ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্থার অভিযোগ গড়াই পরিবহনের বাস আটক

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৭৪১ বার পড়া হয়েছে

ইবি প্রতিনিধি;

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে চলমান গড়াই ও রূপসা পরিবহনের বাসগুলো আটক করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

আজ বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৪ টা থেকে বাস আটকাতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বাস মালিক কর্তৃপক্ষের কেউ না আসা পর্যন্ত বাসগুলো আটকে রাখবেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
তিনি বলেন, তার স্ত্রীর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা ছিলো। তাকে নিয়ে যাওয়ার সময় স্পিড সীমা অতিক্রম করে বাস চালাচ্ছিলো। তখন আমি তাকে বলার পর সে উল্টো তর্কে জড়িয়ে আমার গায়ে হাত তোলে। পরবর্তীতে এক পর্যায়ে কালীগঞ্জ নামক স্থানে আমাকে নামিয়ে একসাথে অনেকে এসে আমাকে মারধর করে। আমি এই মারধরের বিচার চাই।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে ইতোপূর্বে আমরা কুষ্টিয়া এবং ঝিনাইদহ উভয় জেলার মালিক ও শ্রমিক সমিতির সাথে বসেছিলাম৷ শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দুজনের মোবাইল নাম্বার ও দেওয়া হয়েছিল। আমার সাথে দুই জেলার ই মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে কথা হয়েছে, তারা তাদের জায়গা থেকে ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং সবপক্ষের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করতে তারা এখানে আসবে বলে জানিয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্থার অভিযোগ গড়াই পরিবহনের বাস আটক

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫

ইবি প্রতিনিধি;

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে চলমান গড়াই ও রূপসা পরিবহনের বাসগুলো আটক করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

আজ বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৪ টা থেকে বাস আটকাতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বাস মালিক কর্তৃপক্ষের কেউ না আসা পর্যন্ত বাসগুলো আটকে রাখবেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
তিনি বলেন, তার স্ত্রীর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা ছিলো। তাকে নিয়ে যাওয়ার সময় স্পিড সীমা অতিক্রম করে বাস চালাচ্ছিলো। তখন আমি তাকে বলার পর সে উল্টো তর্কে জড়িয়ে আমার গায়ে হাত তোলে। পরবর্তীতে এক পর্যায়ে কালীগঞ্জ নামক স্থানে আমাকে নামিয়ে একসাথে অনেকে এসে আমাকে মারধর করে। আমি এই মারধরের বিচার চাই।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে ইতোপূর্বে আমরা কুষ্টিয়া এবং ঝিনাইদহ উভয় জেলার মালিক ও শ্রমিক সমিতির সাথে বসেছিলাম৷ শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দুজনের মোবাইল নাম্বার ও দেওয়া হয়েছিল। আমার সাথে দুই জেলার ই মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে কথা হয়েছে, তারা তাদের জায়গা থেকে ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং সবপক্ষের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করতে তারা এখানে আসবে বলে জানিয়েছে।