ এম আহসান উল্ল্যাহ দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক হিসেবে মাঠপর্যায়ের সংবাদ সংগ্রহ ও জনসমস্যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইছেন নির্বাচনী মাঠে।

গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা, নাগরিক অধিকার ও দুর্নীতিবিরোধী লেখালেখির কারণে স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন শিক্ষকতা, লেখালেখি ও সাংবাদিকতার সমন্বয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রগতিশীল রাজনীতির চর্চা করে আসছেন। তার রাজনৈতিক অবস্থান মূলত শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষিত তরুণ সমাজ ও বঞ্চিত শ্রেণিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, সাংবাদিকতা পেশা থেকে রাজনীতিতে আসা প্রার্থীরা নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন এক ধারা তৈরি করতে পারেন। তাদের ভাষ্য—দীর্ঘদিন কলমের মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা ব্যক্তিরা সংসদে গেলে আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতার প্রশ্নে আরও সোচ্চার ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

তবে অপর একটি অংশের মত, সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে এলেও নির্বাচনী রাজনীতির বাস্তবতা অত্যন্ত কঠিন। দলীয় কাঠামো, অর্থনৈতিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের সংগঠন ছাড়া জয়লাভ সহজ নয়। সে কারণে এ নির্বাচন মূলত যাচাই করবে—জনসমর্থন ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা কতটা শক্তিশালী হলে প্রচলিত রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে থেকেও টিকে থাকা সম্ভব।

বিশ্লেষকদের অভিমত, একই আসনে একাধিক সম্পাদক ও সাংবাদিক প্রার্থীর উপস্থিতি একদিকে ভোট বিভাজনের সম্ভাবনা তৈরি করলেও অন্যদিকে এটি মূলধারার রাজনীতির জন্য এক ধরনের সতর্কবার্তা। এ নির্বাচন প্রমাণ করতে পারে—জনগণের আস্থা অর্জনে এখন আর কেবল দলীয় পরিচয়ই শেষ কথা নয়; বরং ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, অতীত ভূমিকা, সততা ও জনসংযোগ ক্রমেই বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে।

সব মিলিয়ে, চাঁদপুর-৩ আসনের নির্বাচন কেবল একজন সংসদ সদস্য নির্বাচনের লড়াই নয়; বরং এটি হয়ে উঠছে কলম, সত্য ও রাজনীতির শক্তি পরীক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।