মুনাফা অর্জনকারী বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাড় নয় !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০১৭
  • ৭৫২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যেসব বিশ্ববিদ্যালয় মুনাফার লক্ষ্য নিয়ে চলতে চায়, তাদের আর ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইউনিভাসিটি অব বাংলাদেশের চতুর্থ সমাবর্তনে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। তবে যারা মুনফার উদ্দেশ্য নিয়ে চলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) আরো শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করতে উচ্চশিক্ষা কমিশন আইন তৈরি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সেই আইন পাশ হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চপর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে আমরা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে কাজ করছি। সকল প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, আজ যারা গ্র্যাজুয়েট হয়ে যাচ্ছে, তাদের মধ্যে কয়জন সে জ্ঞান নিয়ে বাড়ি ফিরছে সেটি বিবেচ্য বিষয়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। তারা আমাদের নজরদারির মধ্যে রয়েছে। আইনের ব্যত্যয় ঘটলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ৩ হাজার ১৭৯ জন গ্র্যাজুয়েট শিক্ষর্থীকে ডিগ্রি এবং তিনজন গ্র্যাজুয়েটকে ‘চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল’ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভারসিটিজের সেক্রেটারি জেনারেল, ইমপেরিয়াল কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ড. এম নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

ট্যাগস :

মুনাফা অর্জনকারী বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাড় নয় !

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

যেসব বিশ্ববিদ্যালয় মুনাফার লক্ষ্য নিয়ে চলতে চায়, তাদের আর ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইউনিভাসিটি অব বাংলাদেশের চতুর্থ সমাবর্তনে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। তবে যারা মুনফার উদ্দেশ্য নিয়ে চলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) আরো শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করতে উচ্চশিক্ষা কমিশন আইন তৈরি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সেই আইন পাশ হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চপর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে আমরা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে কাজ করছি। সকল প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, আজ যারা গ্র্যাজুয়েট হয়ে যাচ্ছে, তাদের মধ্যে কয়জন সে জ্ঞান নিয়ে বাড়ি ফিরছে সেটি বিবেচ্য বিষয়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। তারা আমাদের নজরদারির মধ্যে রয়েছে। আইনের ব্যত্যয় ঘটলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ৩ হাজার ১৭৯ জন গ্র্যাজুয়েট শিক্ষর্থীকে ডিগ্রি এবং তিনজন গ্র্যাজুয়েটকে ‘চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল’ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভারসিটিজের সেক্রেটারি জেনারেল, ইমপেরিয়াল কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ড. এম নুরুল ইসলাম প্রমুখ।