সোমবার | ৩০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় Logo সুন্দরবনে ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ মৌসুম শুরু, প্রস্তুত মৌয়ালরা—তবে ডাকাত আতঙ্কে অনিশ্চয়তা Logo বীরগঞ্জে দুই সিনটা ট্যাবলেট ব্যবসায়ী আটক Logo বীরগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ী হতে জ্বালানি তেল উদ্ধার Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলীর যোগদান Logo পলাশবাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলার লাল সংকেত: হামলা, হত্যাকাণ্ড ও কিশোর সহিংসতায় উদ্বেগজনক চিত্র Logo নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালি খুলতে হবে: ‘ট্রাম্প Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo ভান্ডারিয়ায় পূর্ব সত্রুতার জেরে হামলা আহত ১

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০১:২৯:২৭ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৪৭ বার পড়া হয়েছে

প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার পরামর্শ
নিউজ ডেস্ক:চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল রোববার সকাল সাড়ে আটটায় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে আমাদের ভবিষ্যৎ জাতি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না। অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর। আমাদের দেশে রোগীরা ওষুধের দোকান থেকে মুখস্থ অ্যান্টিবায়োটিক ক্রয় করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সেবন করে থাকেন এবং খুব দ্রুত রোগ থেকে মুক্তি চান। ফলে অ্যান্টিবায়োটিকের যথার্থ প্রয়োগ না হওয়ায় জীবাণুগুলো ধীরে ধীরে রেজিস্ট্যান্স হয়ে পড়ছে। পৃথিবীর অন্য দেশে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ কিনতে হলে ডাক্তারের পরামর্শপত্র দেখাতে হয়। ডাক্তার ছাড়া অন্য কারও ওষুধ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) আবু রাসেল, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কার্ডিওলজিস্ট কনসালট্যান্ট ডা. পরিতোষ কুমার ঘোষ, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র সার্জারি কনসালট্যান্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন, জেলা ড্রাগ সুপার স্বপন আহম্মেদ ও বিএমএ-এর সেক্রেটারি ডা. আব্দুল লতিফ।
সভাপতিত্বের বক্তব্যে সিভিল সার্জন বলেন, ‘রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে অ্যান্টেবায়োটিকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেশি হলে রোগীর শারীরিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রথমে আমরা রোগীকে সাধারণ চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করব। পরবর্তীতে রোগী অবস্থা বুঝে আমরা অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কবর। তিনি আরও বলেন, রোগীর চিকিৎসাবোর ক্ষেত্রে অবশ্যই যতœবান হতে হবে। কোনো চিকিৎসের বিরুদ্ধে কোনো রোগী যাতে অভিযোগের আঙল তুলতে না পারেন, সেদিকে আমাদের সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ দিবস পালনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সব চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স, ড্রাগ ও কেমিস্টের স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের হেল্থ অ্যাডুকেটর দেলোয়ার হোসেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০১:২৯:২৭ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯

প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার পরামর্শ
নিউজ ডেস্ক:চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল রোববার সকাল সাড়ে আটটায় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে আমাদের ভবিষ্যৎ জাতি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না। অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর। আমাদের দেশে রোগীরা ওষুধের দোকান থেকে মুখস্থ অ্যান্টিবায়োটিক ক্রয় করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সেবন করে থাকেন এবং খুব দ্রুত রোগ থেকে মুক্তি চান। ফলে অ্যান্টিবায়োটিকের যথার্থ প্রয়োগ না হওয়ায় জীবাণুগুলো ধীরে ধীরে রেজিস্ট্যান্স হয়ে পড়ছে। পৃথিবীর অন্য দেশে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ কিনতে হলে ডাক্তারের পরামর্শপত্র দেখাতে হয়। ডাক্তার ছাড়া অন্য কারও ওষুধ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) আবু রাসেল, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কার্ডিওলজিস্ট কনসালট্যান্ট ডা. পরিতোষ কুমার ঘোষ, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র সার্জারি কনসালট্যান্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন, জেলা ড্রাগ সুপার স্বপন আহম্মেদ ও বিএমএ-এর সেক্রেটারি ডা. আব্দুল লতিফ।
সভাপতিত্বের বক্তব্যে সিভিল সার্জন বলেন, ‘রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে অ্যান্টেবায়োটিকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেশি হলে রোগীর শারীরিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রথমে আমরা রোগীকে সাধারণ চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করব। পরবর্তীতে রোগী অবস্থা বুঝে আমরা অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কবর। তিনি আরও বলেন, রোগীর চিকিৎসাবোর ক্ষেত্রে অবশ্যই যতœবান হতে হবে। কোনো চিকিৎসের বিরুদ্ধে কোনো রোগী যাতে অভিযোগের আঙল তুলতে না পারেন, সেদিকে আমাদের সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ দিবস পালনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সব চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স, ড্রাগ ও কেমিস্টের স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের হেল্থ অ্যাডুকেটর দেলোয়ার হোসেন।