মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। রোববার সকাল থেকে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতি নেয়া।

ঈদের প্রথম জামায়াত দরবার শরীফ মাঠে সকাল ৯টায় অনষ্ঠিত হয়। এই জামায়াতে ঈমামিত করেন পীরজাদা মাওলানা মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী।

তিনি বলেন, আগাম রোজা ও দুই ঈদ পালনের প্রবর্তক মাওলানা ইসহাক (রহ.)। ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের পীর সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রথা চালু করেন। এছাড়াও মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর অনুসারী মুসল্লীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই সাথে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। পৃথিবীতে চন্দ্র-সূর্য একটি। আলাদা করে কেনো ঈদ উদযাপিত হবে।

এদিকে ঈদের দ্বিতীয় জামায়াত সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা মুফতি আরিফ চৌধুরী।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র সৌদি আরব নয়, কোরআন ও হাদিসের আলোকে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আমরা রোজা পালন ও ঈদুল ফিতর উদযাপন করে থাকি। রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঈদের নামাজ আদায় করেত আসা বৃদ্ধ আব্দুর রব বলেন, এখানে আমার বাবা-চারাও ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। এখন আমরাও একসাথে রোজা ও ঈদ উদযাপন করি। আমাদের কাছে এটাই সঠিক নিয়ম মনে হয়।

রাসেল মুন্সি নামের আরেক মুসল্লী বলেন, সাদ্রা দরবার শরীফে আমি ২৫ বছর ধরে ঈদের নামাজ আদায় করি। এই এলাকার না হলেও মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর অনুসারী হিসেবে আমরা আগাম রোজা ও ঈদ উদযাপন করি।

যেসব গ্রামে আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে: হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলাসহ অর্ধশত গ্রাম।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

আপডেট সময় : ০৬:০৫:১৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। রোববার সকাল থেকে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতি নেয়া।

ঈদের প্রথম জামায়াত দরবার শরীফ মাঠে সকাল ৯টায় অনষ্ঠিত হয়। এই জামায়াতে ঈমামিত করেন পীরজাদা মাওলানা মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী।

তিনি বলেন, আগাম রোজা ও দুই ঈদ পালনের প্রবর্তক মাওলানা ইসহাক (রহ.)। ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের পীর সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রথা চালু করেন। এছাড়াও মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর অনুসারী মুসল্লীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই সাথে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। পৃথিবীতে চন্দ্র-সূর্য একটি। আলাদা করে কেনো ঈদ উদযাপিত হবে।

এদিকে ঈদের দ্বিতীয় জামায়াত সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা মুফতি আরিফ চৌধুরী।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র সৌদি আরব নয়, কোরআন ও হাদিসের আলোকে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আমরা রোজা পালন ও ঈদুল ফিতর উদযাপন করে থাকি। রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঈদের নামাজ আদায় করেত আসা বৃদ্ধ আব্দুর রব বলেন, এখানে আমার বাবা-চারাও ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। এখন আমরাও একসাথে রোজা ও ঈদ উদযাপন করি। আমাদের কাছে এটাই সঠিক নিয়ম মনে হয়।

রাসেল মুন্সি নামের আরেক মুসল্লী বলেন, সাদ্রা দরবার শরীফে আমি ২৫ বছর ধরে ঈদের নামাজ আদায় করি। এই এলাকার না হলেও মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর অনুসারী হিসেবে আমরা আগাম রোজা ও ঈদ উদযাপন করি।

যেসব গ্রামে আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে: হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলাসহ অর্ধশত গ্রাম।