সোমবার | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ 

সিরাজগঞ্জে পেঁপে চাষে সাফল্যের মুখে রাসেল!

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:২৭ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ আগস্ট ২০২৫
  • ৭৮৯ বার পড়া হয়েছে

নজরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা রাসেল আহমেদ গৃহপালিত পশু-পাখি পালনের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রায় তিন বিঘা জমিতে পেঁপে আবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূল ও ভাইরাস প্রতিরোধী জাত ব্যবহারের ফলে তার বাগানে ব্যাপক ফলন হয়েছে। এতে পরিবারে ফিরছে আর্থিক স্বচ্ছলতা, আর স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাসেল আহমেদের বাগানে সারি সারি গাছে ঝুলছে থোকা থোকা দেশি শাহী জাতের পেঁপে। প্রতিদিন বাজারে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এসে সরাসরি জমি থেকে পেঁপে কিনে নিচ্ছেন। বর্তমানে তিনি কাঁচা পেঁপে প্রতি মণ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং পাকা পেঁপে কেজি প্রতি ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বিঘায় প্রায় দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ থাকছে বলে জানান তিনি।

রাসেল আহমেদ বলেন, আমার বাগানে প্রায় ৮’শ দেশীয় শাহী জাতের পেঁপে গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা আয় করা সম্ভব। সব মিলিয়ে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছি।

তার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আশপাশের অনেক কৃষকও এখন পেঁপে চাষে ঝুঁকছেন। খোর্দ্দ শিয়ালকোল গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা সায়েম জানান, “প্রতিবেশী রাসেলের সাফল্য দেখে আমিও এক বিঘা জমিতে পেঁপে আবাদ শুরু করেছি।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস. এম. নাসিম হোসেন বলেন, দেশীয় শাহী জাতের পেঁপে চাষে রাসেল আহমেদ সত্যিই সাফল্যের নজির তৈরি করেছেন। তার মতো অন্য কৃষকরাও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে এলে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ফলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এই এলাকার জন্য শাহী জাতের পেঁপে চাষ উপযুক্ত। আমরা কৃষি বিভাগ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি এই চাষে নতুন নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরীতে নিয়মিত কাজ করছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী

সিরাজগঞ্জে পেঁপে চাষে সাফল্যের মুখে রাসেল!

আপডেট সময় : ০৬:৪০:২৭ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ আগস্ট ২০২৫

নজরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা রাসেল আহমেদ গৃহপালিত পশু-পাখি পালনের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রায় তিন বিঘা জমিতে পেঁপে আবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূল ও ভাইরাস প্রতিরোধী জাত ব্যবহারের ফলে তার বাগানে ব্যাপক ফলন হয়েছে। এতে পরিবারে ফিরছে আর্থিক স্বচ্ছলতা, আর স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাসেল আহমেদের বাগানে সারি সারি গাছে ঝুলছে থোকা থোকা দেশি শাহী জাতের পেঁপে। প্রতিদিন বাজারে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এসে সরাসরি জমি থেকে পেঁপে কিনে নিচ্ছেন। বর্তমানে তিনি কাঁচা পেঁপে প্রতি মণ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং পাকা পেঁপে কেজি প্রতি ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বিঘায় প্রায় দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ থাকছে বলে জানান তিনি।

রাসেল আহমেদ বলেন, আমার বাগানে প্রায় ৮’শ দেশীয় শাহী জাতের পেঁপে গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা আয় করা সম্ভব। সব মিলিয়ে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছি।

তার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আশপাশের অনেক কৃষকও এখন পেঁপে চাষে ঝুঁকছেন। খোর্দ্দ শিয়ালকোল গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা সায়েম জানান, “প্রতিবেশী রাসেলের সাফল্য দেখে আমিও এক বিঘা জমিতে পেঁপে আবাদ শুরু করেছি।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস. এম. নাসিম হোসেন বলেন, দেশীয় শাহী জাতের পেঁপে চাষে রাসেল আহমেদ সত্যিই সাফল্যের নজির তৈরি করেছেন। তার মতো অন্য কৃষকরাও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে এলে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ফলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এই এলাকার জন্য শাহী জাতের পেঁপে চাষ উপযুক্ত। আমরা কৃষি বিভাগ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি এই চাষে নতুন নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরীতে নিয়মিত কাজ করছি।