রবিবার | ১ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী Logo খুবির ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হামলার দাবি আইআরজিসি’র Logo সাদুল্লাপুরের ছাত্রলীগ নেতা বানিয়ে গ্রেফতার : দুই মাস কারাবন্দি, নবজাতকসহ তিন সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী Logo পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন Logo শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাল ‘বিজয়ী: চাঁদপুরে ১৫০ শিক্ষার্থী পেল নতুন পোশাক Logo ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত Logo হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস Logo জলবায়ু সহনশীল গ্রাম গঠনে উদ্যোগ, শ্যামনগরে সক্রিয় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স Logo ইরানের ৩১ প্রদেশের ২০টিতেই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদীত বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:১২ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯
  • ৭৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:¯্রােত অবরোধ থেকে মাথাভাঙ্গা নদীকে বাঁচাও এমন আন্দোলন চলছে, ঠিক সে সময় দামুড়হুদা উপজেলার মাথাভাঙ্গা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছে এক শ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী। এপার-ওপার বাঁশের বাঁধ দিয়ে কারেন্ট জালের মাধ্যমে মাছ শিকার করছেন তাঁরা। এসব কারেন্ট জালে ছোট প্রজাতির মাছ থেকে শুরু করে কোনো মাছেরই রক্ষা নেই। এ এমন জাল যে, মাছের ডিম পর্যন্ত ধরা পড়ে। যে কারণে একদিকে নিধন হচ্ছে মাছের পোনা, অন্য দিকে ভরাট হচ্চে নদী। ভরাট হওয়ার কারণে ¯্রােতের বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। অন্য দিকে ¯্রােতে নদীর দু পাড় ধসে যাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদীর দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর, গলায় দড়ি ব্রিজের ওপর থেকে দু পাশে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, দুপাশে বাঁশের বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় প্রভাশালীর ক্ষমতার দাপটে নদীর বুকে বাঁধ তৈরি ও মশারি মতো কারেন্ট জাল দিয়ে বাঁধ সৃষ্টি করে অবাধে প্রতিদিন মাছ শিকার করা হচ্ছে। এতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে নদীর ¯্রােত, মারা যাচ্চে রেণুপোনা। আর মাছের প্রজনন করতেও সমস্যা হচ্ছে। অবৈধভাবে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করা থেকে রক্ষা পাবে এমনটিই আশা করছে এলাকাবাসি।
দামুড়হুদা উপজেলার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা ইতিমধ্যে কারা কারা বাঁধ দিয়েছে, তার তালিকা তৈরি করেছি। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এখন রেণু ছাড়ার সময়, আর এখনই যদি নদীতে বাঁধ দিয়ে মা মাছগুলি ধরে ফেলে, তাহলে নদীতে আর মাছ থাকবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব বাঁধ অপসারনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিম লিংকন জানান, ‘নদীতে বাঁধ দেওয়ার কথা শুনেছি। কোনোভাবেই নদীতে বাঁধ দেওয়া যাবে না। যাঁরা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ট্যাগস :

ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদীত বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার!

আপডেট সময় : ১১:৩৫:১২ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:¯্রােত অবরোধ থেকে মাথাভাঙ্গা নদীকে বাঁচাও এমন আন্দোলন চলছে, ঠিক সে সময় দামুড়হুদা উপজেলার মাথাভাঙ্গা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছে এক শ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী। এপার-ওপার বাঁশের বাঁধ দিয়ে কারেন্ট জালের মাধ্যমে মাছ শিকার করছেন তাঁরা। এসব কারেন্ট জালে ছোট প্রজাতির মাছ থেকে শুরু করে কোনো মাছেরই রক্ষা নেই। এ এমন জাল যে, মাছের ডিম পর্যন্ত ধরা পড়ে। যে কারণে একদিকে নিধন হচ্ছে মাছের পোনা, অন্য দিকে ভরাট হচ্চে নদী। ভরাট হওয়ার কারণে ¯্রােতের বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। অন্য দিকে ¯্রােতে নদীর দু পাড় ধসে যাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদীর দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর, গলায় দড়ি ব্রিজের ওপর থেকে দু পাশে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, দুপাশে বাঁশের বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় প্রভাশালীর ক্ষমতার দাপটে নদীর বুকে বাঁধ তৈরি ও মশারি মতো কারেন্ট জাল দিয়ে বাঁধ সৃষ্টি করে অবাধে প্রতিদিন মাছ শিকার করা হচ্ছে। এতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে নদীর ¯্রােত, মারা যাচ্চে রেণুপোনা। আর মাছের প্রজনন করতেও সমস্যা হচ্ছে। অবৈধভাবে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করা থেকে রক্ষা পাবে এমনটিই আশা করছে এলাকাবাসি।
দামুড়হুদা উপজেলার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা ইতিমধ্যে কারা কারা বাঁধ দিয়েছে, তার তালিকা তৈরি করেছি। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এখন রেণু ছাড়ার সময়, আর এখনই যদি নদীতে বাঁধ দিয়ে মা মাছগুলি ধরে ফেলে, তাহলে নদীতে আর মাছ থাকবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব বাঁধ অপসারনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিম লিংকন জানান, ‘নদীতে বাঁধ দেওয়ার কথা শুনেছি। কোনোভাবেই নদীতে বাঁধ দেওয়া যাবে না। যাঁরা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’