চট্টগ্রাম বন্দরে আড়াই কোটি টাকার প্রসাধনী জব্দ !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:৫৮:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৭৬১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মিথ্যা ঘোষণায় সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা প্রসাধন পণ্যের দুটো কন্টেইনার জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। এসব পণ্যের দাম প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপিরচালক ড. মইনুল খান রাইজিংবিডিকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে আরো জানা যায়, ঘোষণা অনুযায়ী পণ্যগুলো ছিল পার্টি স্প্রে। কিন্তু পাওয়া যায় উচ্চ শুল্কের ভিন্ন পণ্য। আমদানিকৃত পণ্যগুলো থাইল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যে তৈরি।

গোপন সংবাদ পেয়ে শুল্ক গোয়েন্দা পণ্যগুলো ডেলিভারি পর্যায়ে আটক ও শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করে। পরীক্ষা করে ঘোষিত পণ্য একটিও পাওয়া যায়নি। প্রাপ্ত পণ্যগুলো হলো- ডাভ বিউটি ক্রিম – ৪ হাজার ৩৬৫ কেজি, ইম্পেরিয়াল লেদার সোপ – ৫ হাজার ৪৭২ কেজি, সানসিল্ক শ্যাম্পু – ১ হাজার ৯৮ কেজি; ডাভ প্যাম্পারিং লোশন – ৮২১ কেজি, জিলেট শেভিং জেল – ৩ হাজার ২১২ কেজি, পামঅলিভ শাওয়ার জেল ২ হাজার ৫৪০ কেজি, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি ফেসওয়াশ/ক্রিম ১ হাজার ৩২৭ কেজি; ডাভ বডি ওয়াশ ৬৭৮ কেজি এবং এক্স ডিও বডি স্প্রে ৪০৮ কেজি।

 

ctg

পণ্যচালানটির আমদানিকারক  এম ট্রেডিং এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট টিএস করপোরেশন। এ বিষয়ে আমদানিকারক ও  সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সঠিক শুল্ক-করাদি আদায় করার জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে মামলা করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে আড়াই কোটি টাকার প্রসাধনী জব্দ !

আপডেট সময় : ০২:৫৮:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

মিথ্যা ঘোষণায় সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা প্রসাধন পণ্যের দুটো কন্টেইনার জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। এসব পণ্যের দাম প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপিরচালক ড. মইনুল খান রাইজিংবিডিকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে আরো জানা যায়, ঘোষণা অনুযায়ী পণ্যগুলো ছিল পার্টি স্প্রে। কিন্তু পাওয়া যায় উচ্চ শুল্কের ভিন্ন পণ্য। আমদানিকৃত পণ্যগুলো থাইল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যে তৈরি।

গোপন সংবাদ পেয়ে শুল্ক গোয়েন্দা পণ্যগুলো ডেলিভারি পর্যায়ে আটক ও শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করে। পরীক্ষা করে ঘোষিত পণ্য একটিও পাওয়া যায়নি। প্রাপ্ত পণ্যগুলো হলো- ডাভ বিউটি ক্রিম – ৪ হাজার ৩৬৫ কেজি, ইম্পেরিয়াল লেদার সোপ – ৫ হাজার ৪৭২ কেজি, সানসিল্ক শ্যাম্পু – ১ হাজার ৯৮ কেজি; ডাভ প্যাম্পারিং লোশন – ৮২১ কেজি, জিলেট শেভিং জেল – ৩ হাজার ২১২ কেজি, পামঅলিভ শাওয়ার জেল ২ হাজার ৫৪০ কেজি, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি ফেসওয়াশ/ক্রিম ১ হাজার ৩২৭ কেজি; ডাভ বডি ওয়াশ ৬৭৮ কেজি এবং এক্স ডিও বডি স্প্রে ৪০৮ কেজি।

 

ctg

পণ্যচালানটির আমদানিকারক  এম ট্রেডিং এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট টিএস করপোরেশন। এ বিষয়ে আমদানিকারক ও  সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সঠিক শুল্ক-করাদি আদায় করার জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে মামলা করা হয়েছে।