সোমবার | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ  Logo শব্দকথা সাহিত্য পুরস্কার–২০২৫ পেলেন নুরুন্নাহার মুন্নি

নারীর হাতে আশার আলো: কচুয়ার মাঠে ফ্যামিলি কার্ডে জেগে উঠল নতুন স্বপ্ন

কচুয়ার সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠটি অন্যদিনের মতো ছিল না। মিছিলের ঢল, নারীর কণ্ঠে আশার গান আর প্রাণ খুলে নিজের কথা বলার বিরল সুযোগ—সব মিলিয়ে (৩০ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার বিকেলে যেন নতুন স্বপ্ন দেখল নারীরা।  আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অস্ট্রেলিয়া শাখা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাবিবুর রহমান।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার ২৪তম দফা “নারীর কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে ফ্যামিলি কার্ড” উদ্যোগের ওপর নির্মিত শর্টফিল্মের উদ্বোধন ছিল এ আয়োজনের মূল আকর্ষণ। তবে এ আয়োজন শুধু একটি শর্টফিল্ম প্রদর্শনী নয়, বরং নিপীড়িত ও প্রান্তিক নারীদের হৃদয়ের কথা বলার এক অনন্য মঞ্চ হয়ে উঠেছিল।

এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথির আসনে ছিলেন সমাজের সাধারণ নারী সদস্যরা। তাদের হাতে মাইক, কণ্ঠে নিজেদের জীবনের গল্প। হয়তো এ জীবনে কখনো কোনো মঞ্চে এভাবে সম্মানিত হননি তারা। একজন নারী বললেন,আজ আমরা অতিথি হয়ে নিজেদের কথা বলছি। কষ্টের কথা, স্বপ্নের কথা বলতে পারছি। এটা আমাদের জীবনে এক বিরল সম্মান।

শর্টফিল্মে তুলে ধরা হয় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীর কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নের স্বপ্ন। নারীরা দেখলেন নিজেদের প্রতিচ্ছবি,কেউ রিকশাচালকের স্ত্রী, কেউ দিনমজুর পরিবারের মা, কেউ বা বিধবা। সবাই একই স্বপ্নে বিশ্বাসী,নিজের হাতে কাজ, নিজের আয়, আর সন্তানদের মুখে হাসি।

আয়োজনে অংশ নেওয়া নারীরা জানান, এই আয়োজন তাদের মনে নতুন শক্তি জুগিয়েছে। একজন নারী বলেন
“আমাদের মতো গরিব মানুষকেও কেউ গুরুত্ব দেয়, সেটা আজ বুঝলাম। আগামীতে আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাব।

মাঠজুড়ে নেতাকর্মীদের স্লোগান, আর নারীদের উচ্ছ্বাস মিলে যেন ভিন্ন এক দৃশ্যের জন্ম দেয়। রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি প্রতিধ্বনিত হয় নারীর ক্ষমতায়ন ও স্বপ্নের কথা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কারের দফাগুলো কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার বাস্তব পরিকল্পনা। আর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সেই চিন্তার স্পষ্ট প্রতিফলন।

একজন প্রবীণ নারী চোখ মুছতে মুছতে বলেন—
“আমরা তো সবসময় পিছিয়ে থাকি। কিন্তু আজকের এই সম্মান আমাদের বিশ্বাস জাগিয়েছে—নারীরাও দেশের পরিবর্তনের শক্তি হতে পারে।”এভাবেই কচুয়ার কলেজ মাঠে এক বিকেলে নারীর হাতে জ্বলে উঠল আশার আলো।
ছবিঃ কচুয়ায় তারেক রহমানের নির্দেশনায় ফ্যামিলি কার্ড শর্টফিল্মের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের 

নারীর হাতে আশার আলো: কচুয়ার মাঠে ফ্যামিলি কার্ডে জেগে উঠল নতুন স্বপ্ন

আপডেট সময় : ১১:০০:৫৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কচুয়ার সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠটি অন্যদিনের মতো ছিল না। মিছিলের ঢল, নারীর কণ্ঠে আশার গান আর প্রাণ খুলে নিজের কথা বলার বিরল সুযোগ—সব মিলিয়ে (৩০ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার বিকেলে যেন নতুন স্বপ্ন দেখল নারীরা।  আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অস্ট্রেলিয়া শাখা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাবিবুর রহমান।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার ২৪তম দফা “নারীর কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে ফ্যামিলি কার্ড” উদ্যোগের ওপর নির্মিত শর্টফিল্মের উদ্বোধন ছিল এ আয়োজনের মূল আকর্ষণ। তবে এ আয়োজন শুধু একটি শর্টফিল্ম প্রদর্শনী নয়, বরং নিপীড়িত ও প্রান্তিক নারীদের হৃদয়ের কথা বলার এক অনন্য মঞ্চ হয়ে উঠেছিল।

এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথির আসনে ছিলেন সমাজের সাধারণ নারী সদস্যরা। তাদের হাতে মাইক, কণ্ঠে নিজেদের জীবনের গল্প। হয়তো এ জীবনে কখনো কোনো মঞ্চে এভাবে সম্মানিত হননি তারা। একজন নারী বললেন,আজ আমরা অতিথি হয়ে নিজেদের কথা বলছি। কষ্টের কথা, স্বপ্নের কথা বলতে পারছি। এটা আমাদের জীবনে এক বিরল সম্মান।

শর্টফিল্মে তুলে ধরা হয় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীর কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নের স্বপ্ন। নারীরা দেখলেন নিজেদের প্রতিচ্ছবি,কেউ রিকশাচালকের স্ত্রী, কেউ দিনমজুর পরিবারের মা, কেউ বা বিধবা। সবাই একই স্বপ্নে বিশ্বাসী,নিজের হাতে কাজ, নিজের আয়, আর সন্তানদের মুখে হাসি।

আয়োজনে অংশ নেওয়া নারীরা জানান, এই আয়োজন তাদের মনে নতুন শক্তি জুগিয়েছে। একজন নারী বলেন
“আমাদের মতো গরিব মানুষকেও কেউ গুরুত্ব দেয়, সেটা আজ বুঝলাম। আগামীতে আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাব।

মাঠজুড়ে নেতাকর্মীদের স্লোগান, আর নারীদের উচ্ছ্বাস মিলে যেন ভিন্ন এক দৃশ্যের জন্ম দেয়। রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি প্রতিধ্বনিত হয় নারীর ক্ষমতায়ন ও স্বপ্নের কথা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কারের দফাগুলো কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার বাস্তব পরিকল্পনা। আর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সেই চিন্তার স্পষ্ট প্রতিফলন।

একজন প্রবীণ নারী চোখ মুছতে মুছতে বলেন—
“আমরা তো সবসময় পিছিয়ে থাকি। কিন্তু আজকের এই সম্মান আমাদের বিশ্বাস জাগিয়েছে—নারীরাও দেশের পরিবর্তনের শক্তি হতে পারে।”এভাবেই কচুয়ার কলেজ মাঠে এক বিকেলে নারীর হাতে জ্বলে উঠল আশার আলো।
ছবিঃ কচুয়ায় তারেক রহমানের নির্দেশনায় ফ্যামিলি কার্ড শর্টফিল্মের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ।