বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্কের হার বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ ধার্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে করণীয় নির্ধারণে আলোচনার জন্য জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা বৈঠকটি শুরু হয়। বৈঠকে শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
বৈঠক শুরুর আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ট্যারিফ বৃদ্ধি নিয়ে শনিবার দুপুরে ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে বৈঠক করেছে বৈদেশিক বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ। তাদের সুপারিশ ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেছেন।
বর্তমান সরকার খুবই ব্যবসাবান্ধব জানিয়ে প্রেসসচিব বলেন, ‘আমরা এমন কিছু করব, যার ফলে বর্তমানে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ রপ্তানি করে তার চেয়ে বাড়বে। আমি এটা বলে দিতে পারি, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে, কমবে না। বৈঠকে এই সিদ্ধান্তই আসবে। এই ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি এটুকু বলতে পারি, আজকের বৈঠকে খুব ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।
বর্তমান সরকার খুবই ব্যবসাবান্ধব, খুবই এক্সপোর্টবান্ধব।’
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের খুবই ভালো বন্ধু। এ বিষয় নিয়েই আজকের বৈঠকে আলোচনা করবো। আজকের বৈঠকের পর এমন কিছু সিদ্ধান্ত আসবে, আপনার নিশ্চিত থাকতে পারেন বাংলাদেশের রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রে আরও বাড়বে, কমবে না।’
প্রসঙ্গত, গত বুধবার (২ এপ্রিল) বাংলাদেশসহ ১৮৫টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। যা এতোদিন ছিল ১৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় ৮৪০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ দেশটিতে প্রায় সাড়ে আট বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। যার বড় অংশই তৈরি পোশাক।