বুধবার | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo সাতক্ষীরায় ইয়াবা, অবৈধ অর্থ ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ  গ্রেফতার- ৩ Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার Logo ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের Logo কোর্স ফি বৃদ্ধি ও ছাত্র প্রতিনিধি ইস্যুতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo ঝিনাইদহে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র, বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo শেরপুরে সেবার আলোর উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ Logo সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ঘড়ি স্থাপন Logo চাঁদপুর কাচ্চি ডাইন ব্রাঞ্চে র‌্যাফেল জয়ীদের হাতে আনন্দের পুরস্কার”

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদীত বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:১২ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯
  • ৭৪১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:¯্রােত অবরোধ থেকে মাথাভাঙ্গা নদীকে বাঁচাও এমন আন্দোলন চলছে, ঠিক সে সময় দামুড়হুদা উপজেলার মাথাভাঙ্গা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছে এক শ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী। এপার-ওপার বাঁশের বাঁধ দিয়ে কারেন্ট জালের মাধ্যমে মাছ শিকার করছেন তাঁরা। এসব কারেন্ট জালে ছোট প্রজাতির মাছ থেকে শুরু করে কোনো মাছেরই রক্ষা নেই। এ এমন জাল যে, মাছের ডিম পর্যন্ত ধরা পড়ে। যে কারণে একদিকে নিধন হচ্ছে মাছের পোনা, অন্য দিকে ভরাট হচ্চে নদী। ভরাট হওয়ার কারণে ¯্রােতের বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। অন্য দিকে ¯্রােতে নদীর দু পাড় ধসে যাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদীর দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর, গলায় দড়ি ব্রিজের ওপর থেকে দু পাশে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, দুপাশে বাঁশের বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় প্রভাশালীর ক্ষমতার দাপটে নদীর বুকে বাঁধ তৈরি ও মশারি মতো কারেন্ট জাল দিয়ে বাঁধ সৃষ্টি করে অবাধে প্রতিদিন মাছ শিকার করা হচ্ছে। এতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে নদীর ¯্রােত, মারা যাচ্চে রেণুপোনা। আর মাছের প্রজনন করতেও সমস্যা হচ্ছে। অবৈধভাবে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করা থেকে রক্ষা পাবে এমনটিই আশা করছে এলাকাবাসি।
দামুড়হুদা উপজেলার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা ইতিমধ্যে কারা কারা বাঁধ দিয়েছে, তার তালিকা তৈরি করেছি। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এখন রেণু ছাড়ার সময়, আর এখনই যদি নদীতে বাঁধ দিয়ে মা মাছগুলি ধরে ফেলে, তাহলে নদীতে আর মাছ থাকবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব বাঁধ অপসারনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিম লিংকন জানান, ‘নদীতে বাঁধ দেওয়ার কথা শুনেছি। কোনোভাবেই নদীতে বাঁধ দেওয়া যাবে না। যাঁরা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদীত বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার!

আপডেট সময় : ১১:৩৫:১২ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:¯্রােত অবরোধ থেকে মাথাভাঙ্গা নদীকে বাঁচাও এমন আন্দোলন চলছে, ঠিক সে সময় দামুড়হুদা উপজেলার মাথাভাঙ্গা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছে এক শ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী। এপার-ওপার বাঁশের বাঁধ দিয়ে কারেন্ট জালের মাধ্যমে মাছ শিকার করছেন তাঁরা। এসব কারেন্ট জালে ছোট প্রজাতির মাছ থেকে শুরু করে কোনো মাছেরই রক্ষা নেই। এ এমন জাল যে, মাছের ডিম পর্যন্ত ধরা পড়ে। যে কারণে একদিকে নিধন হচ্ছে মাছের পোনা, অন্য দিকে ভরাট হচ্চে নদী। ভরাট হওয়ার কারণে ¯্রােতের বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। অন্য দিকে ¯্রােতে নদীর দু পাড় ধসে যাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদীর দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর, গলায় দড়ি ব্রিজের ওপর থেকে দু পাশে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, দুপাশে বাঁশের বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় প্রভাশালীর ক্ষমতার দাপটে নদীর বুকে বাঁধ তৈরি ও মশারি মতো কারেন্ট জাল দিয়ে বাঁধ সৃষ্টি করে অবাধে প্রতিদিন মাছ শিকার করা হচ্ছে। এতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে নদীর ¯্রােত, মারা যাচ্চে রেণুপোনা। আর মাছের প্রজনন করতেও সমস্যা হচ্ছে। অবৈধভাবে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করা থেকে রক্ষা পাবে এমনটিই আশা করছে এলাকাবাসি।
দামুড়হুদা উপজেলার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা ইতিমধ্যে কারা কারা বাঁধ দিয়েছে, তার তালিকা তৈরি করেছি। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এখন রেণু ছাড়ার সময়, আর এখনই যদি নদীতে বাঁধ দিয়ে মা মাছগুলি ধরে ফেলে, তাহলে নদীতে আর মাছ থাকবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব বাঁধ অপসারনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিম লিংকন জানান, ‘নদীতে বাঁধ দেওয়ার কথা শুনেছি। কোনোভাবেই নদীতে বাঁধ দেওয়া যাবে না। যাঁরা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’