সোমবার | ২ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী Logo খুবির ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হামলার দাবি আইআরজিসি’র Logo সাদুল্লাপুরের ছাত্রলীগ নেতা বানিয়ে গ্রেফতার : দুই মাস কারাবন্দি, নবজাতকসহ তিন সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী Logo পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন Logo শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাল ‘বিজয়ী: চাঁদপুরে ১৫০ শিক্ষার্থী পেল নতুন পোশাক Logo ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত Logo হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস Logo জলবায়ু সহনশীল গ্রাম গঠনে উদ্যোগ, শ্যামনগরে সক্রিয় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স Logo ইরানের ৩১ প্রদেশের ২০টিতেই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

ইরাকে রাসায়নিক অস্ত্র সরবরাহের জন্য পশ্চিমা বিশ্বের জবাবদিহিতা চাইলো ইরান

ইরাক ও ইরানের সংঘাতের সময় ইরাকে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের জন্য পশ্চিমা বিশ্বের জবাবদিহিতা দাবি করেছে ইরান। দেশেটি জার্মানিকে তাদের ভূমিকা প্রকাশ করতে আহ্বান জানিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ খবর জানিয়েছেন।

শনিবার (২৮ জুন) এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই লেখেন, ‘আজ থেকে ৩৮ বছর আগে, ১৯৮৭ সালের ২৮ জুন ইরানের সারদাশত শহরে সাদ্দাম হোসেইনের পতিত শাসন রাসায়নিক হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১১০ জনকে হত্যা করে এবং ৮ হাজার জনকে আহত করে।’

তিনি বলেন, ‘জার্মানিকে অবশ্যই ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচিতে নিজের ভূমিকা নিয়ে সত্য প্রকাশ করে আইনি ও নৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।’

বাঘাই আরও বলেন, এটি সারদাশতের একমাত্র ঘটনা ছিল না, বরং সাদ্দাম বারবার ইরানি সৈন্য ও সাধারণ মানুষের ওপর রাসায়নিক গ্যাস ব্যবহার করেছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাকে কখনো জবাবদিহির আওতায় আনেনি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ৩৮ বছর পরও ইরানিরা এখনো জানতে চায়- কে এই নৃশংসতার পেছনে ছিল। তিনি বলেন, যারা সাদ্দামকে এই ধ্বংসাত্মক অস্ত্র সরবরাহ করেছিল, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক।

বাঘাই বলেন, ‘জার্মানি, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডস কোনো না কোনোভাবে ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচিতে ভূমিকা রেখেছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ইরাকে জার্মান কোম্পানিগুলোর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জার্মান সরকারের অনুমতি ছাড়া সম্ভব ছিল না।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘ইরান ন্যায়বিচারের দাবি অব্যাহত রাখবে, কারণ যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের কোনো সময়সীমা নেই।’

ইরান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, পশ্চিমা দেশগুলো সাদ্দাম হোসেইনের সরকারকে রাসায়নিক অস্ত্রে সহায়তা করেছে। পরে এই অপরাধে চোখ বন্ধ রেখেছে, বরং উল্টো সাদ্দামকে সমর্থন করেছে।

 

ট্যাগস :

ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

ইরাকে রাসায়নিক অস্ত্র সরবরাহের জন্য পশ্চিমা বিশ্বের জবাবদিহিতা চাইলো ইরান

আপডেট সময় : ০১:২৬:৫৭ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

ইরাক ও ইরানের সংঘাতের সময় ইরাকে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের জন্য পশ্চিমা বিশ্বের জবাবদিহিতা দাবি করেছে ইরান। দেশেটি জার্মানিকে তাদের ভূমিকা প্রকাশ করতে আহ্বান জানিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ খবর জানিয়েছেন।

শনিবার (২৮ জুন) এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই লেখেন, ‘আজ থেকে ৩৮ বছর আগে, ১৯৮৭ সালের ২৮ জুন ইরানের সারদাশত শহরে সাদ্দাম হোসেইনের পতিত শাসন রাসায়নিক হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১১০ জনকে হত্যা করে এবং ৮ হাজার জনকে আহত করে।’

তিনি বলেন, ‘জার্মানিকে অবশ্যই ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচিতে নিজের ভূমিকা নিয়ে সত্য প্রকাশ করে আইনি ও নৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।’

বাঘাই আরও বলেন, এটি সারদাশতের একমাত্র ঘটনা ছিল না, বরং সাদ্দাম বারবার ইরানি সৈন্য ও সাধারণ মানুষের ওপর রাসায়নিক গ্যাস ব্যবহার করেছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাকে কখনো জবাবদিহির আওতায় আনেনি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ৩৮ বছর পরও ইরানিরা এখনো জানতে চায়- কে এই নৃশংসতার পেছনে ছিল। তিনি বলেন, যারা সাদ্দামকে এই ধ্বংসাত্মক অস্ত্র সরবরাহ করেছিল, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক।

বাঘাই বলেন, ‘জার্মানি, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডস কোনো না কোনোভাবে ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচিতে ভূমিকা রেখেছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ইরাকে জার্মান কোম্পানিগুলোর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জার্মান সরকারের অনুমতি ছাড়া সম্ভব ছিল না।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘ইরান ন্যায়বিচারের দাবি অব্যাহত রাখবে, কারণ যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের কোনো সময়সীমা নেই।’

ইরান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, পশ্চিমা দেশগুলো সাদ্দাম হোসেইনের সরকারকে রাসায়নিক অস্ত্রে সহায়তা করেছে। পরে এই অপরাধে চোখ বন্ধ রেখেছে, বরং উল্টো সাদ্দামকে সমর্থন করেছে।