বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:০২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • ৭০৯ বার পড়া হয়েছে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের মতো এতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরের লাঙ্গলবন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাষ্টমী স্নানোৎসব পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সব সময় আছে। এখানে যত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আছে, তা কোথাও নেই। আপনারা আশপাশে দেখেন কোথায় কত কী ঘটে। আমাদের এখানে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্ট্রান সব ভাই-বোনেরা এক সঙ্গে আছে। সবাই এক সঙ্গে কাজ করছে।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় সুষ্ঠুভাবে স্নান সম্পাদনের জন্য সব রকম প্রস্তুতি করা হয়েছে। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় তীর্থস্থানজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত রয়েছে।

হে মহাভাগ ব্রহ্মপুত্র, হে লৌহিত্য আমার পাপ হরণ কর’এ মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার  লাঙ্গলবন্দের ব্রহ্মপুত্র নদে প্রতিবছর চৈত্রের মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে স্নান করতে আসেন দেশ-বিদেশের সনাতন ধর্মালম্বীদের লাখ লাখ পুণ্যার্থী। তীর্থস্থানজুড়ে পুণ্যার্থীদের জন্য নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার ও র‌্যাব সদস্যসহ রয়েছে সিসি ক্যামেরার আওতায়। স্থাপন করা হয়েছে  ওয়াচ টাওয়ার। যানজট নিরসনে সড়কে ট্রাফিক ও নদীতে নৌ-পুলিশ।

জানা গেছে, শুক্রবার রাত ২টা ৮ মিনিটে লগ্ন শুরু হয়ে শেষ হবে আজ শনিবার রাত ১২টা ৫১ মিনিটে। স্নানঘাটগুলোতে পুণ্যার্থীরা ফুল, বেলপাতা, ধান, দূর্বা, হরিতকি, ডাব, আম পাতা ইত্যাদি পিতৃকুলের উদ্দেশ্যে নদের জলে তর্পণ করেন। স্নানকে ঘিরে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর সুষ্ঠুভাবে স্নান সস্পাদনের লক্ষ্যে ২০টি স্নান ঘাট, নারীদের জন্য কাপড় পরিবর্তন কক্ষ ও অস্থায়ী টয়লেট, পানীয় জল সরবরাহ করে লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ উৎসবে অংশ নিতে শনিবার দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে পুণ্যার্থীরা আসেন লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসবে। স্নান উৎসবে এবার বসছে লোকজ মেলা। এবারও কয়েক লাখ পুণ্যার্থী স্নানে যোগ দিয়েছে এবং সুষ্ঠুভাবে স্নান সম্পূর্ণ করবেন।

পুণ্যার্থীরা জানান, জগতের যাবতীয় সংকীর্ণতা ও পঙ্কিলতার আবরণে ঘেরা থেকে জীবন, দেশ জাতির শান্তি মঙ্গল কামনা ও পাপমুক্তির বাসনায় ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান করেন তারা।

ট্যাগস :

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:২৪:০২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের মতো এতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরের লাঙ্গলবন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাষ্টমী স্নানোৎসব পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সব সময় আছে। এখানে যত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আছে, তা কোথাও নেই। আপনারা আশপাশে দেখেন কোথায় কত কী ঘটে। আমাদের এখানে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্ট্রান সব ভাই-বোনেরা এক সঙ্গে আছে। সবাই এক সঙ্গে কাজ করছে।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় সুষ্ঠুভাবে স্নান সম্পাদনের জন্য সব রকম প্রস্তুতি করা হয়েছে। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় তীর্থস্থানজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত রয়েছে।

হে মহাভাগ ব্রহ্মপুত্র, হে লৌহিত্য আমার পাপ হরণ কর’এ মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার  লাঙ্গলবন্দের ব্রহ্মপুত্র নদে প্রতিবছর চৈত্রের মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে স্নান করতে আসেন দেশ-বিদেশের সনাতন ধর্মালম্বীদের লাখ লাখ পুণ্যার্থী। তীর্থস্থানজুড়ে পুণ্যার্থীদের জন্য নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার ও র‌্যাব সদস্যসহ রয়েছে সিসি ক্যামেরার আওতায়। স্থাপন করা হয়েছে  ওয়াচ টাওয়ার। যানজট নিরসনে সড়কে ট্রাফিক ও নদীতে নৌ-পুলিশ।

জানা গেছে, শুক্রবার রাত ২টা ৮ মিনিটে লগ্ন শুরু হয়ে শেষ হবে আজ শনিবার রাত ১২টা ৫১ মিনিটে। স্নানঘাটগুলোতে পুণ্যার্থীরা ফুল, বেলপাতা, ধান, দূর্বা, হরিতকি, ডাব, আম পাতা ইত্যাদি পিতৃকুলের উদ্দেশ্যে নদের জলে তর্পণ করেন। স্নানকে ঘিরে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর সুষ্ঠুভাবে স্নান সস্পাদনের লক্ষ্যে ২০টি স্নান ঘাট, নারীদের জন্য কাপড় পরিবর্তন কক্ষ ও অস্থায়ী টয়লেট, পানীয় জল সরবরাহ করে লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ উৎসবে অংশ নিতে শনিবার দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে পুণ্যার্থীরা আসেন লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসবে। স্নান উৎসবে এবার বসছে লোকজ মেলা। এবারও কয়েক লাখ পুণ্যার্থী স্নানে যোগ দিয়েছে এবং সুষ্ঠুভাবে স্নান সম্পূর্ণ করবেন।

পুণ্যার্থীরা জানান, জগতের যাবতীয় সংকীর্ণতা ও পঙ্কিলতার আবরণে ঘেরা থেকে জীবন, দেশ জাতির শান্তি মঙ্গল কামনা ও পাপমুক্তির বাসনায় ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান করেন তারা।