শিরোনাম :
Logo শেরপুরে পলিটেকনিকে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রশিবির Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী-শিশুসহ ১৫ বাংলাদেশীকে আটক করে বিজিবির হাতে দিল বিএসএফ Logo তরুণরাই দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত পুনর্গঠন করবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo সিরাজগঞ্জে সড়কদ্বীপে আগাছা পরিস্কার Logo চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির ৫ম বই উপহার মাস ঘোষণা Logo অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করতে চান হিরো মনির Logo কয়রায় সিপিপির আড়ালে আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ Logo চাঁদপুর সদর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সলের যোগদান Logo খুবিতে আন্তঃডিসিপ্লিন কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

অনুদান কমিটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জাকিয়া বারী মম

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • ৭৩২ বার পড়া হয়েছে

চলচ্চিত্রে রাষ্ট্রীয় অনুদান দেওয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই জানা গেল, অনুদান কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম অনেক আগেই পদত্যাগ করেছেন। এ তথ্য মম নিজেই জানিয়েছেন।

১ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৩২টি চলচ্চিত্রকে মোট ১৩ কোটি টাকার অনুদান প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর পরদিন থেকেই এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এ পরিস্থিতিতে জানা গেল—অনুদানের এই তালিকা প্রণয়ন বা অনুমোদনের সঙ্গে জাকিয়া বারী মমর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এ বিষয়ে জাকিয়া বারী মম বলেন, “অনুদানের এই তালিকা তৈরি কিংবা ঘোষণার সময়, আমি এই কমিটির অংশ ছিলাম না। ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণে ২৫ মে আমি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর। প্রায় এক মাস ধরে আমি এই কমিটির সঙ্গে নেই।

সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো প্রসঙ্গে জাকিয়া বারী মম বলেন, “অনুদানের প্রজ্ঞাপন জারির পর বিভিন্ন সংবাদে আমার নাম আসছিল কমিটির সদস্য হিসেবে। অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য জানাচ্ছিল আমাকে। অথচ আমি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতই নই।”

শুধু ব্যস্ততা নয়, অনুদান কমিটিতে কাজের সুযোগ ও বাস্তবতাও ছিল মমর অব্যাহতির পেছনে অন্যতম কারণ। তিনি বলেন, “কাজ করার সুযোগ ছিল না। নিয়মের জটিলতা, আমলাতান্ত্রিক বাধা—সব মিলিয়ে আগের নিয়মেই সবকিছু এগোচ্ছিল। সংস্কারের সুযোগ কম। ফলে আমার কাজের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। এটি কারো প্রতি অভিযোগ নয়, বরং আমাদের সিস্টেমের বাস্তবতা।এদিকে মমর মতো আরো দুজন সদস্যও একই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। তারা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক, অভিনেতা ও নির্দেশক ড. আবুল বাশার মো. জিয়াউল হক (তিতাস জিয়া) এবং নির্মাতা-সম্পাদক সামির আহমেদ। তারাও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব ছাড়েন।

বর্তমানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নির্মাতা-প্রযোজক খান শারফুদ্দীন মোহাম্মদ আকরাম (আকরাম খান), নির্মাতা-চিত্রনাট্যকার নার্গিস আখতার এবং রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি আহমেদ মুজতবা জামাল।

কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। শুরুতে এ পদে ছিলেন উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে পলিটেকনিকে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রশিবির

অনুদান কমিটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জাকিয়া বারী মম

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

চলচ্চিত্রে রাষ্ট্রীয় অনুদান দেওয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই জানা গেল, অনুদান কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম অনেক আগেই পদত্যাগ করেছেন। এ তথ্য মম নিজেই জানিয়েছেন।

১ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৩২টি চলচ্চিত্রকে মোট ১৩ কোটি টাকার অনুদান প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর পরদিন থেকেই এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এ পরিস্থিতিতে জানা গেল—অনুদানের এই তালিকা প্রণয়ন বা অনুমোদনের সঙ্গে জাকিয়া বারী মমর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এ বিষয়ে জাকিয়া বারী মম বলেন, “অনুদানের এই তালিকা তৈরি কিংবা ঘোষণার সময়, আমি এই কমিটির অংশ ছিলাম না। ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণে ২৫ মে আমি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর। প্রায় এক মাস ধরে আমি এই কমিটির সঙ্গে নেই।

সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো প্রসঙ্গে জাকিয়া বারী মম বলেন, “অনুদানের প্রজ্ঞাপন জারির পর বিভিন্ন সংবাদে আমার নাম আসছিল কমিটির সদস্য হিসেবে। অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য জানাচ্ছিল আমাকে। অথচ আমি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতই নই।”

শুধু ব্যস্ততা নয়, অনুদান কমিটিতে কাজের সুযোগ ও বাস্তবতাও ছিল মমর অব্যাহতির পেছনে অন্যতম কারণ। তিনি বলেন, “কাজ করার সুযোগ ছিল না। নিয়মের জটিলতা, আমলাতান্ত্রিক বাধা—সব মিলিয়ে আগের নিয়মেই সবকিছু এগোচ্ছিল। সংস্কারের সুযোগ কম। ফলে আমার কাজের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। এটি কারো প্রতি অভিযোগ নয়, বরং আমাদের সিস্টেমের বাস্তবতা।এদিকে মমর মতো আরো দুজন সদস্যও একই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। তারা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক, অভিনেতা ও নির্দেশক ড. আবুল বাশার মো. জিয়াউল হক (তিতাস জিয়া) এবং নির্মাতা-সম্পাদক সামির আহমেদ। তারাও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব ছাড়েন।

বর্তমানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নির্মাতা-প্রযোজক খান শারফুদ্দীন মোহাম্মদ আকরাম (আকরাম খান), নির্মাতা-চিত্রনাট্যকার নার্গিস আখতার এবং রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি আহমেদ মুজতবা জামাল।

কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। শুরুতে এ পদে ছিলেন উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।