শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ Logo রাবি ময়মনসিংহ জেলা সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা

এবার রাশিয়াকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:৫১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০১৭
  • ৭৮১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যেকোনো সময় শুরু হতে পারে উত্তর কোরিয়া-আমেরিকা যুদ্ধ। কোরীয় উপদ্বীপে পুরোপুরি প্রস্তুত মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। আর এরই মধ্যে আচমকাই রাশিয়ার দিকে তাক করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া। যদিও শেষ খবরে জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যে আঘাত করার অনেক আগে মাঝপথেই ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস হয়ে গেছে নাকি ইচ্ছা করেই সেগুলোকে নষ্ট করে দেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা জায়নি।

মার্কিন গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, এদিন রাজধানী পিয়ংইয়ং থেকে মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়া হয়েছে। মিসাইলটি সম্ভবত কে এন-১৭ ব্যালিস্টিক মিসাইল। কিন্তু ছোড়ার খানিকক্ষণের মধ্যেই জাপানের সমুদ্রে ভেঙে পড়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি। মিসাইলটি উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করেনি।

এ ব্যাপারে দ্য সিওল ইকোনমিক ডেইলিতে জানানো হয়েছে, মিসাইলটি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে ছোড়া হলেও ৪৮ কিলোমিটার যাত্রাপথ পেরনোর পর ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হয়। ওই সংবাদপত্রের দাবি, মিসাইলটি যদি ধ্বংস না করে দেয়া হত, তাহলে রুশ সেনার সামুদ্রিক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে পারত।

এদিকে এ প্রসঙ্গে রুশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ভিক্টর ওজেরভ জানিয়েছেন, এই খবর পাওয়ার পরই দেশের উত্তরভাগের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি তৈরি রাখা হয় রুশ বিমানবাহিনীকে।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। দুই দেশই একত্রে উত্তর কোরিয়ার আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে কাজ করার ইঙ্গিত দেয়। কি কিম জং উনের এই পদক্ষেপ সেই সিদ্ধান্তেরই প্রতিউত্তর কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

এবার রাশিয়াকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া !

আপডেট সময় : ১২:২৮:৫১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

যেকোনো সময় শুরু হতে পারে উত্তর কোরিয়া-আমেরিকা যুদ্ধ। কোরীয় উপদ্বীপে পুরোপুরি প্রস্তুত মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। আর এরই মধ্যে আচমকাই রাশিয়ার দিকে তাক করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া। যদিও শেষ খবরে জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যে আঘাত করার অনেক আগে মাঝপথেই ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস হয়ে গেছে নাকি ইচ্ছা করেই সেগুলোকে নষ্ট করে দেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা জায়নি।

মার্কিন গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, এদিন রাজধানী পিয়ংইয়ং থেকে মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়া হয়েছে। মিসাইলটি সম্ভবত কে এন-১৭ ব্যালিস্টিক মিসাইল। কিন্তু ছোড়ার খানিকক্ষণের মধ্যেই জাপানের সমুদ্রে ভেঙে পড়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি। মিসাইলটি উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করেনি।

এ ব্যাপারে দ্য সিওল ইকোনমিক ডেইলিতে জানানো হয়েছে, মিসাইলটি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে ছোড়া হলেও ৪৮ কিলোমিটার যাত্রাপথ পেরনোর পর ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হয়। ওই সংবাদপত্রের দাবি, মিসাইলটি যদি ধ্বংস না করে দেয়া হত, তাহলে রুশ সেনার সামুদ্রিক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে পারত।

এদিকে এ প্রসঙ্গে রুশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ভিক্টর ওজেরভ জানিয়েছেন, এই খবর পাওয়ার পরই দেশের উত্তরভাগের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি তৈরি রাখা হয় রুশ বিমানবাহিনীকে।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। দুই দেশই একত্রে উত্তর কোরিয়ার আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে কাজ করার ইঙ্গিত দেয়। কি কিম জং উনের এই পদক্ষেপ সেই সিদ্ধান্তেরই প্রতিউত্তর কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে।